সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৪ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক বইয়ের পাণ্ডুলিপির অভাব

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯ | ২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

।। হাসনাত শাহীন।।

বাঙালি জাতি-উন্নত ভাষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও অনন্য সভ্যতার গর্বিত উত্তরাধিকারী জাতি। পৃথিবীর একমাত্র জাতি ‘বাঙালি’-ই তার মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। গতিশীল সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্মৃদ্ধ এই জাতির মহান ভাষা আন্দোলনের সেই অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ সারাবিশ্বের সকল জাতির মাতৃভাষা দিবস। শুধু তাই নয়, বাঙালি জাতি তার মহান ভাষা আন্দোলেনের শহিদদের স্মরণে প্রতিবছর যে বইমেলার আয়োজন করে থাকে; সেই বইমেলাও পৃথিবীর যেকোন বইমেলার চেয়ে একেবারে আলাদা।

আবেগ-আবেদনে তো বটেই, পৃথিবীর যেকোন বইমেলার চেয়ে বাঙালির ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’র ভিন্নতা রয়েছে মাসব্যাপি সময়কাল এবং বইপ্রকাশের ক্ষেত্রেও। কেননা, বাঙালির অমর একুশের চেতনা ঋদ্ধ এই বইমেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর যে পরিমানে বই প্রকাশিত হয়, তার পৃথিবীর আর কোন বইমেলাকে কেন্দ্র করে হয় না। কিন্তু পরিতাপের বিষয়-ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এই একুশের বইমেলায় বরাবরের মতো এবারও ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশিত নতুন বইয়ের সংখ্যা খুবই কম।

অমর একুশে’র দিন বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মেলা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিবছরের মতোই এবারও এই গ্রন্থমেলাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়েছে শতশত নানান সব বই। গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, রম্য ও ধাঁধা, সায়েন্স ফিকশন, ধর্মীয়গ্রন্থের পাশাপাশি বিদেশি ভাষায় থেকে বাংলা ভাষায় রুপান্তরিত বা অনুদিত বই। বইমেলায় দেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার কয়েকশত স্টল ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে গল্প, কবিতা, উপন্যাসের ছড়াছড়ি থাকলেও একুশ ও ভাষা নিয়ে প্রকাশিত গোটা বিশেক নতুন বই পাওয়া গেছে! প্রকাশকদের দাবি, ভাষা আন্দোলন নিয়ে পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় না, তাই তারা বই প্রকাশ করতে পারছেন না।

বিজ্ঞাপন

একুশের গ্রন্থমেলায় একুশ ও ভাষার বইয়ের প্রকাশনার স্বল্পতা প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে ভাষা সংগ্রামী ও লেখক আহমদ রফিক সারাবাংলা’কে বলেন, গল্প, কবিতা, উপন্যাস ইচ্ছে করলেই যে কেউ লিখতে পারে। কারণ সেসব কাল্পনিক। ভাষা আন্দোলন যেহেতু ইতিহাসভিত্তিক, তাই ইতিহাস না জানলে এ বিষয়ে লেখা যায়না। ভাষা আন্দোলন নিয়ে লিখতে গেলে প্রচুর গবেষণার দরকার। মূলত ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষণার অভাবেই একুশের বইমেলায় ভাষা আন্দোলনের বই কম। আরেকটা কথা মনে রাখতে হবে এ বিষয়ে যেহেতু গবেষণা কম, তাই এ বিষয়ে বইয়ের সংখ্য কম হওয়াটাই স্বাভাবিক।

তরুণদের উদ্দেশে আহমদ রফিক বলেন, নিজের কৃষ্টি-কালচার জানতে হলে দেশের ঐতিহ্যকে জানতে হলে ও শেকড়ের খোঁজ পেতে হলে ভাষা আন্দোলন নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে অনেক বেশি পড়াশোনা করতে হবে। বইয়ের সংখ্যা যেহেতু কম, তাই যেগুলো আছে সেগুলো থেকেই ইতিহাস জানতে হবে।

বাঙালির জীবনজুড়ে এক অনন্য ভালবাসার প্রতীক হয়ে আছে ‘১৯৫২ সালের সেই অমর একুশে’। কিন্তু মেলায় প্রকাশনার দিক থেকে প্রতিবছরই পিছিয়ে যাচ্ছে ‘ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষণাগ্রন্থ, ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বই প্রকাশনা। গ্রন্থমেলায় একুশের প্রকাশনা এত কম কেন-এমন প্রশ্নের উত্তরে জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ সারাবাংলা’কে বলেন, ভাষা আন্দোলনের উপর পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় না বললেই, এ বিষয়ের উপরে বই কম প্রকাশিত হয়। যারা কাজ করছেন তারা প্রায় সবাই ভাষা সংগ্রামী। পরবর্তী প্রজন্ম কাজ কম করছেন। কিন্তু কাজ হওয়া দরকার। ভাষা আন্দোলনের স্মারকগুলো কমে যাচ্ছে। তিনি এ সময় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভাষা আন্দোলন ও ভাষা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা বিষয়ক উইং খোলা উচিৎ। তাহলে ভাষা আন্দোলনের উপর নতুন কাজ হবে।

আগামী প্রকাশনী’র স্বত্বাধিকারী ওসমান গণি বলেন, এর একটাই কারণ; তা হলো-মহান একুশকে নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা করে লেখার লেখক কম। এই ধরণের বইয়ের পাণ্ডুলিপি পেলেই আমরা প্রকাশকরা ছাপবো। এর মধ্যেও এবার আগামী থেকে ভাষা আন্দোলনের উপর চারটি বই এসেছে। সেগুলো পাঠকপ্রিয়তাও পেয়েছে।

‘তাম্রলিপি’র স্বত্ত্বাধিকারী এ কে তারিকুল ইসলাম রনি বলেন, ভাষা আন্দোলন ও একুশ নিয়ে আমরা অনেক বেশি বই প্রকাশ করতে চাই, কিন্তু পাণ্ডুলিপি পাচ্ছি না। পাণ্ডুলিপির সংকটেই একুশের গ্রন্থমেলায় একুশের প্রকাশনা যৎসামান্য। তার কথার সূত্র ধরে অন্বেষা প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী শাহাদাত হোসেন জানান, মুক্তিযুদ্ধের মতো ভাষা আন্দোলন নিয়েও নতুন প্রজন্মের আগ্রহ দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের প্যাভিলিয়নে এসে অনেকেই ভাষার বই খুঁজছে। বলা যায় ভাষা আন্দোলন নিয়ে বইয়ের চাহিদা বেড়েছে; কিন্তু লেখক বা গবেষক কই? -যা আছে তা তো হাতে গোনা কয়েকজন। যে কারণে পাণ্ডুলিপির অভাব বেশি। পাণ্ডুলিপি পেলেই আমরা তা প্রকাশ করবো। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক কারণে কিংবা আমরা আমাদের প্রকাশনার স্বার্থেই শুধু নয়, ভাষা ও ভাষা আন্দোলনের মর্যাদা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই ধরণের বই প্রকাশ করতে চাই।

বাংলা একাডেমির সমন্বয় ও জনসংযোগ উপবিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মেলার প্রথম ২১ দিনে তিন হাজার ৩৬৩টি নতুন বই এসেছে। আলাদা বিভাগ না থাকায় ভাষা আন্দোলনের ওপর কতগুলো বই বেরিয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মেলা ঘুরে দেখা মিলেছে গোটা বিশেক বইয়ের।

এর মধ্যে প্রকাশনা সংস্থা কথাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে-ভাষাসংগ্রামী ও লেখক আহমদ রফিকের দু’টি বই ‘ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও কিছু কথা’ এবং ‘ভাষা আন্দোলনের গল্প শোন’। পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেড প্রকাশ করেছে মাহবুবুল হকের ‘গল্পে গল্পে ভাষা আন্দোলন’। আগামী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে-মোনায়েম সরকার সম্পাদিত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘একুশের নির্বাচিত প্রবন্ধ’ এবং এম আবদুল আলীমের তিনটি বই ‘সিরাজগঞ্জে ভাষা আন্দোলন’ ও ‘পাবনায় ভাষা আন্দোলন’ এবং ‘ভাষা আন্দোলনে ছাত্রলীগ-কতিপয় দলিল’।

ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে সুফিয়া বেগহমের ‘ভাষা সংগ্রামী নারীরা’। প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের একটি বই ‘ভাষা আন্দোলন: টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া’। প্রকাশনা সংস্থা অধ্যয়ন প্রকাশ করেছে রাদিন চৌধুরীর ‘ভাষা আন্দোলনের সহজ পাঠ’। নালন্দা এনেছে সোহেল মল্লিক সম্পাদিত ‘ভাষা আন্দোলনের নির্বাচিত ৫০ কিশোর গল্প’। বটেশ্বর বর্ণনা এনেছে সুমাইয়া খানমের ‘ভাষা-আন্দোলন ও বাংলাদেশের কথাসাহিত্য’। এশিয়া পাবলিকেশন্স এনেছে ইসমাইল হোসেন বকুলের ‘রক্তের কারাগারে বন্দী ৮ই ফাল্গুন; ভাষা আন্দোলন ও রক্তঝরা একুশ’ এবং ড. গুলশান আরার ‘ভাষা আন্দোলনের কথা’। অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে গোলাম কুদ্দুছের ‘ভাষা আন্দোলন সহজ পাঠ’। প্রকাশনা সংস্থা গৌরব থেকে প্রকাশিত হয়েছে ভাষা আন্দোলন গবেষক এম আর মাহবুবের তিনটি বই ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেমন করে হলো’, ‘একুশের নেপথ্য কথা’ ও ‘ভাষাসংগ্রাম কী ঘটেছিল’ এবং প্রকাশনা সংস্থা সূচিপত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে ড. আরিফুর রহমানের ‘ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির আত্মপরিচয়’।

২০১৮সালে প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত কিছু বই : তাম্রলিপি থেকে প্রকাশিত হয়েছে ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাসের ‘ভাষাসৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক’। অধ্যয়ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়েছে রণজিৎ সরকারের ‘ভাষাশহিদ ও বীরশ্রেষ্ঠদের গল্প’; বইটি পাওয়া যাচ্ছে বইটির পরিবেশক তাম্রলিপি’র স্টলে। কাকলী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে সেলিনা হোসেনের ‘একুশের রক্তপলাশ’। কথাপ্রকাশ থেকে এসেছে আহমদ রফিকের প্রবন্ধ সংকলন ‘ভাষা আন্দোলন: সংক্ষিপ্ত ভাষ্যে’। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে কবি ও প্রকাশক আদিত্য অন্তরের সম্পাদিত ‘একুশের ২১ কবিতা’। ঘরোয়া থেকে প্রকাশিত হয়েছে গোলাম কুদ্দুছের গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ’ এবং নালন্দা থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘ভাষা আন্দোলন বায়ান্ন পূর্ব’। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে খোরশেদ শফিউল হাসানের ইতিহাসভিত্তিক বই ‘ভাষা সংগ্রামী নাঈমউদ্দীন আহমদ’ ও ‘একুশে ফেব্রুয়ারির ষাট বছর’। সাহিত্যপ্রকাশ থেকে এসেছে রাফিউর রাব্বীর গবেষণা গ্রন্থ ‘নারায়ণগঞ্জের ভাষা আন্দোলন’। বিভাস প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে গোলাম সারোয়ার মালেকের ‘আমাদের ভাষা শহীদ’। সাহিত্যমালা প্রকাশনী থেকে এসেছে এস এম শাওয়ান মনিরের ‘অনেক ঝড়ে অমর একুশ’। বাঁধন পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে খান শাহিনের একুশে ভিত্তিক উপন্যাস ‘শিশির ভেজা একুশ’। সিসটেক পাবলিকেশন্স থেকে এসেছে আবদুল্লাহ সিদ্দিকের কবিতার বই ‘একুশের স্মৃতি’। নন্দিতা প্রকাশ থেকে এসেছে মো. আসকর আলী ফকিরের কবিতার বই ‘রক্তে লেখা একুশে ফেব্রুয়ারি’। নবরাগ প্রকাশনী থেকে এসেছে জহিরুল হক বাপ্পীর কিশোর উপন্যাস ‘ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তি সংগ্রাম’। সাইফ আবেদীনের শিশুতোষ বই ‘ভাষা আন্দোলনের গল্প’ প্রকাশ করেছে রাবেয়া বুক হাউজ। আর ভাষা প্রকাশ এনেছে মিজান রহমানের ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস’।

এদিকে, ২০১৭ সালের গ্রন্থমেলায় একুশ ও ভাষা নিয়ে-অনিন্দ্য প্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের ‘রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন : ইতিহাস ও অনুষঙ্গ’ ১ম, ২য় ও ৩য় খন্ড। বিপ্লবীদের কথা থেকে প্রকাশিত হয়েছে আহমদ রফিকের ‘ভাষা-আন্দোলনে ইতিহাস বিকৃতি: তমদ্দুন মজলিস ও কমিউনিস্ট পার্টি’। প্রকাশনা সংস্থা নালন্দা থেকে প্রকাশিত হয়েছে এম আর মাহবুবের ‘একুশের স্মারক’। আগামী প্রকাশনী প্রকাশ করেছে রফিকুল ইসলাম রচিত ‘একুশের শহীদেরা বাংলা ভাষার শহীদেরা’ ও ‘অমর একুশে ও শহীদ মিনার’। অবসর থেকে প্রকাশিত হয়েছে সৌরভ সিকদারের ‘বাংলা ভাষা বাংলাদেশের ভাষা’। বসুন্ধরা প্রকাশ করেছে অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভাষা আন্দোলনের কথা’ এবং অরুপ তালুকদার ও মিন্টু বসু রচিত ‘আমাদের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ এবং শিশুদের প্রকাশনা সংস্থা ময়ূরপক্সিখ থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘একুশের শহীদেরা বাংলাভাষার শহীদেরা ও বাংলা ভাষা আন্দোলন’ শীর্ষক দুটি বই।

এছাড়াও বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে আরও অনেক বই। এর মধ্যে ‘অবসর’ প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে এ কে এম শাহনাওয়াজের গবেষণা গ্রন্থ ‘ভাষা আন্দোলন পরিপ্রেক্ষিত ও ইতিহাস’ এবং আবদুল হকের ‘ভাষা আন্দোলনের আদিপর্ব’। ‘বাঁধন পাবলিকেশন্স’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের ‘বাংলা ভাষার সংগ্রাম এখনও অসমাপ্ত’ এবং ড. ইসরাইল খানের ‘ভাষার রাজনীতি ও বাংলার সমস্যা’ শীর্ষক দুটি বই। এবং প্রকাশনা সংস্থা ‘আগামী প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে বশির আল হেলালের ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’। অ্যাডর্ন পাবলিকেশন থেকে ভাষা আন্দোলন ও অমর একুশে নিয়ে ১০টারও অধিক বই প্রকাশিত হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন