মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

আগাম বৃষ্টি, পাহাড়ে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ কর্মসূচি

এপ্রিল ২০, ২০১৯ | ৯:৫৭ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

রাঙ্গামাটি থেকে: আগাম বৃষ্টির কারণে পার্বত্য এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে পাহাড়ে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ কর্মসূচি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও সংস্থাগুলো।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ম্যালেরিয়া নির্মূলে করণীয় শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ন্যাশনাল ম্যালেরিয়া এলিমিনেশন অ্যান্ড এইডস ট্রান্সমিটেড ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই সভার আয়োজন করে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির এপিডেমিওলজিস্ট ডা মুশিকুর রহমান বিটু। উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. নিহার রঞ্জন নন্দী, ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির বিশেষজ্ঞ মো. নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এম কে হাসান মোরশেদ, রাঙামাটির ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. এন্ড্র বিশ্বাস।

বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা পরীক্ষিৎ চৌধুরী, হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নিখিল মানকিন, কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মকর্তা ডা. মাসুদ আহমেদ চৌধুরী এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদ আলম।

ডা মুশিকুর রহমান বিটু জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার অনেক আগেই ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। অতীতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়লে নির্মূল কর্মসূচি নেওয়া হতো। গত কয়েক বছর ধরে প্রকোপ শুরুর আগেই এ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

এতে অংশ নিয়ে ন্যাশনাল ম্যালেরিয়া এলিমিনেশন অ্যান্ড এইডস ট্রান্সমিটেড ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের বিশেষজ্ঞ এম এম আকতারুজ্জামান বলেন, ভারতের ত্রিপুরা এবং মিজোরামের সীমান্তবর্তী আমাদের তিনটি পার্বত্য জেলা ম্যালেরিয়া ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া ভারতের মেঘালয় এবং আসাম সীমান্তবর্তী সিলেটের অঞ্চলগুলোতেও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ম্যালেরিয়ায় মৃত্যুর হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেখা গেছে পাহাড়িদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের হার বেশি হলেও মারা যায় কম। সেদিক থেকে বাঙালিদের মৃত্যুর হার বেশি। পাহাড়িদের মধ্যে পুরুষরা গভীর জঙ্গলে কাঠ কাটতে যায় বলে, নারীদের তুলনায় তাদের আক্রান্তের হার বেশি। ঝুঁকিতে রয়েছেন পার্বত্য অঞ্চলে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরাও। যে কারণে হোটেলগুলোতে করণীয় নির্দেশনা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

সভায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সরকার যে মশারি বিতরণ করেছে, সেগুলো আমাদের দেশের মাপে তৈরি করা হয়নি।

সারাবাংলা/জেএ/এটি

বিজ্ঞাপন
Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন