ভাসতে ভাসতে ভাসানচরে [ছবি]
৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১৭:৩৪ | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২০ ২৩:২৩
২০১৭ সালের আগস্ট মাস।
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সরকারি মদদে সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ থেকে প্রাণে বাঁচতে নাফ নদী দিয়ে ভাসতে ভাসতে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।
১১ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় অস্থায়ী ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকে। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার ভাসতে ভাসতে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোতে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন নিয়ে হয় দালালের খপ্পরে পড়েছে নয়তো ওই দেশগুলোর সমুদ্রসীমায় বেআইনি অনুপ্রবেশের দায়ে দণ্ডিত হয়েছে।
এর মধ্যেই, তাদেরকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসিত করতে কয়েকদফা উদ্যোগ নেওয়া হলেও মিয়ানমারের সদিচ্ছার অভাবে কার্যকর হয়নি। রোহিঙ্গা সংকট শেষমেষ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে গিয়ে হাজির হয়েছে, বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান আছে। সম্প্রতি,সরকারি উদ্যোগে এক হাজার ৬১৫ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরের নবনির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম থেকে সাতটি জাহাজে করে ভাসতে ভাসতে ভাসানচরে পৌঁছে গেছে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রথম দল।
ওই রোহিঙ্গা দলের কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ভাসানচর যাত্রাপথে ছবিগুলো তুলেছেন সারাবাংলার ফটো করেসপন্ডেন্ট শ্যামল নন্দী।
- ‘আমিও বুঝেছি যে হায়, শিশুর মতো হতে হয়’
- আবার আরেক গন্তব্যের উৎকণ্ঠা
- প্রতিবার এক অবাক যাত্রা
- অনিশ্চয়তার সঙ্গে বসবাস
- অজানার জন্য অপেক্ষা
- ‘নতুন ঠিকানা চাই, যেখানে সবার ঠাই’
- ‘যত দূর চোখ যায় ঢেউ ঢেউ’
- ‘ওপারে আছো কি কেউ কেউ’
- ‘জোট বাধো, তৈরি হও’
- ভাসতে ভাসতে ভাসানচরে