সোমবার ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ জিলহজ, ১৪৪০ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার হবে ৩৩১ বিলিয়ন ডলার’

মে ৬, ২০১৯ | ৬:২৮ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সারাবিশ্বে ২০২২ সাল নাগাদ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার হবে ৩৩১ বিলিয়ন ডলার। তাই আমাদের এখনই এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ব্যাপারে এগিয়ে যেতে না পারলে আমরা ওই বৃহৎ বাজারে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে সক্ষম হবো না।

দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের সাংবাদিকদের জন্য সোমবার রাজধানীর কারওরান বাজারে আয়োজিত সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ‘ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

আইসিটি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) উদ্যোগে এবং প্লেক্সাস ক্লাউডের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ। প্রেজেন্টেশন দেন ক্লাউড কম্পিউটিং বিশেষজ্ঞ এবং ওপেন স্ট্যাক বাংলাদেশের গ্রুপ অরগানাইজার মোবারক হোসেন।

বিজ্ঞাপন

অধ্যাপক কায়কোবাদ বলেন, বাংলাদেশে আইসিটি খাতে সঠিক এবং সচেতনভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। রিসোর্স ছড়িয়ে দিতে হবে। সোর্স ব্যবহার উন্মুক্ত করতে হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে তুলনা করে দেখাতে হবে বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান আসলে কোন পর্যায়ে। তাহলে সবাই প্রকৃত অবস্থা বুঝতে সক্ষম হবে। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ পাচারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটা কথা মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশিদের হাতেই বাংলাদেশিরা নিরাপদ। অন্য দেশের হাতে নয়।

বিআইজেএফ

মোবারক হোসেন বলেন, পাবলিক, প্রাইভেট, হাইব্রিড বা কমিউনিটি ক্লাউড তৈরির মাধ্যমে আইসিটি সেবাগুলো এক ক্লাউড থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সারাবিশ্বের আইসিটি খাত ক্রমেই ক্লাউডের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও ব্যাপক হবে। তাই ডেক্সটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ক্ষুদ্র আকারের ডাটা সেন্টারের ব্যবহার কমে আসবে। গ্রাহকের হার্ডওয়্যারের খরচ কমে যাবে।

তিনি বলেন, গ্রাহকরা একটি টার্মিনালের মাধ্যমে, এমনকি তারা স্মার্ট টিভির মাধ্যমেও ক্লাউড ইনস্টল করা অপারেটিং সিস্টেম পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে ব্যবহার করতে পারবেন। যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ডাটা নিরাপদ রাখতে চাইলে প্রাইভেট ক্লাউড তৈরি করে তাদের ডাটা রাখতে পারে। সেখানে অন্য কেউ একসেস বা প্রবেশ করতে পারবে না। এতে তাদের তথ্য সম্পূর্ণ সিকিউরড অবস্থায় সংরক্ষিত থাকবে। একই সঙ্গে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্লাউড এর মাধ্যমে তাদের সার্ভার দেশেই তৈরি করতে পারে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইজেএফ-এর সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম ঢেউ এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাসান জাকির। কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি অধ্যাপক কায়কোবাদ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র তুলে দেন।

কর্মশালায় দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমে কর্মরত বিআইজেএফের প্রায় ৫০ সদস্য অংশ নেয়। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিআইজেএফে যুক্ত হওয়া নতুন ১৯ সদস্যকে আনুষ্ঠানিক বরণ করে নেওয়া হয়। এ পর্বে বিআইজেএফ কার্যনির্বাহী সদস্য ছাড়াও সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সদস্য ভূইয়া ইনাম লেনিন, সুমন ইসলাম, হিটলার এ হালিম, মো. নাসির উদ্দিন নতুন সদস্যদের হাতে সদস্যপদের চিঠি হস্তান্তর করেন।

সারাবাংলা/এসআই/এটি

Advertisement
বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন