বুধবার ২২ মে, ২০১৯ ইং , ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ রমজান, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

বইমেলার সময় বাড়লো দুই দিন

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯ | ৮:০৮ অপরাহ্ণ

।। হাসনাত শাহীন ।।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে: লেখক ও প্রকাশকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯-এর সময় দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এই মেলা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মেলা চলবে শনিবার (২ মার্চ) পর্যন্ত।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ফয়সল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। পরে বাংলা একাডেমির তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক অপরেশ কুমার ব্যানার্জীর (জনসংযোগ) সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতেও এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্ধিত এই দুই দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

বিজ্ঞাপন

বইমেলা শুরুর পর দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন, বইমেলার সময়েই শুরুর ৯ দিন বাণিজ্যমেলা চলা, বৈরী আবহাওয়া এবং মেলার শেষভাগে এসে সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে যানচলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় মেলার মেয়াদ বাড়ানোর দাবি ছিল প্রকাশক-পাঠকদের পক্ষ থেকে। তবে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজি এ দাবি নাকচ করে দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রকাশক-পাঠকদের দাবির প্রতি সম্মান রেখে দুই দিন বাড়ানো হলো মেলার মেয়াদ।

এ বিষয়ে জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশনা সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ সারাবাংলাকে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এবারের মেলার দুই দিন নষ্ট হয়েছে। পাঠকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত বই কিনতে পারেনি। প্রকাশকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাপকভাবে। এসব কিছু বিবেচনা করে এবারের মেলা দুই দিন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন প্রকাশকরা। মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী হয়ে আমরা সেই দাবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাই। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবারের মেলার সময় দুই দিন বাড়ায় মেলার আয়োজক কর্তৃপক্ষ। আমরা (প্রকাশকরা) প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, মেলা দুই দিন সময় বাড়ানোর ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিনগুলোতে যেসব পাঠক বই কিনতে পারেননি বা ফিরে গেছেন, তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত বইগুলো কিনতে পারবে। প্রকাশকরাও তাদের ক্ষতি খানিকটা পুষিয়ে নিতে পারবেন।

আগের বছরগুলোর মতো এ বছরও গত ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মূল মেলা চলছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে। সেখানে স্থান পেয়েছে ৩৯৫টি প্রকাশনা সংস্থাকে ৬২০ ইউনিট স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বাংলা একাডেমি অংশে স্থান পেয়েছে ১০৪টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ১৫০টি ইউনিট। এর বাইরেও রয়েছে ২৪টি প্রকাশনা সংস্থার ২৪টি প্যাভিলিয়ন। আর লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৫৫টি স্টল পেয়েছে ১৮০টি লিটলম্যাগ।

সারাবাংলা/টিআর

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন