বুধবার ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

নুসরাত হত্যা: রিমান্ড শেষে ৪ আসামিকে কারাগারে প্রেরণ

মে ১১, ২০১৯ | ৮:২০ অপরাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপণ্ডেন্ট

ফেনী: ফেনীর সোনাগাজীতে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদরাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ঘটনায় রিমান্ড শেষে ৪ আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এই চারজন হলেন কাউন্সিলর মকসুদ, প্রভাষক আবসার, নুসরাতের সহপাঠী শামীম এবং আরিফুল।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১১ মে) বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালতে আসামিদের তোলা হলে আদালতে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআর) ফেনীর পরিদর্শক (ওসি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম জানান, নুসরাত হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম ও নুসরাতের সহপাঠী মোহাম্মদ শামীমকে পাঁচ দিন করে রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হয়। এছাড়া মাদরাসার প্রভাষক আবসার উদ্দিন ও আরিফুর রহমানকে রিমান্ড শেষ আদালতে তোলা হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এর আগে নুসরাতকে যৌন হয়রানির অভিযোগে তার মায়ের দায়ের করা মামলায় গত ২৭ মার্চ অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দোলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে কারাগার থেকেই তিনি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নুসরাতের পরিবারকে চাপ দিতে থাকেন। এর মধ্যে গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রে গেলে মাদরাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা।

বিজ্ঞাপন

অগ্নিদগ্ধ নুসরাতকে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। সেখানে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ৯ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে নুসরাতের চিকিৎসা চলে। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় নুসরাত মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজহারভুক্ত আট আসামি সহ এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।

সারাবাংলা/এসবি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন