বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকদের বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি আ.লীগের

December 25, 2018 | 8:23 pm

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। আর তাদের নির্বাচন কমিশনও তাদের এই দাবি মেনে নিতে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে কমিশন সচিবের সঙ্গে দেখা করে এ কথা জানান দলের নির্বাচন পরিচালনা সদস্য মো. আখতারুজ্জামান। এসময় আওয়ামীলীগের ১১ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আমরা সংবাদ মাধ্যমে জানতে পেরেছি, নির্বাচনে অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি, এ নিষেধাজ্ঞা যেন তুলে নেওয়া হয়। নির্বাচনের দিন যেন সাংবাদিকরা বিনা বাধায় চলাচল করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে ইসিকে অনুরোধ করেছি। তারা আমাদের জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো বাধা থাকবে না।

কালো টাকার প্রভাব ঠেকাতে ইসির হস্তক্ষেপ কামনা

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, কালো টাকা ছড়িয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে যেন বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্ট প্রভাবিত করতে না পারে, সেজন্যও আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ইসির হস্তক্ষেপ চেয়েছি।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচন সামনে রেখে কালো আমাদের অনেক প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করছে, মিছিলে হামলা চালাচ্ছে। এ ধরনের সহিংসতা করে উল্টো ইসিতে এসে প্রতিদিন তারা অভিযোগও করছে। অথচ সত্য হচ্ছে, বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করছে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরও হামলা চালাচ্ছে। বিষয়গুলো আমরা কমিশনের কাছে উপস্থাপন করেছি।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আজ সকালেই সিলেটে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এম এ মোমেনের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমানের নির্বাচনি ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে সশস্ত্র ক্যাডাররা। সীতাকুণ্ডে পেট্রোল বোমা হামলায় দগ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের চার জন কর্মী এখন হাসপাতালে।

এছাড়া, চাঁদপুরে ডা. দীপু মনির বাড়িতে বিএনপি হামলা চালিয়েছে অভিযোগ করে মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩০ জন। ইসি সচিবের সঙ্গে দেখা করে আমরা এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ দাবি করেছি।

বিজ্ঞাপন

এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, নির্বাচনের আর পাঁচ দিন বাকি। এখন পেট্রোল বোমা, গান পাউডার, আগুন সন্ত্রাস শুরু হওয়ায় আমাদের ২০১৪ সালের কথা মনে পড়ছে। ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি জোট নেতারা একবার বলছেন, ভোট করব, মাঠ ছেড়ে যাব না। তারা একবার কমিশনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন, আবার অসহযোগিতার প্রশ্ন তুলছেন। তারা আসলে বিচলিত অস্থির। নির্বাচনকে বানচাল করতে, ক্ষতিগ্রস্ত করতে তারা অস্থিরতায় ভুগছে বলে তাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হচ্ছে।

ফোন নম্বর ক্লোনিং করে একটি চক্র বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে— এমন আশঙ্কা জানিয়ে প্রতিনিধি দলের সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ফোন নম্বর জালিয়াতি করে নম্বর ক্লোন করে, ভুল তথ্য যেন না যায়— সে বিষয়টিও নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরটি সঠিক কিনা কিংবা সেটি ক্লোন করা হয়েছে কিনা, তা যেন নিশ্চিত হয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সারাবাংলা/জিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন