শুক্রবার ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ইং , ১৩ বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯ শাবান, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রিসভায় নারীর সমান উপস্থিতি পাল্টে দিয়েছে কানাডাকে

জানুয়ারি ১৮, ২০১৯ | ৪:২৫ অপরাহ্ণ

রোকেয়া সরণি ডেস্ক।।

কানাডার ৩০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় নারী-পুরুষের সংখ্যা সমান। নারীদের এই উপিস্থিতর কারণেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী অধিকার, অর্থনীতিসহ বিভিন্ন দিক থেকে এগিয়ে গেছে দেশটি। পাশাপাশি বেড়েছে মানুষের জীবনমান। সম্প্রতি কানাডার জনস্বাস্থ্য বিভাগের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

এই গবেষণার প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, পুরুষের চেয়ে নারী রাজনীতিবিদ অনেক দিক থেকে দক্ষ ও চৌকষ হন। তাছাড়া নারী রাজনীতিবিদ একটু ভিন্নভাবে ভাবতে ও কাজ করতে পারেন, যা অনেক পুরুষ পারেন না। যেমন, নাগরিক অধিকার, নারী-পুরুষ সমতা, সমান পারিশ্রমিক, স্বাস্থ্য, নারী সহিংসতা রোধ ও পরিবার পরিকল্পনা সহ নানা ক্ষেত্রে কাজের দিক দিয়ে নারী মন্ত্রীরা এগিয়ে।

কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো মন্ত্রিসভায় নারী-পুরুষ সমতা আনেন। তার এই উদ্যোগের ফলে সারাবিশ্বে তো বটেই, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রিসভায় নারীর অংশগ্রহণের দিক থেকে কানাডার অবস্থান এখন পঞ্চম।

‘সরকারের সহযোগী হয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন কে- নারী নাকি পুরুষ? গবেষণায় এই প্রশ্নটি রাখা হয়েছিল। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীরা তুলনামূলক গণতান্ত্রিক এবং পুরুষরা স্বৈরাচারী মনোভাব পোষণ করেন। তাই নারী মন্ত্রীরা পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় বেশি সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করেন এবং অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেন। এসব কারণে তাদের উপর যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেগুলো তুলনামূলক ভালো করেছে।

সম্প্রতি কানাডায় মৃত্যুহার অনেক কমে গেছে। এক্ষেত্রে দেশটির চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিকে তুলে ধরেছেন গবেষকরা। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি, বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার, নাগরিক সুবিধা বেড়ে যাওয়াকেও কারণ বলে মনে বলছেন তারা। এছাড়া চিকিৎসা শেষে রোগীরা নিজেদের কীভাবে যত্ন নেবেন সে বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়। ফলে কমেছে মৃত্যুহার।

আর এসব অগ্রগতির পেছনে নারী মন্ত্রীদেরকে দায়িত্ব দেওয়াকেই কারণ বলে মনে করছেন গবেষকরা।

সারাবাংলা/টিসি/আরএফ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন