বিজ্ঞাপন

শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ভবন উদ্বোধন

October 31, 2018 | 12:02 pm

।। সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে দিয়ে দেশেও পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসজনিত গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনাল রোগের উন্নত মানের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।

বুধবার (৩১ অক্টোবর) হাসপতাল উদ্বোধন ও আটটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে হাসপাতালের প্রতিটি ফ্লোরে ঘুরে ঘুরে দেখেন তিনি। এরপর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভায় অংশ নেন তিনি।এতে সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

বিজ্ঞাপন

গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উদ্বোধনসহ এস্টাবলিস্টমেন্ট অব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের উদ্বোধনসহ আরও আটটি অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন শেখ হাসিনা।

বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসজনিত গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনাল রোগের প্রকোপ রয়েছে। জলবায়ু ও পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে বর্তমানে গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনালজনিত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই এ জাতীয় রোগে আক্রান্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীর মহাখালীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডাইজেস্টিভ ডিজিজেস রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের যাত্রা শুরু হলো।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আগ্রহে এ হাসপাতাল নির্মিত হয়েছে। হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হলে এ সংক্রান্ত রোগীরা ন্যূনতম ব্যয়ে বিশ্বমানের সেবা পাবেন।

রাজধানীর মহাখালীতে (বক্ষব্যাধি হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায়) ২ একর জমির ওপর ১০ তলা মূল হাসপাতাল ভবনসহ আরও চারটি পাঁচ তলা ভবন নিয়ে ২৫০ শয্যার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডাইজেস্টিভ ডিজিজেস রির্সাচ অ্যান্ড হাসপাতাল নির্মিত হয়েছে। হাসপাতালটি চিকিৎসক, নার্সসহ ৩৬৩ জন জনবল নিয়াগের অনুমোদন পেয়েছে। এখানে ইমার্জেন্সি এন্ডোসকপিক ইন্টারভেনশন, ইমার্জেন্সি সার্জিক্যাল কেয়ার ও ১২ বেডের ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডসহ গ্যাস্ট্রো ইনটেসটাইনাল ইমার্জেন্সি সেবার সুবিধা থাকবে। এছাড়া বহির্বিভাগে পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসজনিত গ্যাস্ট্রো ইন্টেসটাইনাল রোগগুলোর মেডিকেল ও সার্জিক্যাল কনসালটেশন ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এই হাসপাতালে থাকবে চারটি অপারেশন থিয়েটার, আট বেডের আইসিইউ, ১২ বেডের এইচডিইউ, ১২টি ওয়ার্ড, ৩০টি কেবিন, মৃতদেহ সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও বেজমেন্ট পার্কিং সুবিধা। এছাড়া পাঁচ তলা ভবনগুলোয় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট হোস্টেল, ডক্টরস ডরমেটরি, নার্সেস হোস্টেল ও ইমার্জেন্সি স্টাফ কোয়ার্টার নির্মাণ হয়েছে।

প্রায় ২১৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০১১ সালের অক্টোবরে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/জেডএফ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন