বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি দুর্নীতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৯ | ৭:১০ অপরাহ্ণ

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

সংসদ ভবন থেকে: হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতিকে দুর্নীতি হিসেবে ধরে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিববারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, বেশিরভাগ অভিযোগে পাওয়া যায়— বিশেষ করে উপজেলায় ডাক্তার থাকে না। সে জন্য আমরা যথেষ্ট ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা প্রতিটি উপজেলায় ছয় জন করে ডাক্তার থাকার নির্দেশনা দিয়েছি।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পৃথক লিখিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসাপাতালে চিকিৎসকরা যদি অনুপস্থিত থাকেন, সেটাকে দুর্নীতি হিসেবে ধরে নেওয়া হচ্ছে। দুদক চেয়ারম্যান হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তিনি এসে কিছু সাজেশন দিয়ে গেছেন। সেই সাজেশন আমরা রেখেছি। আমাদের কাছে সাজেশন আসতে পারে। তবে আমাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী সেগুলো গ্রহণ বা বর্জন করব।

জাহিদ মালেক বলেন, উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক না থাকার যে অভিযোগ, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চিকিৎসকদের উপস্থিতি যেন নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে মনিটরিং সেল তৈরি করেছি। মন্ত্রণালয়ে, ডিজি অফিসে প্রতিটি ডিভিশনাল অফিসে অলরেডি কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমরা যদি সুন্দরভাবে মনিটরিং করতে পারি, তাহলে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারব।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের হাসপাতালে ইক্যুইপমেন্ট আছে। আমাদের ওষুধ আছে, অবকাঠামো ভালো আছে। এখন কেবল চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারলেই আশা করি আর কোনো অভিযোগ থাকবে না। আমরা সব সমস্যাই দেখছি, সেগুলোর সমাধা করব।২৩ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে, আমরা তদন্ত করছি। কাউকে দোষী পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ডাক্তারের ফি নির্ধারণে নীতিমালা

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উম সামাদ চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসকরা রোগীর কাছ থেকে যে ফি নেন, তার পরিমাণ নির্ধারণে সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের চিন্তা-ভাবনা সরকারের রয়েছে।

৪৩ জেলায় আর্সেনিক রোগী ১৮ হাজার ৮৬২ জন

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গাঁর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী  জানান,  ২০১২ সালের পর খানাতল্লাশির মাধ্যমে আর্সেনিক রোগ নির্ণয়ের কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। ফলে সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ তথ্য রয়েছে ২০১২ সালের। সর্বশেষ ২০১৭ সালে ৪৩টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার আর্সেনিক রোগীর রেজিস্ট্রার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে আর্সেনিকের মোট রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজাার ৮৬২ জন।

সারাবাংলা/এএইচএইচ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন