বিজ্ঞাপন

নতুন অর্থবছরে এমপিও, আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

March 24, 2019 | 4:01 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ২০১৯-২০ অর্থবছরের শুরুতে যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলনকারী নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছে গিয়ে রোববার (২৪ মার্চ) এই আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। আপনারা সরকারের প্রতি আস্থা রাখুন, ঘরে ফিরে যান। আগামী অর্থবছরের শুরুতে যোগ্যতার ভিত্তিতে এমপিওকরণ শুরু হবে।’

‘শুধু এমপিওভুক্ত করলেই হবে না। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আর্থিক সঙ্গতির বিষয়। সেটাও আমাদের ভাবতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি এমপিওভুক্তির বিষয়ে আন্তরিক’ বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

দীপু মনি বলেন, ‘আমি শিক্ষক পরিবারের সন্তান। আমার মা ৪০ বছর ধরে শিক্ষকতা করেছেন। আপনাদের দুঃখ-কষ্ট আমি বুঝি। সুতরাং আমার ওপর আস্থা রাখুন।’

বিজ্ঞাপন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ শুরু করেছিলেন। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আপনারা আস্থা রাখুন। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। আপনাদের খালি হাতে ফেরানো হবে না।’

নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার এ বিষয়ে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে আমরা পুরোপুরি আশ্বস্ত নই। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে চাই।’

বিজ্ঞাপন

‘সন্ধ্যায় আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানাব’ বলেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি।

দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত বৃহ্স্পতিবার থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষকদের সঙ্গে রয়েছে তাদের পরিবারের সদস্যরাও।

এমপিওভুক্তির দাবিতে কয়েক বছর ধরেই এ আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষকরা।

এর আগে গত বছরেও দাবি আদায়ে ১৭দিন অনশন করেছিলেন তারা। পরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে অনশন ভেঙে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন এমপিওর বাইরে থাকা এসব শিক্ষক-কর্মচারীরা।

বিজ্ঞাপন

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় শিক্ষকদের আন্দোলনস্থলে আসেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেন।

সারাবাংলা/টিএস/একে

Tags: , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন