শুক্রবার ১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ইং , ৬ বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ শাবান, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

উৎসাহ-উদ্দীপনায় ইতালির রোমে চতুর্থ উন্নয়ন মেলা উদযাপিত

অক্টোবর ১৬, ২০১৮ | ১২:১৩ অপরাহ্ণ

।। সারাবাংলা ডেস্ক ।।

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস রোম, ইতালিতে তিন দিনব্যাপী চতুর্থ উন্নয়ন মেলার আয়োজন করেছে। চলতি মাসের ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বর্ণিল এই উৎসব উদযাপন করা হয়।

বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতিতে শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু হয় রোমের কেন্দ্রস্থল ভিত্তুরিও পার্কে। বাংলাদেশের উন্নয়ন সংবলিত প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন সবাই।

উন্নয়ন মেলা, ইতালি, প্রবাসী বাংলাদেশি,

বিজ্ঞাপন

একই দিনে সন্ধ্যা ৭টায় টিয়েত্রো সান গাসপারে এর হল রুমে বাংলাদেশের উন্নয়নের উপরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এতে আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের উন্নয়নের সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পর স্থানীয় শিল্পীরা বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ একাডেমী অফ ফাইন আর্টস থেকে আগত শিল্পীরা ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম প্রেম উপাখ্যান  ‘মহুয়া পালা’ মঞ্চস্থ করেন। যা বিপুল সংখ্যক শ্রোতা-দর্শকরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন উদযাপন করছে ইতালি আওয়ামী লীগ

উন্নয়ন মেলা, ইতালি, প্রবাসী বাংলাদেশি,

১৩ অক্টোবর, কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে ময়মনসিংহ একাডেমী অফ ফাইন আর্টস এর শিল্পীরা রোমের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত আনকোনা শহরে ‘মহুয়া পালা’ আবারও পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আনকোনা সিটি মেয়র, রেজিয়ন এর প্রেসিডেন্ট, পুলিশ প্রধান, আনকোনা টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির রেক্টর, ইসলামিক এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট, আনকোনা শিপইয়ার্ডের কর্ণধার ও উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়ন মেলা, ইতালি, প্রবাসী বাংলাদেশি,

উন্নয়ন মেলার অংশ হিসেবে ১৪ অক্টোবর আনকোনায় বাংলাদেশের দূতাবাসের কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়। সেখানে ২০০ জনেরও অধিক সংখ্যক বাংলাদেশি স্থানীয়ভাবে কনস্যুলার সেবা নেন। এছাড়া মেলা উপলক্ষে দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়নের পরিসংখ্যান-চিত্র এবং বাংলাদেশ দূতাবাস রোমের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।

সারাবাংলা/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন