বুধবার ১৭ জুলাই, ২০১৯ ইং , ২ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

বিজিএমইএ ভবন থেকে মালামাল সরছে আজও

এপ্রিল ১৮, ২০১৯ | ১২:১৮ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: একদিনের বিরতি দিয়ে ফের হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন ওই ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। এ কারণে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সিলগালা করে দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ফের ভবনটি খুলে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ভবনে লাগানো তালা খুলে দেওয়া হয়। রাজউক জানিয়েছে, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুন- ‘ডিনামাইটে একঘণ্টায় ধসে পড়বে বিজিএমইএ ভবন, আশপাশের ক্ষতি হবে না’

হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক ও রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী রায়হানুল ফেরদৌস সারাবাংলাকে বলেন, মঙ্গলবার মালপত্র সরানোর পরও কিছু প্রতিষ্ঠানের মালপত্র থেকে গিয়েছিল বিজিএমইএ ভবনে। সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতেই সকাল ৯ টায় বিজিএমইএ ভবনের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নিতে পারবে।

বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, ভবনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তালা খোলা হয়েছে। ভবনটি ভাঙার আগ পর্যন্ত যদি কোনো মালামাল থাকে এবং কেউ যদি লিখিত আবেদন করে, তাহলে তা সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ কয়েক বছরের আইনি জটিলতা কাটিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিজিএমইএ ভবন ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভেঙে ফেলার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু বাংলা নববর্ষ ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ভবনটি ভাঙার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার শুরু হয় মঙ্গলবার। ওই দিন সকাল থেকে ভবনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে মালপত্র সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৭টার পর ভবনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়। সাড়ে ৭টার দিকে ভবনের মূল ফটকটিও করে দেওয়া হয় সিলগালা।

রাজউক জানায়, ডিনামাইট ব্যবহার করে ভেঙে ফেলা হবে বিজিএমইএ ভবনটি, যার নজির বাংলাদেশে আর নেই। তবে এর জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে আগে থেকে নির্বাচিত করেনি রাজউক। পরে বুধবার (১৭ এপ্রিল) এ বিষয়ে একটি দরপত্র আহ্বান করে সংস্থাটি। ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ২৫ এপ্রিল বাছাই করা হবে, কোন প্রতিষ্ঠানকে ভবন ভাঙার কাজটি দেওয়া হবে। তবে দরপত্রে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার জন্য উপযুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান না পাওয়া গেলে রাজউক বিদেশি পরামর্শক ভাড়া করে ভবনটি নিজেই ভাঙতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

ছবি: হাবিবুর রহমান

সারাবাংলা/ইএইচটি/এসএইচ/টিআর

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন