বিজ্ঞাপন

সাবেক দুই গোয়েন্দা প্রধানের ফাঁসি, তিন আইজিসহ ৮ পুলিশের সাজা

October 10, 2018 | 6:01 pm

।। সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক দুই প্রধানের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া সাবেক তিন আইজিপিসহ আট পুলিশ কর্মকর্তাকে সাজা দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ‍দুইজন হলেন ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইনটেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও  জাতীয় গোয়েন্দা নিরাপত্তার (এনএসআই) সাবেক প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুর রহিম।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া পুলিশ ও সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়া কর্মকর্তাদের তিন বছর আবার কারও দুইবছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

তিনবছর সাজাপ্রাপ্তরা হলেন পুলিশের সাবেক আইজি খোদাবক্স চৌধুরী, বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আব্দুর রশিদ ও সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুন্সি আতিকুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

দুইবছর সাজাপ্রাপ্তরা হলেন লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, মেজর জেনারেল এ টি এম আমিন (এলপিআর), লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক (খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ও সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা), পুলিশের সাবেক আইজি আশরাফুল হুদা, সাবেক আইজি শহিদুল হক, ডিএমপির সাবেক ডিসি (পূর্ব) মো. ওবায়দুর রহমান ও সাবেক ডিসি (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান।

বুধবার (১০ অক্টোবর) পুরান ঢাকায় স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক (দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১) শাহেদ নুর উদ্দিন রায় ঘোষণার পর এ সব তথ্য (রায়ের কপি পেয়ে) জানা যায়।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার সময় মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ডিজিএফআই ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুর রহিম এনএসআই এর ডিজি ছিলেন।

যে সকল আসামির তিন বছর ও দুই বছরের সাজা হয়েছে, তাদের বেলায় কী হবে জানতে চাইলে পুলিশের সাবেক আইজি আশরাফুল হকের আইনজীবী মো. নজরুল ইসলাম সারাবাংলাকে বলেন, যাদের তিন বা দুই বছর সাজা হয়েছে, তাদের কারোরই সাজা খাটা শেষ হয়নি। এদের অনেকে পলাতক আছেন বাকিরা কারাগারে আছেন। কেউ নয় মাস আবার কেউ ছয়মাস কারাভোগ করেছেন। এরা উচ্চ আদালতে খালাস চেয়ে আবেদন করলে জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কারণ উচ্চ আদালত ৫ বছর সাজাপ্রাপ্ত পর্যন্ত আসামির জামিন দিয়ে থাকে। সাজা বাড়লে তাদের আবার জেলে যেতে হবে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলী সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেছেন, রায় পর্যালোচনা করার পর যদি মনে হয় যে, অনেকের সাজা কম হয়েছে। তবে তাদের সাজা বাড়ানোর জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

 সারাবাংলা/ইউজে/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন