সোমবার ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ জিলহজ, ১৪৪০ হিজরি

বিজ্ঞাপন

খালেদা জিয়া-তারেকের বিরুদ্ধে ড্যান্ডি ডাইং মামলায় সাক্ষ্য পেছাল

মে ১৫, ২০১৯ | ৫:২০ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ড্যান্ডি ডাইং কোম্পানির ঋণ খেলাপী মামলায় সাক্ষ্যগ্রহন হয়নি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৫ মে) মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল।

তবে এদিন বিবাদীপক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার ১ নম্বর অর্থঋণ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নতুন করে এবছরের ১৪ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন।

মামলাটিতে অভিযুক্তরা হলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং তার দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, মিসেস শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান, প্রয়াত বিবাদী মোজাফফরের স্ত্রী শামসুন্নাহার ও তার ছেলে মাসুদ হাসান।

বিএনপি চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি চার্জ গঠন করেন ওই আদালত।

বিজ্ঞাপন

এরআগে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ড্যান্ডি ডাইং কোম্পানির ৪৫ কোটি টাকা খেলাপী ঋণের মামলায় বিবাদী হিসেবে থাকা আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় একই আদালত খালেদা জিয়া ও কোকার স্ত্রী সন্তানদের বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত করেন।

৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ খেলাপীর অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

মামলার আরজিতে বলা হয়, ১৯৯২ সালে ৩ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করে ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড। ১৯৯৩ সালের ৫ মে সোনালী ব্যাংক থেকে ১৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা ঋণ নেন বিবাদীরা। এরপর ১৯৯৬ সালে সাঈদ এস্কান্দারের আবেদনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আবার ঋণ মঞ্জুর করে।

২০১০ সালের ৪ এপ্রিল ড্যান্ডি ডায়িংকে দেওয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ কোটি ৬৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য বিবাদীদের চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি বিবাদীরা।

সারাবাংলা/এআই/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন