মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১২ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বইমেলায় মারুফ রসুলের দুই উপন্যাস

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৯ | ৫:২৫ অপরাহ্ণ

প্রাণের মেলা ডেস্ক ।।

বিজ্ঞাপন

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে মারুফ রসুলের দুইটি উপন্যাস ‘মুহূর্ত থামো, তুমি সুন্দর’ এবং ‘রক্তকিংশুক’। 

মনে হতে পারে ‘মুহূর্ত থামো, তুমি সুন্দর’ উপন্যাসের বক্তব্য খানিকটা অতিরিক্ত; কিন্তু উপন্যাসটি পাঠ শেষে পাঠক হয়তো এ বিষয়ে একমত হবেন যে, এই অতিরিক্ত বক্তব্য আসলে বহুস্তরযুক্ত এবং নন্দনতাত্ত্বিকভাবে পরিপূরক। এ উপন্যাসের অধ্যায় থেকে অধ্যায়ান্তরে গমনের সময় পাঠক আবিষ্কার করবেন আমাদের চলচ্চিত্রের যাত্রাপথ; চলচ্চিত্রের গভীর অরণ্যে শুনতে পাবেন পতনের গান। সময় এখানে বিধিবদ্ধভাবে মুদ্রিত। যুক্তি ও প্রতিযুক্তি, সংঘর্ষ ও সম্ভাবনাকে বাদ দিয়ে তো আর শিল্পচর্চা হয় না— তাই তারেক আহমেদ কেবল এই উপন্যাসের চরিত্রই নয়, গোটা বাংলা চলচ্চিত্রের এপিটাফ ও এপিক। সুতরাং এ উপন্যাসটি লেখক মারুফ রসূলের শিল্প-সম্বন্ধীয় ন্যারেটিভ— যেখানে নিজের ও প্রজন্মের ভ্রান্তিসমূহ অমার্জনীয়। চিন্তার চলমানতাকে নশ্বরতামুক্ত করার একটি সৎ প্রয়াস এখানে আছে— আর এটাই এ উপন্যাসের মৌলিক অভিজ্ঞান।

রক্তকিংশুক মূলত ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা রক্তবমনের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা একটি নাতিদীর্ঘ উপন্যাস— যেখানে বিজয়ের প্রতিটি মঞ্চ দাঁড়িয়ে থাকে অগুণতি পরাজয়ের আনবিক কাঠামোর ’পরে; যেখানে দৃশ্যত পরাজয় আসলে শেষ পর্যন্ত জিতে যাবার আনন্দ। গণমাধ্যমের ইশতেহারে আবার যেদিন ফিরে আসবে ‘গণ-মানুষের’ গল্প, সেদিন হয়তো এই উপন্যাসটির আর কোনো দাবি থাকবে না পাঠকের প্রতি। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত— পাঠক, রক্তকিংশুক  আপনার প্রতিদিনের জীবনে একটি অলঙ্ঘনীয় ব্যারিকেড। মলাট বন্ধ করে বইটি রেখে দিতে পারেন, মুখ ফিরিয়ে চলে যেতে পারেন কিন্তু রক্তকিংশুক  যেহেতু বহন করে চলছি আমরা প্রত্যেকেই, সেহেতু এড়াতে পারবেন না।

বিজ্ঞাপন

দুটি বই-ই প্রকাশ করেছে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স। বইমেলার পাঞ্জেরীর প্যাভিলয়েন পাওয়া যাচ্ছে।

সারাবাংলা/এসবি/পিএম

বিজ্ঞাপন
KSRM Bangabandhu Tunnel
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন