বিজ্ঞাপন

‘পালানোর সময় গুলি করে মাদকবিক্রেতাকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে’

March 10, 2019 | 7:15 pm

।। সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: মাদকের সঙ্গে জড়িত সকলকে নিশ্চিহ্ন করা হবে, উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘গত সপ্তাহেও রমনা এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে পালানোর সময় পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে।’ রোববার (১০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর কড়াইল বস্তির এরশাদ স্কুলের মাঠে মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদক প্রশ্নে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘গত ১৫ দিন আগে গুলিস্তানে ঢাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হযরত আলী বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। তার বিরুদ্ধে ৩৩টি মাদক মামলা ছিল।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা শহর থেকে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, খুন সব উঠে গেছে। আপনারা দেখেছেন বনানীতে একজন রিক্রটিং এজেন্সির মালিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। যারা এ হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের সবাইকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। কার সাহস আছে মাস্তানি করবেন করেন। আমরা কাউকে ছাড়ব না। নিশ্চিহ্ন করেই ছাড়ব। গুলশান বাড্ডা এলাকার সন্ত্রাসীরা একের পর এক বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে।’

বস্তিবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘একটা সত্য কথা বলি, কেউ মনে কিছু মনে নেবেন না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া কেউ মাদক ব্যবসা করতে পারে না। এটি সবচেয়ে বড় সত্য কথা। তবে আপনারা একত্রে হোন। ওই পুলিশকে ধরে বেঁধে রাখবেন। এরপর থানায় খবর দিয়ে ধরিয়ে দেবেন। আমরা অন্যান্য লোকের মতো পুলিশকেও রশি দিয়ে বেঁধে আদালতে তুলব। তবুও আরেকটা ঐশি সমাজে হতে দেবো না।’

গুলশান জোনের ডিসি মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘কড়াইল বস্তি থেকে মাদককে ঝেটিয়ে বিদায় করা হয়েছে। এখানকার মাদকের গড ফাদার ছিল সীমা ও জলিল। তারা এখন কোথায় কেউ বলতে পারে না। জলিলের মাদক আখড়ায় এখন ডে-কেয়ার সেন্টার ও লাইব্রেরি করা হয়েছে। খেলাধুলার স্থান করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করা হয়েছে। এখানকার ২৫০ জন মাদক ব্যবসায়ী ভালো হয়ে গেছে। তারা এখন অন্য ভালো পেশায় যুক্ত আছে।’

সারাবাংলা/ইউজে/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন