সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ জমাদিউস-সানি ১৪৪১

বিজ্ঞাপন

ঈদের পর খেলোয়াড়দের সঙ্গে বসবে অ্যাথলেট কমিশন

মে ২, ২০১৯ | ৬:৫৯ অপরাহ্ণ

।। স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর প্রাথমিক ভাবে অলিম্পিক ভুক্ত সকল জাতীয় ফেডারেশনের খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা করতে চায় দেশের প্রথম অ্যাথলেট কমিশন।

বৃহস্পতিবার (০২) বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের অ্যাথলেট কমিশনের প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কমিশনের সভাপতি মিস জোবেরা রহমান লিনুর এ বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন। সভায় এ্যাথলেট কমিশনের কার্যপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিজ্ঞাপন

ঈদের পর অলিম্পিকভুক্ত সকল ফেডারেশনের খেলোয়াড়দের নিয়ে বসবে কমিশন। সেই মত বিনিময় সভায় অ্যাথলেট কমিশনের কার্যক্রম সমন্ধে সকল খেলোয়াড়দের ধারণা দেয়া হবে জানা যায়। সঙ্গে ক্রীড়াবিদদের আকুতি, সুবিধা-অসুবিধাসহ প্রয়োজনীয় সকল চাহিদা নিয়ে মত ও পরামর্শসহ বাস্তবায়নে কাজ করবে এই কমিশন।

এর আগে ১০ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এই অ্যাথলেট কমিশন গঠন করা হয়।

অ্যাথলেট কমিশন গঠনের নিয়ম অনুযায়ী কমিশনের সদস্যরা মিস প্রাক্তন জাতীয় টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ও জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ জোবেরা রহমান লিনুকে কমিশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

কমিশনের ছয় সদস্য হলেন- মিস জোবেরা রহমান লিনু, প্রাক্তন জাতীয় ফুটবলার এবং জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ মো: আব্দুল গাফফার, বর্তমান জাতীয় কৃতি গলফ খেলোয়াড় এবং জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, বর্তমান জাতীয় সুইমিং খেলোয়াড় মিস মাহফুজা খাতুন শিলা, বর্তমান জাতীয় কৃতি অ্যাথলেট মিস শিরিন আক্তার ও বর্তমান জাতীয় শ্যুটিং অ্যাথলেট শাকিল আহমেদ।

এনওসি অ্যাথলেটস কমিশনের মিশন হলো ক্রীড়াবিদদের মতামত উপস্থাপন করা এবং এনওসি’র মধ্যে তাদের মতামত দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করা।

কমিশন যেসব বিষয়ে কাজ করবেন:
১. ক্রীড়াবিদ সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সমূহ বিবেচনা করা এবং সে সকল বিষয়ে জাতীয় অলিম্পিক কমিটিকে পরামর্শ প্রদান;

২. খেলার মাঠ এবং খেলার মাঠের বাইরে ক্রীড়াবিদদের সুরক্ষা ও সমর্থনকারী উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রকল্পগুলির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকা;

৩. ক্রীড়াবিদদের অধিকার ও স্বার্থের বিষয়ে সুপারিশ করা এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক কাউন্সিল অফ আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্টস এর সাথে ক্রীড়াবিদদের অধিকার আদায়ের জন্য আর্বিট্রেটর্স নিয়োগ দেয়া।

৪. আইওসি অ্যাথলেটস কমিশনের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখা।

ক্রীড়াবিদদের সমস্যা তুলে ধরাসহ বাস্তবায়নে সক্রীয় থাকবেন বলে জানান এই ক্রীড়াবিদরা।

সারাবাংলা/জেএইচ

আরও পড়ুন:

খেলোয়াড়দের আকুতি শুনবেন তারা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন