শনিবার ২৫ মে, ২০১৯ ইং , ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯ রমজান, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ঈদের আগে ১০ দিন ওয়াসাকে রাস্তা কাটতে দেবে না চসিক

মে ১৫, ২০১৯ | ৭:৫০ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ঈদুল ফিতরের ১০দিন আগে অর্থাৎ বিশ রোজা থেকে ওয়াসাকে চট্টগ্রাম নগরীতে আর কোনো রাস্তা কাটতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। পুরো শহরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি নিয়ে নগরবাসীর ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মেয়র। সভায় ইতোমধ্যে ওয়াসার কেটে ফেলা সড়ক জরুরি ভিত্তিতে কার্পেটিংয়েরও নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র।

ওয়াসা মদুনাঘাট পানি শোধনাগার প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম নগরীর ৫৫০ কিলোমিটার এলাকায় সড়কের নিচ দিয়ে পানি সরবরাহ লাইন বসাচ্ছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত সড়কে এই খোঁড়াখুঁড়ি চলবে বলে জানিয়েছে ওয়াসা।

বিজ্ঞাপন

রোজার মাসে নগরীর বিভিন্ন অলিগলিসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। যানজটে স্থবির হয়ে থাকছে বিভিন্ন সড়ক। সম্প্রতি নাগরিক উদ্যোগ নামে একটি সংগঠনের মতবিনিময় সভায় খোঁড়াখুঁড়ি নিয়ে তোপের মুখে পড়েন ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.ফজলুল্লাহ। এরপর আরেকটি মতবিনিময় সভায় সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন নির্বিচারে সড়কে খোঁড়াখুঁড়িতে জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের সভায়ও মেয়র সমন্বয় ছাড়া ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়ি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। মেয়র বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের সঙ্গে ওয়াসার কোনো সমন্বয় নেই। সিটি করপোরেশন রাস্তা নতুনভাবে মেরামত ও কার্পেটিং করে যাবার পর ওয়াসা আবার সেটা খুঁড়ে নষ্ট করে দেয়। এতে নগরবাসীকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। নগরবাসী সিটি করপোরেশনকে ভুল বুঝছে। রমজান মাসে এই ভোগান্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

শনিবার (১৮ মে) থেকে ওয়াসার কেটে ফেলা সড়কে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত ও কার্পেটিং শুরুর নির্দেশ দিয়ে মেয়র বলেন, ওয়াসাকে রাস্তা কাটতে হলে বিশ রোজার মধ্যে কাটতে হবে। এরপর ঈদুল ফিতর পর্যন্ত ওয়াসাকে কোনো রাস্তা কাটতে দেওয়া হবে না।

সভায় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনসহ প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/আরডি/এমএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন