বিজ্ঞাপন

শিক্ষকের বহিস্কার চেয়ে সিভাসু ছাত্রলীগের ভিসি কার্যালয় ঘেরাও

September 24, 2018 | 4:58 pm

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য ড.গৌতম বুদ্ধ দাশকে নিজ কার্যালয়ে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিবিরকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার অভিযোগ এনে তাকে বহিস্কারের দাবিতে ছাত্রলীগের এই বিক্ষোভ।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এই ঘটনার সময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে পুলিশ অবস্থান নেয়। তবে পরে উপাচার্যের তদন্তের আশ্বাসের পর সরে যান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

যে শিক্ষকের বহিস্কারের দাবি জানানো হচ্ছে তিনি হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি অ্যান্ড হিস্টোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা পায়েল দত্ত সারাবাংলাকে বলেন, গোলাম কিবরিয়া ফেসবুকে সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট দেন। তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং তাদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। এসব প্রমাণ হস্তান্তর করে এই শিক্ষককে বহিষ্কারের দাবি জানাতে আমরা ভিসি স্যারের কাছে গিয়েছিলাম।

বিজ্ঞাপন

‘তিনি আমাদের কথা শুনেই রেগে যান। আমাদের বলেন, ভিসি স্যার না চাইলে ক্যাম্পাসে নাকি ছাত্রলীগ রাজনীতি করতে পারবে না। তিনি আমাদের বের করে দেন অফিস থেকে। এজন্য আমরা ভিসি স্যারের অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছি।’

সূত্রমতে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থানের কারণে উপাচার্য প্রায় একঘন্টা নিজের অফিসকক্ষে অবরুদ্ধ থাকেন। খবর পেয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় কুমার বসাক ও খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো.নাসির উদ্দিন সেখানে যান। তারা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভিসি’র অফিসের সামনে থেকে সরানোর চেষ্টা করেন।

বিজ্ঞাপন

পরে ভিসি বেরিয়ে শিক্ষক গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের আশ্বাস দিলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চলে যান।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় কুমার বসাক সারাবাংলাকে বলেন, ছাত্ররা দাবি জানাতে উপাচার্যের কাছে গিয়েছিলেন। পরে তারা চলে গেছেন। বড় কোন ঘটনা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইয়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.গৌতম বুদ্ধ দাশ সারাবাংলাকে বলেন, ‘সব বিষয়ে কথা বলতে ভিসি’র অফিসে চলে আসে। প্রক্টর আছে, প্রভোস্ট আছে। তাদের কাছেও যেতে পারে। আমি সেটাই তাদের বলেছি। আর একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই যে তাকে বহিষ্কার করে দিতে হবে, এমনটা তো হতে পারে না। তদন্ত হবে। অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাবাংলা/আরডি/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন