বিজ্ঞাপন

প্রযুক্তির যে চমক নিয়ে এলো অ্যাপল!

September 13, 2018 | 11:09 am

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের টেকজায়ান্ট অ্যাপল বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রযুক্তির কয়েকটি চমক নিয়ে হাজির হয়েছে। এদিন নতুন সংস্করণের তিনটি আইফোন এবং অ্যাপল ওয়াচ (ঘড়ি) উন্মুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। চতুর্থ প্রজন্মের এই অ্যাপেল ওয়াচে রয়েছে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফ (ইসিজি) করার ব্যবস্থা।

নতুন সংস্করণের আইফোনগুলো হচ্ছে- আইফোন এক্সআর, আইফোন এক্সএস, আইফোন এক্সএস ম্যাক্স। শুরুতে এগুলোর মূল্য ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৭৪৯ ডলার, ৯৯৯ ডলার এবং ১০৯৯ ডলার।

বিজ্ঞাপন

প্রযুক্তির যে চমক নিয়ে এলো অ্যাপল!

অ্যাপল জানিয়েছে, আইফোন এক্সএস ম্যাক্স এর ডিসপ্লে ৬.৫ ইঞ্চি, যেটি এযাবতকালে আইফোনের সবচেয়ে বড় ডিসপ্লে। আইফোন এক্সএস’র ডিসপ্লে আগের মতোই ৫.৮ ইঞ্চি। নতুন সংস্করণের আইফোন কেনার জন্য শুক্রবার থেকে বিশ্বের ত্রিশটি দেশে প্রি-অর্ডার করা যাবে। তবে সেসব দেশের অ্যাপল স্টোরে এ ফোনগুলো পাওয়া যাবে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে।

বিজ্ঞাপন

অ্যাপেল ওয়াচে আগে থেকেই ছিল হার্ট রেট এলার্ট ফিচার। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘লো হার্ট রেট অ্যালার্ম’, অনিয়মিত হার্ট রেটের লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক করার ব্যবস্থা। অনুষ্ঠানে অ্যাপেলের সিইও জেফ উইলিয়ামস বলেছেন ‘ক্রেতাদের সরাসরি ব্যবহারের জন্য এটিই প্রথম ইসিজি যন্ত্র যা বাজারে এনেছে অ্যাপল। ঘড়ির পেছনে সেন্সর রয়েছে, ফলে পরিধানকারী যেকোনো তার সময় ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফ করতে পারবেন।’

প্রযুক্তির যে চমক নিয়ে এলো অ্যাপল!

বিজ্ঞাপন

অ্যাপল জানিয়েছে, এই ঘড়ির ব্যবহারকারী কোথাও পড়ে গেলে এবং এক মিনিট নড়াচড়া না করলে অ্যাপল ওয়াচ থেকে জরুরি সেবায় বার্তা চলে যাবে এবং ব্যবহারকারীর অবস্থানও জানিয়ে দেবে। এছাড়া বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার বিষয়টি ঘড়িতে নির্ধারণ করে রাখলে, তাদের কাছেও বার্তা পাঠাবে অ্যাপল ওয়াচ।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন পেয়েছে নতুন এ সংযোজন। আগামী শুক্রবার থেকে অ্যাপেল ওয়াচের বুকিং দেওয়া যাবে। ২১ তারিখ থেকে সেগুলো পাওয়া যাবে। অ্যাপেল ওয়াচের দাম শুরু হচ্ছে ৪০০ ডলার থেকে।

বিজ্ঞাপন

নতুন সংস্করণের আইফোন নিয়ে অ্যাপল বলছে স্মার্ট-ফোনের ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় ধরণের এক অগ্রগতি। সবগুলো ফোনেই ব্যবহৃত হয়েছে নতুন ‘এ১২ বায়োনিক চিপ’। এই চিপের কারণে যেকোনো অ্যাপ খুলে যাওয়ার গতি বৃদ্ধি পাবে প্রায় ৩০ শতাংশ।

প্রযুক্তির যে চমক নিয়ে এলো অ্যাপল!

নতুন সংস্করণের এসব আইফোনের ডিসপ্লে হবে আগের তুলনায় অনেক ঝকঝকে। আইফোন এক্সএস এবং আইফোন এক্সএস ম্যাক্স-এ সুপার রেটিনা ডিসপ্লে সংযোজন করা হয়েছে। এগুলোতে পানি ঢুকবে না।

তথ্য ধারণের জন্য আইফোন এক্সএস ও আইফোন এক্সএস ম্যাক্সের ফোনগুলোতে ৬৪, ২৫৬, ৫১২ জিবি মেমোরি পাওয়া যাবে। এগুলোতে চার জিবি করে থাকছে র‌্যাম। দুই ফোনেই সামনের দিকের সাত মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। পেছনে রয়েছে একটি ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ও একটি টেলিফটো লেন্স।

‘আইফোন এক্সএস’ এবং ‘আইফোন এক্সএস ম্যাক্স’ এ ১২ মেগাপিক্সেলের দুটো ক্যামেরা আছে। এখানে রয়েছে টুএক্স অপটিক্যাল জুম এবং ডুয়াল অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন। ফটোগ্রাফির জগতে এটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে জানিয়েছে অ্যাপল।

প্রযুক্তির যে চমক নিয়ে এলো অ্যাপল!

শুধু ছবি নয়, উন্নত মানের ভিডিও ধারণ করা যাবে এ ফোন সেটের মাধ্যমে। ভিডিও ধারণের সময় নড়াচড়া হলেও ভিডিওতে সেটির প্রভাব পড়বে না এবং কম আলোতেও ভালো মানের ভিডিও ধারণ সম্ভব হবে। কারণ এখানে রয়েছে উন্নত মানের ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার। ভিডিও’র শব্দ হবে উন্নত মানের।

নতুন সংস্করণের আইফোনে ছবি তোলার পর সেটির ব্যাকগ্রাউন্ডের গভীরতা পরিবর্তন করা যাবে। ব্যাটারির ক্ষমতা পুরনো সংস্করণের চেয়ে কিছুটা উন্নত। আইফোন এক্স’র চেয়ে এক্সএস’র ব্যাটারিতে চার্জ থাকবে ৩০ মিনিট বেশি। অন্যদিকে এক্সএস ম্যাক্স-এ ব্যাটারির চার্জ থাকবে দেড় ঘণ্টা বেশি।

সারাবাংলা/এএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন