শুক্রবার ১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ইং , ৬ বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ শাবান, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

নভেম্বর থেকে ফেসবুক-ইউটিউব-গুগল নিয়ন্ত্রণ: মোস্তাফা জব্বার

অক্টোবর ২০, ২০১৮ | ৮:৫৪ অপরাহ্ণ

।। ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট।।

ঢাবি: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার, গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধ করতে আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এই মাসেই সব ধরনের ডিভাইস আসবে। তিনি বলেন, আমরা আর পিছিয়ে নেই, অনেক দূর এগিয়েছি। ফেসবুক এক সময় আমাদের কথায় কর্ণপাত করতো না। তবে এখন কথা শুনছে। আমাদের দেশীয় আইন-কানুন অনুযায়ী তারা চলবে।

শনিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এই আলোচনার সভার আয়োজন করে।

বিজ্ঞাপন

সংগঠনটির সভাপতি, সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির সভায় সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন শহীদ সন্তান তৌহীদ রেজা নূর। আলোচনায় অংশ নেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়্যারমান মোহাম্মদ আরাফাত, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক শহীদ সন্তান ডা. নুজহাত চৌধুরী, বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের (বোয়াফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় এবং ব্লগার ও লেখক মারুফ রসূল।

মোস্তফা জাব্বার বলেন, কয়েক লাখ ব্যবহারকারী যখন ছিল, তখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি। কিন্তু কথা না শুনলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে এমন হুমকি দেওয়ার পর থেকেতারা অফিসে এসে বসে থাকে। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী চলবে বলেও আশ্বস্ত করেছে। আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগলে মানহানিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

গুজব ও অপপ্রচার রুখতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী। কোনো ঘটনা বা বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের সম্ভাবনা থাকলে সরকারকে অবহিত করার অনুরোধ করেন তিনি। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনকে ঘিরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দু’একটি কথা, উন্নয়নমূলক সংবাদ প্রচারের পরামর্শ দেন গণমাধ্যমকে।

মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহীদ সন্তান আসিফ মুনীর তন্ময়। গুজব রুখতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে একটা করে প্রতিরোধ কমিটি গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

ডা. নুজহাত চৌধুরী বলেন, যারা গুজব ও ইতিহাস রুখতে লড়াই করছে। তারা হুমকিতে থাকলেও পাশে দাঁড়াচ্ছি না। গুজব প্রতিহত করতে টাকা দিয়ে দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়তে হবে, যারা ২৪ ঘণ্টা অনলাইন যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে।

মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, দীর্ঘদিন থেকেই এ ধরনের একটা আইনের দাবি জানিয়ে আসছিলাম আমরা। যেকোনো আইন হলেও একটা গোষ্ঠী প্রতিক্রিয়া দেখাবে- কিন্তু তাদের স্বার্থের চেয়ে জনগণের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিতে হবে। তবে এই আইনের যেন কোনো অপব্যহার না হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সারাবাংলা/কেকে/এটি

নভেম্বর থেকে ফেসবুক-ইউটিউব-গুগল নিয়ন্ত্রণ: মোস্তাফা জব্বার
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন