বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ, ২০১৯ ইং , ৭ চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ রজব, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলার আড্ডায় পাঁচ সফল উদ্যোক্তা নারীর গল্প

মার্চ ৮, ২০১৯ | ৮:২৪ অপরাহ্ণ

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট।।

ঢাকা: ‘গুটিপা’র প্রতিষ্ঠাতা ও লেদারিনা লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসলিমা মিজি, রংধনু ক্রিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা শাহনাজ সুলতানা, রসুইঘরের প্রতিষ্ঠাতা লাখিয়া হাবিবা, পটের বিবি’র প্রতিষ্ঠাতা ফোয়ারা ফেরদৌস, গ্লুড টুগেদার’র প্রতিষ্ঠাতা মেহনাজ আহমেদ আদিবা—এই নারীদের কেউ করতেন চাকরি, কেউ শিক্ষকতা, কেউ সাংবাদিকতা, কেউ বা লেখাপড়া শেষ করে ‘কিছু একটা’ করার চিন্তা-ভাবনা করছিলেন। তাদের এই চিন্তার জগতে এক সময় ভর করে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু কীভাবে হবে, কোন মাধ্যমে হবে এই স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন? অতঃপর ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য ক্রমঅগ্রসরমান মাধ্যম ‘অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে’ বেছে নেন তারা।

যদিও শুরুতে কারো কাছে ছিল শখ, কারো কাছে কৌতূহল, কেউ আবার বিষয়টিকে নিয়েছিলেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে। শুরুটা যার যেভাবেই হোক না কেন, এখন তারা প্রত্যেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সফল নারী উদ্যোক্তা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সারাবাংলা.নেট আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আড্ডা ‘তোমার আলোয়’ অনুষ্ঠানে এই পাঁচ সফল নারী উদ্যোক্তা শুনিয়েছেন উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।

আড্ডায়
বিজ্ঞাপন

অতিথিদের সাথে সারাবাংলা টিমের একাংশ

স্বাগত বক্তব্যে সারাবাংলার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, ‘বাংলাদেশ যেটুকু এগিয়েছে সেটুকুর বড় কৃতিত্বের দাবিদার নারীরা। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট কয়েকবছর আগে বলেছিলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে সফল নারীরা বাংলাদেশে। তিনি কিন্তু প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার বা বিরোধী দলের নেতাকে বোঝাননি। তিনি বুঝিয়েছেন সেই নারীদের যারা প্রতিদিন সকালে ‍উঠে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখেন সূর্যাস্ত পর্যন্ত।’

‘আমি মনে করি, বাংলাদেশ আজ যে জায়গায় এসেছে, সে জায়গাটা ধরে রাখতে হলে বেশকিছু জায়গায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তার মধ্যে পারিবারিক সম্পত্তির অধিকারের জায়গাটা অন্যতম। কারণ, এখানে নারীদের বঞ্চিত করার একটা বিষয় আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে আইন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেননি বাধার মুখে। নারীনীতিটা করাও সম্ভব হয়নি’—বলেন সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

আড্ডায়

বক্তব্য রাখছেন সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা

তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা আসছে মৌলবাদ থেকে। কারণ, বাংলাদেশের প্রগতির প্রধান অন্তরায় হচ্ছে মৌলবাদ, উগ্রবাদ। এই মৌলবাদ আর উগ্রবাদ লালন করেছে পুরুষতন্ত্র। সুতরাং এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, বাংলাদেশ কোনো কারণে যদি পিছিয়ে থাকে, সে জন্য এই পুরুষতন্ত্র দায়ী।’

সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা আরও বলেন, ‘হয়ত এ রকম দিনে আমরা নানা রকম কথাবার্তা বলব। এই দিবস নিয়েও নানা কথাবার্তা আছে। একটি দিবস থাকুক। কিন্তু বাকি ৩৬৫ দিনও যেন আমরা নারীর মর্যাদা ও অধিকারের কথা ভুলে না যাই।’

তরুণ নারী উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। কারণ, আপনারা ভাবতে পেরেছেন ‘আমি কিছু একটা করব। আপনাদের ভেতরে তেজটা ছিল বলেই চমৎকার ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠানটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’

আড্ডায়

বক্তব্য রাখছেন মাহমুদ মেনন খান

সরাবাংলার নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ মেনন খান বলেন, ‘আপনারা জানেন, সারাবিশ্বে সাড়ে আট শ’ কোটি মানুষের মধ্যে সাড়ে ছয় শ’ কোটি মানুষ নেটিজেন হয়ে গেছে। তারা এখন একটা নেটিজেন বিশ্বের মানুষ হিসেবে আছে। সারাবাংলা মূলত অনলাইনে ফোকাসড। সুতরাং যারা অনলাইনে আগে এসছেন, গোছানোভাবে কাজ করছেন, তাদেরকে নিয়ে আলাদা গ্রুপ করে ফেলা, আলাদা জায়াগায় চলে যাওয়া আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সে কারণেই আপনাদেরকে ডেকে আনা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস দুটি। একটি হচ্ছে- আমরা বিজনেস ফ্রেন্ডলি থাকব। আরেকটি হলো- আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একটি প্ল্যাটফর্ম হবো। সুতরাং আপনারা যারা বিজনেস করছেন, এগিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকে সামনে আনাটাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’

তাসলিমা মিজি (প্রতিষ্ঠাতা গুটিপা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক লেদারিনা লিমিটেড)

বক্তব্য রাখছেন গুটিপা’র প্রতিষ্ঠাতা তাসলিমা মিজি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তাসলিমা মিজি। প্রযুক্তিখাতে দীর্ঘ নয় বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার পরে ২০১৬ সালের জুনে চামড়াজাত পণ্য তৈরির প্রতিষ্ঠান লেদারিনা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

কিছুদিনের মধ্যেই শুরু করেন ‘গুটিপা’ নামক অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা। সামর্থ্যের মধ্যেই টেকসই এবং ফ্যাশনেবল চামড়ার ব্যাগ, জুতোসহ নানা সামগ্রী তৈরি করে অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তাসলিমা মিজির গুটিপা।

‘তোমার আলোয় আড্ডা’য় মিজি শোনান তার ব্যবসা শুরুর গল্প এবং অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘আমি এক সময় সাংবাদিকতা করতাম। সে সময়-ই টেকনোলজি হার্ডওয়্যার বিজনেস শুরু করি। সে বিজনেস এখনো আমার আছে। তবে এখন আমার ২৪ ঘণ্টা কাটে অনলাইন বিজনেস গুটিপা নিয়ে। শহরের মেয়েদের জন্য— বিশেষ করে যারা কর্মজীবী মেয়ে তাদের কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য যে ব্যাগগুলো প্রয়োজন হয়, সে ধরনের ব্যাগ-ই আমি করি। ব্যাগ তৈরির ক্ষেত্রে দেশজ কাঁচামাল হিসেবে চামড়া, ক্যানভাস কাপড়, জুটকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি।’

‘২০১৭ সাল থেকে ছোট-খাটো এক্সপোর্ট শুরু করি। এখন রেগুলার বেসিস এক্সপোর্ট করছি। নেদারল্যান্ডসের একটি ডাচ ডিজাইনার ব্র্যান্ডকে আমি সাপ্লাই দিই’— বলেন তাসলিমা মিজি।

শাহনাজ সুলতানা (প্রতিষ্ঠাতা, রংধনু ক্রিয়েশনস)

আজম খান কমার্স কলেজ থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে মাস্টার্স শেষ করে লন্ডন থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ইংলিশ ল্যাংগুয়েজের ওপর ডিপ্লোমা করেন শাহনাজ সুলতানা। দেশে ফিরে কয়েকবছর কাজ করেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। মেয়ের জন্মের পর চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন তিন। তখন মনোযোগ দেন পেইন্টিংয়ে। ২০১৪ সালের অক্টোবরে শুরু করেন দেশি পণ্যের অনলাইন ব্র্যান্ড রংধনু ক্রিয়েশন। সেই থেকে চলছে আঁকাআঁকি ও পোশাকের ডিজাইন।

আড্ডায়

বক্তব্য রাখছেন রংধনু ক্রিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা শাহনাজ সুলতানা

সারাবাংলার আড্ডায় তিনি বলেন, ‘যেহেতু অ্যাকাউন্টিংয়ে পড়েছি সেহেতু আঁকার সুযোগ আমার কখনো হয়নি। স্কুল থেকেও শেখা হয়নি। ইউটিউব হচ্ছে আমার মেইন লার্নিং পয়েন্ট। অনলাইন ইউজ করে আসলে অনেককিছু শেখা সম্ভব। শেখার জায়গাটা আসলে এখন এত ছোট নয়।’

শাহনাজ সুলতানা বলেন, ‘মূলত, ২০১৪ সালে কাজ শুরু করি ব্যবসায়িকভাবে। পেজ ওপেন করার পর প্রথম দিকে বন্ধুরাই ছিল। তারপর সেখান থেকে একটু একটু করে বাড়তে বাড়তে বড় একটা কমিউনিটি হয়ে গেছে। দুয়েকটা নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত আছি। নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার পর এতো পাওয়ারফুল মেয়েদের দেখেছি, যেটা খুলনার ওই ছোট জায়গাটাতে বসে দেখা সম্ভব হয়নি। বাইরে যখন ছিলাম, তখন আমার কমিউনিটি ছোট থাকার কারণে দেখতে পাইনি। আমি এখন এটা বুঝতে পেরেছি, যদি আইডিয়া ক্রিয়েট করা যায়, তাহলে চাহিদা এমনিই তৈরি হয়ে যায়।’

লাখিয়া হাবিবা (প্রতিষ্ঠাতা, রসুইঘর)

কথা বলছেন রসুইঘরের উদ্যোক্তা লাখিয়া হাবিবা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিভাগে লেখাপড়া শেষ করে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন শিক্ষকতায়। ২০১৬ সালে শুরু করেন খাবারের অনলাইনভিত্তিক হোম ডেলিভারি সার্ভিস- ‘রসুইঘর’। হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় খাবার-ই রসুইঘরের বিশেষত্ব।

‘তোমার আলোয় আড্ডা’ অনুষ্ঠানে ব্যবসা শুরুর পেছনের কাহিনী বলতে গিয়ে লাখিয়া হাবিবা বলেন, ‘আমি যখন শুরু করেছিলাম, তখন স্কুলে পড়াতাম। দু’টি বাচ্চা সামলিয়ে, স্কুলে পড়িয়ে বেশি কিছু করার সুযোগ থাকে না। তবে সব সময় নিজের মধ্যে একটা চিন্তা থাকত যে, নিজে একটা কিছু করা যায় কি না, নিজের মতো করে। তো ওই সময় অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ মন দিয়ে দেখতাম।’

‘তো ভাবছিলাম সীমিত পুঁজি নিয়ে কী করা যায়। ওই সময় আমি রসুইঘর শুরু করি। প্রথম দিকে আমার কলিগদের বলতাম, আমি হোম ডেলিভারি শুরু করেছি। আপনারা যদি আপনাদের মতো করেই কিছু চান, তাহলে আমি করে দিতে পারব। এই যেমন ধরুন কেউ হয়তো প্রেগনেন্ট। তার হয়তো বেলে মাছের পাতুরি খেতে ইচ্ছা করছে তেল-মসলা-ঝাল কম দিয়ে। আমি সেভাবে তৈরি করে দিতে পারব। এইভাবে আমি শুরু করেছি ২০১৬ তে। এক পর্যায়ে আমি চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি এই ব্যবসায় মনোযোগী হই’— বলেন লাখিয়া হাবিবা।

ফোয়ারা ফেরদৌস (প্রতিষ্ঠাতা- পটের বিবি)

পটের বিবির যাত্রা শুরুর অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন প্রতিষ্ঠাতা ফোয়ারা ফেরদৌস

পড়াশোনা প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়াশোনা শেষে চাকরির পাশাপাশি হ্যান্ড পেইন্টেড পণ্য বানাতেন। ২০১৫ সালে পটের বিবির যাত্রা শুরু। তাঁতিদের নকশায় বানানো তাঁতের শাড়ি নিয়ে শুরু হলেও কিছু দিনের মধ্যে নিজস্ব ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরু করেন পটের বিবি। পায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা।

সারাবাংলার আড্ডায় ফোয়ারা ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা যখনই কোনো মেলাতে যেতাম, তখনি দেখতাম ওখানে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানী পণ্যের ছড়াছড়ি। কেউ যদি দেশি প্রোডাক্ট নিয়ে বসত, সে কোনো কাস্টমার পেত না। এটা দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, আমরা যারা দেশি পণ্য নিয়ে কাজ করি তারা আলাদা একটা মেলা করব এবং আমরা খুব প্রাউডলি ঘোষণা দিয়ে মেলা করছিলাম, কোনো পাকিস্তানি পণ্য বিক্রি করব না। সেই মেলাতে আমরা দারুণ সাড়া পেয়েছিলাম। সেখান থেকে আমার বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু। তখন থেকে পটের বিবির যাত্রা শুরু হয়।’

মেহনাজ আহমেদ আদিবা (প্রতিষ্ঠাতা, গ্লুড টুগেদার)

কীভাবে শুরু হয়েছিল গ্লুড টুগেদার, জানাচ্ছেন মেহনাজ আহমেদ

মেহনাজ আহমেদ পেশায় স্থপতি। অনলাইন শপ গ্লুড টুগেদার শুরু করেন ২০১৫ সালে। তখন এই শপে পাওয়া যেত হাতে তৈরি ল্যাম্প, কোস্টার, সুগন্ধি মোমবাতি ইত্যাদি। পরে গহনা ডিজাইন করা শুরু করেন। তুমুল জনপ্রিয়তা পায় তার গহনা।

তোমার আলোয় আড্ডা অনুষ্ঠানে মেহনাজ আহমেদ বলেন, ‘ভাগ্নির জন্মদিনে নিজের হাতে বানানো জিনিস দিতে চাচ্ছিলাম। এই চিন্তা থেকেই ওর জন্য একটা ল্যাম্প বানাই। হাতে বানানো ল্যাম্পটা দেখে আমার মা আমাকে খুব উৎসাহ দেন। তিনি আমাকে বলেন, তুমি একটা পোস্ট দিয়ে দেখ কেমন সাড়া পাও। ওখান থেকে এত বেশি রেসপন্স আসে যে আমি অবাক হই।’

‘তারপর আমি ভাবলাম, দেখি একটা পেজ ওপেন করে কেমন হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় গ্লুড টুগেদারের যাত্রা’— বলেন মেহনাজ আহমেদ।

আড্ডায়

সঞ্চালনায় ছিলেন শারমিন শামস্

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পাঁচ নারী উদ্যোক্তাকে সারাবাংলার পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়। সম্মাননার অংশ হিসেবে পাঁচ উদ্যোক্তার হাতে ফুল, উপহার এবং তাদের প্রতিকৃতি তুলে দেন সারাবাংলার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা ও নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ মেনন খান। প্রতিকৃতিগুলো এঁকেছেন সারাবাংলার শিল্প সম্পাদক আবু হাসান।

আড্ডায়

নিজ নিজ প্রতিকৃতি হাতে অতিথি উদ্যোক্তাবৃন্দ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সারাবাংলা ডটনেট আয়োজিত এই আড্ডা পরিচালনা করেন সারাবাংলার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর শারমিন শামস্। অনুষ্ঠান সহযোগিতায় ছিলেন সারাবাংলার নিউজরুম এডিটর রাজনীন ফারজানা।

সারাবাংলা/এজেড/আরএফ/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন