মঙ্গলবার ২৫ জুন, ২০১৯ ইং , ১১ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

মিনি ম্যারাথনে সেরা আসিফ-সুমি

এপ্রিল ৬, ২০১৯ | ৯:০৪ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

৬ এপ্রিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিবাদ্য ‘ক্রীড়ায় বিশ্ব সম্প্রীতি, বাংলাদেশের অগ্রগতি’। দিনটি জাকজমকভাবে পালনের জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অব স্পোর্টস ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পিস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

২০১৭ সালে এই দিনকে বাংলাদেশ বেছে নেয় জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসেবে। গত দুই বছরের মতো এবারও দেশব্যাপী দিনটি পালনের জন্য কর্মসূচি ছিল। জঙ্গী ও মাদকমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যাশায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল মিনি ম্যারাথন। শনিবার (৬ এপ্রিল) দিবসটি পালনে এই ম্যারাথনে ১৭৫ জন দৌড়বিদ অংশ নেন।

বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের আয়োজনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে মিনি ম্যারাথন-২০১৯ সকাল ৬ টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শেষ হয়।

১১ কিঃ মিঃ মিনি ম্যারাথনে ৩৬.৩২ সে. সময়ে পুরুষ বিভাগে ১ম স্থান লাভ করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দূরপাল্লার দৌড়বিদ আসিফ বিশ্বাস, ২য় স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মোঃ আল আমিন ৩৭.২৯ সে. সময় নিয়ে এবং ৩৭.৪৫ সে. সময়ে ফিনিশিং করে ৩য় স্থান অর্জন করেন সেনাবাহিনীর মোঃ আনারুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

মহিলা বিভাগে ১ম স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুমি আক্তার (৪৮.১১ সে.), একই সংস্থার মোছাঃ পাপিয়া খাতুন ৪৮.৩০ সে. সময় নিয়ে ২য় স্থান এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সুমাইয়া আক্তার ৩য় স্থান অর্জন করেন।

পুরুষ ও মহিলা দুইটি গ্রুপে হ্যান্ড টাইমিং এর মাধ্যমে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। উভয় গ্রুপের ১ম থেকে ৬ষ্ট পর্যন্ত বিজয়ীদের নগদ অর্থ পুরষ্কার, সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি এবং ফেডারেশনের কর্মকর্তাগণ।

এই প্রতিযোগিতাকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সাফল্যমন্ডিত করে সমাপ্তি এবং জঙ্গী ও মাদকমুক্ত স্বদেশ গড়ার প্রত্যাশাকে বাস্তবায়নের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির সকল কর্মকর্তা, জাজ, আম্পায়ার ও অংশগ্রহণকারী সকল অ্যাথলেটদের ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।

এদিকে, শুধু রাজধানীতেই নয়, পুরো দেশেই দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এজন্য জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে। রাজধানীতে সকাল সাড়ে ৭ টায় শিশু একাডেমি চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি। র‌্যালি সচিবালয়ের সামনে দিয়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম হয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে শেষ হয়। র‌্যালিতে ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠকরা অংশ নেন।

র‌্যালি ও সেমিনার ছাড়াও ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলো নিজ নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন খেলা ও কর্মসূচির আয়োজন করে।

সারাবাংলা/এমআরপি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন