শুক্রবার ১৯ জুলাই, ২০১৯ ইং , ৪ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নাম দিলেন প্রধানমন্ত্রী, আসছে না পহেলা বৈশাখে

এপ্রিল ১০, ২০১৯ | ৭:০১ অপরাহ্ণ

সাব্বির আহমেদ, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা থেকে রাজশাহী পথে নতুন বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেনের নাম চূড়ান্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ট্রেনটির নাম দিয়েছেন বনলতা এক্সপ্রেস। তবে ট্রেনটি আগামী পহেলা বৈশাখে চালু করার কথা থাকলেও আপাতত তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রেল মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শ‌রিফুল আলম সারাবাংলাকে নামকরণের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

মো. শরিফুল আলম আরও জানান, পহেলা বৈশাখে ট্রেনটি চালু করার কথা ছিল। কিন্তু যেহেতু পহেলা বৈশাখের আর মাত্র তিন চার দিন বাকি সে কারণে এটি চালু সম্ভব নয়। রেল চালু করার আগে যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার হয় তা এখনো শেষ হয়নি।

রেলওয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রেনটি চলাচলের সময়সূচি এখনো ঠিক করতে না পারায় উদ্বোধনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

যদিও প্রথমে এই ট্রেনটির জন্য একটি সময় ঠিক করা হয়েছিল জানিয়ে সূত্রটি বলছে, কিন্তু দেখা যায় যে ওই সময়ে এই ট্রেনটি যাত্রা করলে রাজশাহী থেকে কয়েকটি ট্রেনের সময়সূচী পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া যদি সিল্কসিটি এক্সপ্রেসের যাত্রার সময় পেছানো হয় তাহলে ঢাকা থেকে সিল্কসিটির সময় পরিবর্তন করতে হবে। এর ফলে পদ্মা ও ধূমকেতু এক্সপ্রেস এর সময়ও রাজশাহী ও ঢাকা থেকে পরিবর্তন করতে হবে। যা এত দ্রুত করা সম্ভব নয়।

বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সাজানো হয়েছে ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা নতুন বগি দিয়ে। ঘন্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম এসব বগি। সে হিসেবে প্রতি মিনিটে ট্রেনটি আড়াই কিলোমিটার (দুই দশমিক ৩৩ কিলোমিটার) গতিতে চলতে পারবে।

ট্রায়াল রানে উত্তরের বিরতিহীন ট্রেন, নাম বাছছেন প্রধানমন্ত্রী

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রেনটির ভাড়া ধরা হয়েছে শোভন চেয়ার ৩৭৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭১৯ টাকা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে প্রতি আসন ৮৬৩টাকা এবং বার্থ এক হাজার ২৮৮ টাকা।

ট্রেনটির খাবার পরিবেশনার জন্য দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যাটায়াস সার্ভিস নিযুক্ত করা হচ্ছে। নতুন এই ট্রেনে খাবার অন্য যেকোন ট্রেনের চেয়ে উন্নত মানের করতে চায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে এই প্রথম দেশের আন্তঃনগর কোনো ট্রেনে উড়োজাহাজের মত বায়োটয়লেট সংযুক্ত থাকবে। এ কারণে মলমূত্র রেললাইনে পড়বে না। প্রথমবারের মত ট্রেনটিতে রিক্লেনার চেয়ার বসানো হয়েছে। যেখানে পা এবং হেলান দেওয়ার আরামদায়ক সুবিধা থাকে। আর এসি বাথের কেবিনে বেডরেস্ট দেওয়া আছে। যাতে রাতের বেলা বিছিয়ে দিলে ছোট খাটের মতো হয়ে যাবে। আর কেবিনে ওপরের সিটের উঠার জন্য আগের স্টিলের মই বাদ দিয়ে এবার সিঁড়ি দেওয়া হয়েছে। যা আগের কোনো ট্রেনে ছিল না।

নতুন ট্রেন চালু হলে ঢাকা রাজশাহী রুটে আন্তঃনগর ট্রেন সংখ্যা হবে চারটি। পদ্মা, ধূমকেতু ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস এখন চলছে।

সারাবাংলা/এসএ/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন