বিজ্ঞাপন

আমজাদ হোসেনকে বিদেশে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে

নভেম্বর ২১, ২০১৮ | ২:৪৫ অপরাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

গত চার দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন গুণী নির্মাতা আমজাদ হোসেন। ১৮ নভেম্বর সকালে ব্রেন স্ট্রোক করলে আমজাদ হোসেনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারিরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে  রাখা হয়। আমজাদ হোসেনের অবস্থা এখনও অপরিবর্তিত আছে। আমজাদ হোসেনের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে সারাবাংলা’র সাথে কথা বলেন তার বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল।

তিনি জানান, আমজাদ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য দেশের বাইরে নেয়ার একটা প্রক্রিয়া চলছে। তাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সিঙ্গাপুরে নিয়ে যেতে সময় লাগে চার ঘণ্টা। বাবার যে শারীরিক অবস্থা, তাতে এই চার ঘণ্টা সময় অনেক বেশি। তাই আমরা চেষ্টা করছি ব্যাংকক নিয়ে যাওয়ার জন্য। সেখানে যেতে সময় লাগবে দুই ঘণ্টা। তাছাড়া বাবা আগে ব্যাংককের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। আমরা সেই হাসপাতালে যোগাযোগ করেছি। তারাও উত্তর দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়েছি। তারা এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। ব্যাংককের চিকিৎসকরা বাবাকে নিয়ে যেতে বললেই রওনা হব আমরা।’

বিজ্ঞাপন

এদিকে আজ (২১ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় অসুস্থ আমজাদ হোসেনকে দেখতে আসবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম। সরাকারের পক্ষ থেকেই আমজাদ হোসেনকে দেখতে আসছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। গতকাল (২০ নভেম্বর) আমজাদ হোসেনের দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল ও সোহেল আরমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। প্রধানমন্ত্রী সেসময় আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন।

বিশিষ্ট অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন। পরে তিনি চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। তার পরিচালিত প্রথম ছবি আগুন নিয়ে খেলা (১৯৬৭)। পরে তিনি নয়নমনি (১৯৭৬), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), ভাত দে (১৯৮৪) দিয়ে প্রশংসিত হন।

গোলাপী এখন ট্রেনে ও ভাত দে চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারেও ভূষিত করে।

এছাড়া সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার ও ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

সারাবাংলা/পিএ/পিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন