Sunday 31 Aug 2025
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

অনিক হত্যা মামলায় ২ ভাই গ্রেফতার


২৬ জুন ২০১৮ ১৩:৩৬ | আপডেট: ২৬ জুন ২০১৮ ১৩:৫৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট।।

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে আবু জাফর অনিক (২৬) হত্যা মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলেন- জোবায়েদ আহম্মদ শোভন (২২) এবং জোনায়েদ আহম্মদ ইমন (১৯)। এরা দুজন আপন ভাই।

চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসেন সারাবাংলাকে জানিয়েছেন, সোমবার (২৫ জুন) গভীর রাতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার চক্রশালা গ্রামে আত্মগোপনরত অবস্থা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই নিয়ে পুলিশ অনিক হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে পুলিশ অনিক হত্যা মামলার প্রধান আসামি যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ মহিনউদ্দিন তুষার (৩০) ও এজাহারভুক্ত ১০ নম্বর আসামি এখলাসুর রহমান এখলাছকে (২২) গ্রেফতার করে। ভারতের কোলকাতায় আত্মগোপনরত অবস্থায় সেদেশের পুলিশের হাতে আটকের পর ভিসা বাতিল করে ‍দুজনকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর দুজনকে পুলিশ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছেন মোস্তাইন।

বিজ্ঞাপন

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মো.আব্দুর রউফ সারাবাংলাকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন মোটর সাইকেলে হর্ন দেওয়া নিয়ে খুন হওয়া অনিকের ছোট ভাই আবু হেনা রনিকের সঙ্গে আসামি ইমনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ইমন ও তার বন্ধুরা মিলে রনিককে মারধর করেন। এই ঝগড়া মিমাংসা করতে গিয়ে রনিকের বড় ভাই অনিক ও ইমনের বড় ভাই শোভনসহ দুই পরিবারের সদস্যরা ঝগড়ায় জড়ান। ইমন-শোভনদের পাড়ার বড় ভাই তুষার তাদের পক্ষে বিদেশি পিস্তল দিয়ে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে ঘটনাস্থলে আসে তার আরও কয়েকজন সহযোগীসহ। সেখানে ঝগড়ার একপর্যায়ে বাবার সামনেই অনিককে ছুরিকাঘাত করে ইমন, শোভন ও মিন্টু। তবে ইমনের ছুরিকাঘাতের কারণেই অনিকের মৃত্যু হয়েছে। তুষারকে গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ তার বাসা থেকে বিদেশি পিস্তলটি উদ্ধার করেছে।

গত ১৭ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার দামপাড়া ব্যাটারি গলির মুখে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো.নাছিরের ছেলে অনিক খুন হন। তাদের বাসাও নগরীর দামপাড়া পল্টন রোডে।

১৮ জুন নাছির বাদী হয়ে ১২ জন আসামির নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

সারাবাংলা/আরডি/এমএইচ

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর