শনিবার ২৩ মার্চ, ২০১৯ ইং , ৯ চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ রজব, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ইতিহাসের অন্যতম কালো দিন: নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

মার্চ ১৫, ২০১৯ | ১০:০২ পূর্বাহ্ণ

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় বহু প্রাণহানি ঘটায় এই দিনটিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম কালো দিন’ বলে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডন।

তিনি বলেন, এখনও এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তবে এটা স্পষ্ট যে এটি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম কালো একটি দিন। স্পষ্টতই, যা ঘটেছে সেটি নজিরবিহীন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- নিউজিল্যান্ড মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা, অল্পে রক্ষা মুশফিক-তামিমের

শুক্রবার (১৫ মার্চ) নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে এক বন্দুকধারী হামলা চালায়। এ ঘটনায় সংখ্যা নিশ্চিত করতে না পারলেও বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর পরপরই নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আরডন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনার শিকার যারা হয়েছে, তাদের মধ্যে হয়তো অনেক অভিবাসীও থাকতে পারেন, এমনকি শরণার্থীও থাকতে পারেন। তারা নিউজিল্যান্ডকে নিজেদের আবাসস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন এবং নিউজিল্যান্ডই এখন তাদের বাড়ি। তারা আমাদেরই অংশ। যারা সহিংসতার এই ঘৃণ্য অপরাধ করেছে, তারা আমাদের কেউ নয়। তাদের স্থান নিউজিল্যান্ডে হতে পারে না। এ ধরনের উগ্রপন্থা ও সহিংসতার স্থান নিউজিল্যান্ডে নেই।

আরও পড়ুন- নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেটাররা নিরাপদে আছেন: বিসিবি

জাসিন্ডা আরডন বলেন, আমি নিশ্চিত, আমার মতো নিউজিল্যান্ডের সবাইই এই হামলার শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ করছে। তারা জনগণকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আমিও বলব, আমাদের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। তারা আপনাদের ভালোর জন্য কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সম্ভবত একটি চলমান ঘটনার মধ্যে আছি। আমি আবারও বলব, একাধিক স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সবখানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। ক্রাইস্টচার্চের হাসপাতালগুলোও সাধ্যমতো চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন- লিনউডেও মসজিদে হামলা, বহু হতাহতের আশঙ্কা, সন্দেহভাজন আটক

এ ঘটনার পর বিকেলের সব অনুষ্ঠান বাতিল করেছেন জাসিন্ডা আরডন। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ বলেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে সবাই যেন যার যার বাসায় থাকে। এছাড়া, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই কোনো মসজিদে যেন কেউ না যায়, সেই নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুইটি মসজিদে বন্দুকধারী হামলা চালিয়েছে। আরও একটি মসজিদেও গোলাগুলি হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। এসব হামলায় ২৭ জনের প্রাণহানির খবর দিচ্ছে বিভিন্ন পত্রিকা। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন