শনিবার ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ৩ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

আগ্রহ সায়েন্স ফিকশনে

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯ | ১০:৩২ অপরাহ্ণ

।। হাসনাত শাহীন, বইমেলা থেকে ।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: একটা সময় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান মানেই ছিলো অজ্ঞান! অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়তে আগ্রহী হতেন না। সেই ভীতি এখনও অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে থাকলেও সময় পাল্টেছে। এখন বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে যেমন আগ্রহ বেড়েছে, তেমনই বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে জানার আগ্রহও তৈরি হয়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে। একুশে গ্রন্থমেলাকে কেন্দ্র প্রকাশিত বিভিন্ন লেখকের সায়েন্স ফিকশন এবার তারুণ্যের সেই আগ্রহের কেন্দ্রে। এবারের মেলার বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন ঘুরে বিভিন্ন বয়সীর পাঠকরা যেভাবে সায়েন্স ফিকশন খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাতে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, সময় এখন সায়েন্স ফিকশনের।

বরাবরের মতো এবারের মেলায়ও এগিয়ে আছেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। দেশের প্রধান এই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির লেখকের ‘নিয়ান’ বইটি এবারের মেলায় এরইমধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন বইটির প্রকাশক ‘তাম্রলিপি’র স্বত্বাধিকারী এ কে তারিকুল ইসলাম রনি। তিনি বলেন, ‘এই বইটির বিক্রির সংখ্যা বিশ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। তরুণ পাঠকদের ৮০ ভাগ সায়েন্স ফিকশনে আগ্রহী।’

বিজ্ঞাপন

অন্যন্যা’র সত্বাধিকারী মনিরুল আলম জানান, তার প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘মিতু তিতুর টাইম মেশিন’ বইটিও খুব ভালো বিক্রি হচ্ছে। এরইমধ্যে এই বইও ৫ হাজারের বেশি বিক্রি হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরও বিক্রি হবে।

পাঞ্জেরি পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত মোস্তফা কামালের ‘অপার্থিব’ বইটি ভালো বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রকাশনা সংস্থার সত্বাধিকারী কামরুল ইমলাম শায়ক। তিনি বলেন, “আমার এখানে সায়েন্স ফিকশনের একটি অনুবাদ বইও প্রকাশ করেছি। এই বইটিও বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। বইটি হলো-‘পৃথিবীর সায়েন্স ফিকশনের গল্প’; যার অনুবাদ করেছেন খসরু চৌধুরী।”

অনিন্দ্য প্রকাশের সত্বাধিকারী আফজাল হোসেন জানান, তার প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি সায়েন্স ফিকশনের বই। যার সবগুলোই বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। বইগুলো হলো- মোশতাক আহমেদের ‘গিগো’ ও ‘গামা’, রকিবুল ইসলাম মুকুলের ‘বোবা’, দীপু মাহমুদের ‘ইমি’, আসিফ মেহেদী’র ‘ট্রুপিটু: পৃথিবীর মহাবিপদ’ এবং আজহারুল হক ফরাজী ও সাইফুল ইসলাম জুয়েল সম্পাদিত বই ‘কল্পবিজ্ঞানের গল্প’।

অন্যদিকে, ভালো বিক্রি হচ্ছে কথাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশনের বেশ কয়েকটি বই। প্রকাশনাটির বিক্রয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইউনুস আলী জানান, তাদের প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশনগুলোর বিক্রিও বেশ ভালো। বইগুলো হলো- মুহম্মদ মনিরুল হুদা’র দু’টি ‘হ্যালসিয়ন’ ও ‘নীল চশমা’ এবং সাজ্জাদ কবীরের ‘গুডবাই টু আর্থ’।

এছাড়াও গ্রন্থমেলায় বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়েছে আরও বেশ কিছু সায়েন্স ফিকশনের। শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মেলার ২২তম দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেশিরভাগ তরুণ বইপ্রেমীদের হাতে হাতে সায়েন্স ফিকশনের বই দেখা গেছে।

এর মধ্যে রয়েছে- প্রকাশনা সংস্থা তাম্রলিপি প্রকাশ করেছে মাহ্ফুজুর রহমানের ‘মহাজগতের রঙ্গীন জীবন’, কলি প্রকাশনী থেকে এসেছে দীপু মাহমুদের ‘ফোর ফিফটি টু বি’, বাবুই প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে রকিবুল ইসলাম মুকুলের ‘মৃত্যুপুরী টাইটান’, অয়ন প্রকাশনী থেকে এসেছে নাসিম সাহনিকের ‘প্যাসিফিক ইন্টিলিজেন্স’ এবং সময় প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে জসীম আল ফাহিমের ‘মহাকাশ ভ্রমণের লিফট’, মোস্তফা তানিমের ‘ভুল স্বর্গ’ ও আনোয়ার হক খানের ‘স্টারগেট’।

গতবছরের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিলো বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি। সেগুলোও রয়েছে এবারের মেলায়। এর মধ্যে-‘সময়’ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘ত্রাতিনা’, তাসরুজ্জামামান বাবুর ‘বিয়ন্ড দ্য ম্যানমেইড ইউনিভার্স’ এবং বিশ্বজিৎ দাশের ‘রাশ’। ‘অনিন্দ্য’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে দেশের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির অন্যতম একজন লেখক মোশতাক আহমেদের ‘অমর মানব’, ‘নির্বাচিত সায়েন্সফিকশন’, ‘প্রজেক্ট ইক্টোপাস’, ও দীপু মাহমুদের ‘ভবঘুরে মহাকাশচারী’, অরুন কুমার বিশ্বাসের ‘কফিমেকার’, রকিবুল ইসলাম মুকুলের ‘মাইক্রোপিপ’। ‘কথাপ্রকাশ’ থেকে এসেছে মুহম্মদ মনিরুল হুদার ‘জলকন্যা’ ও ‘ম্যাগাস’। ‘মুক্তচিন্তা’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে ডা. আনিসের সায়েন্সফিকশন বই ‘কিসিকিসি’।

পাঞ্জেরি পাবলিকেশন্স প্রকাশ করেছে- ধ্রুব এষের ‘সারি’ ও মোস্তফা কামালের ‘বিজ্ঞানী লীরা ও এলিয়েন’। প্রকাশনা সংস্থা ‘জয়তী’ থেকে প্রকাশিত দীপু মাহমুদের ‘নীলার রোবট বন্ধু’, ‘শিখা প্রকাশনী’র সহস্র সুমনের ‘টংকার’, পার্ল প্রকাশ করেছে যাযাবর জিয়ার ‘ম্যাগনেটম্যান দ্য পাওয়ার’ এবং ‘অনুপম প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে তপন চক্রবর্তীর ‘ফুটবলার বিজ্ঞানি’।

এদিকে, শুক্রবার গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণে বিগত পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ও বর্ণিল শোভাযাত্রা। এতে এবারের গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশন বইয়ের লেখকরা একত্রে শোভাযাত্রা ও তাদের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এ মোড়ক উন্মোচন ও শোভাযাত্রায় অংশ নেন- মুহম্মদ জাফর ইকবাল, মোস্তফা কামাল, মোশতাক আহমেদ, দীপু মাহমুদ প্রমুখ।

পাঠকদের মধ্যে সায়েন্স ফিকশন বইয়ের আগ্রহ বাড়াতে নিরন্তর কাজ করে যাওয়া বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি (বিএসএফএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠানের আগে বিকেলে গ্রন্থমেলার অনিন্দ্য প্রকাশের প্যাভিলিয়নের সামনে থেকে বের হয় শোভাযাত্রা।

এই শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া লেখকরা পড়েছিলেন একই রঙের পোশাক। ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে তারা যখন গ্রন্থমেলা ঘুরছিলেন, তখন বিপুল সংখ্যক পাঠক ও ক্রেতা তাদের সঙ্গে অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি গ্রন্থমেলা ঘুরে থামে শিশুচত্বরের সামনে। পরে সেখানেই তারা বেশ কিছু সায়েন্স ফিকশন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

মেলার নতুন বই
শুক্রবার গ্রন্থমেলার ২২তম দিনে বাংলা একাডেমির জনসংযোগ বিভাগের তথ্য মতে মেলায় নতুন বই এসেছে ৩১৪টি। এর মধ্যে গল্পগ্রন্থ ৪০টি, উপন্যাস ৩৩টি, প্রবন্ধ ১৮টি, কবিতা ১২৪টি, গবেষণা গ্রন্থ ৯টি, ছড়া ১৩টি, শিশুসাহিত্য ১৪টি, জীবনীগ্রন্থ ৮টি, রচনাবলি ৩টি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই ৭টি, নাটক ৪টি, বিজ্ঞান বিষয়ক বই ৩টি, ভ্রমণ বিষয়ক বই ২টি, ইতিহাস ভিত্তিক বই ৮টি, রাজনীতি বিষয়ক বই ১টি, চিকিৎস্যা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বই ১টি, কম্পিউটার বিষয়ক বই ১টি, রম্য/ধাঁধা বিষয়ক বই ৪টি, ধর্ম বিষয়ক বই ৩টি, অনুবাদ বই ২টি, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বা সায়েন্স ফিকশন বই ৪টি এবং অন্যান্য বিষয়ে আরও প্রকাশিত হয়েছে ১২টি বই।

শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন-সংগীত প্রতিযোগিতা
গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় অমর একুশের উদযাপনের অংশ হিসেবে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, সংগীত প্রতিযোগিতা, সাধারণ জ্ঞান ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু-কিশোরদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করে বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ক-শাখায় আনায়া জাকির হোসেন (প্রথম), এস এম নাহিয়ান (দ্বিতীয়) এবং তাহেরুননেসা রিচি (তৃতীয়); খ-শাখায় আল মুমিনুর (প্রথম), অর্নিলা ভৌমিক (২য়) এবং মেহেনাজ আক্তার নাদিয়া (তৃতীয়); গ-শাখায় আফরিদা ফারহানা খান (প্রথম) নবনীতা হালদার (দ্বিতীয়) এবং নাফিসা তাবাসসুম অথৈ (তৃতীয়) স্থান লাভ করে।

শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতায় ক-শাখায় সুব্রানা আলী সোহা ও তানজিম বিন তাজ প্রত্যয় (প্রথম), সহিষ্ণু আইচ ও সিদরাতুল মুনতাহার (দ্বিতীয়), আফরা আদিলা রিমঝিম ও জাহিন জারা তাবাসসুম (তৃতীয়)। খ-শাখায় গার্গী ঘোষ ও তানিশা জাহান নরিকা (প্রথম), মোঃ রেজওয়ানুল করিম তানভীর ও অধরা সরকার (দ্বিতীয়) এবং উম্মে তাসনিয়া বুশার ও মৈত্রেয়ী ঘোষ (তৃতীয়) স্থান লাভ করে।

এছাড়া শিশু-কিশোর উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় নিসার বিন সাইফুল্লাহ জাহিন (প্রথম), কাশফিয়া কাওসার চৌধুরী (দ্বিতীয়) এবং শাঁওলী সামরিজা (তৃতীয়), এছাড়া সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় মো. মুনতাজিম রহমান সায়মন (প্রথম), নুসাইবা নাজমী খান ও তাইয়্যেবা (দ্বিতীয়) এবং মোঃ শাহারিয়ার আহম্মেদ (তৃতীয়) স্থান লাভ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শিশুরা লেখাপড়া করে কেবল ডাক্তার-প্রকৌশলী হবে এমন নয়। সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে তারা বিশ্ববিখ্যাত হতে পারে। আমি আশা করি আমাদের শিশুরা একদিন তাদের মেধা ও মনন দিয়ে আমাদের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

মেলামঞ্চের আয়োজন
গ্রন্থমেলার ২২তম দিন শুক্রবার বিকেলে মেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার শতবর্ষ : ফিরে দেখা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মাহবুবুল হক। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাইফুদ্দীন চৌধুরী, আলী হোসেন চৌধুরী এবং এম আবদুল আলীম। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরী।

আলোচনা শেষে সন্ধ্যায় একই মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ করেন কুমার চক্রবর্তী, জাহানারা পারভীন, মুস্তাফিজ শফি, মাহবুব আজীজ, তুষার কান্তি দাশ, মাজুল হাসান, প্রত্যয় জসীম এবং আয়শা ঝর্ণা।

আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী ফয়জুল আলম পাপ্পু এবং মো. মাহমুদুল হাকিম। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল লায়লা হাসানের পরিচালনায় নৃত্য সংগঠন ‘নটরাজ’; সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী’, নাঈম হাসান সুজার পরিচালনা নৃত্যসংগঠন ‘নৃত্যজন’ এবং ইমন চৌধুরীর পরিচালনায় নৃত্যসংগঠন ‘ফাল্গুনী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংস্থা’র শিল্পীদের পরিবেশনা।

আগামীকাল শনিবার, অমর একুশে গ্রন্থমেলার ২৩তম দিন। এদিন মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শিশু-কিশোরদের মেলাপ্রাঙ্গণে অবাধে বিচরণের জন্য সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত থাকবে শিশুপ্রহর। এরপর বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশের প্রকাশনা : অতীত ও বর্তমান’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন মাহরুখ মহিউদ্দিন।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন ফরিদ আহমেদ, মোহাম্মদ ইশতাক হোসেন এবং এ এফ এম হায়াতুল্লাহ। সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। সন্ধ্যায় রয়েছে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, কবিতা-আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সারাবাংলা/এমও

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন