শনিবার ২৩ মার্চ, ২০১৯ ইং , ৯ চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ রজব, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ধর্মীয় অনুভূতির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন

মার্চ ১৪, ২০১৯ | ১:২৮ অপরাহ্ণ

।। স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।।

ঢাকা: ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) ঢাকা মহানগর জিয়াউর রহমানের আদালতে এ আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার।

বিজ্ঞাপন

জামিন শুনানিতে আইনজীবী বলেন, ‘খালেদা জিয়া কোন অপরাধ করেননি। রাজনৈতিকভাবে তাকে হয়রানি করতে এ মামলা করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। যে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আমরা আশা করছি অতি দ্রুত তিনি জামিন পেয়ে কারামুক্ত হবেন।’

অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ জামিনের বিরোধিতা করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক নথি পর্যালোচনা করে পরে আদেশ দেওয়া হবে বলে জানান।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জামিনের আবেদন করেন। ওই দিনও বিচারক পরে আদেশ দেবে বলে জানিয়েছিলেন।

গত ২০ জানুয়ারি একই আদালত শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতার পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর এ বি সিদ্দিকী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর খালেদা জিয়া বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট (আইইবি) শুভ বিজয়া অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আছে। দলটি ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের কাছে কোনো ধর্মের মানুষ নিরাপদ নন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করেছে। হিন্দুদের ওপর হামলা করেছে।’

মামলাতে আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার এসব বক্তব্য যেমন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে, তেমনি হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে শ্রেণিগত বিভেদও সৃষ্টি করেছে।

মামলাটিতে গত ৩০ জুন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে প্রকাশ্যে তার বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণ ও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণার ভাব সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে তিনি নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে কঠোর আঘাত আনার অভিপ্রায় ইচ্ছাকৃত ও বিদ্বেষাত্মকভাবে ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করেছেন।

গত ২৩ জুলাই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন সভাপতি এ বি সিদ্দিকী।

সারাবাংলা/এআই/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন