রবিবার ২৫ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১০ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ জিলহজ, ১৪৪০ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষায় খরচ হবে ৭৫ লাখ টাকা!

মে ১৫, ২০১৯ | ১০:১২ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আদালতের নির্দেশনা অনুসারে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের ১ হাজার ৬৪টি ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষার জন্য ৭৫ লাখ ৬১ হাজার পাঁচশ টাকা খরচ নির্ধারণ করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৫ মে) এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পৌঁছেছে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনটি হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় কত টাকা খরচ হবে, তা জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।

প্রতিবেদনে পানির ১ হাজার ৬৪টি নমুনা পরীক্ষায় খরচ ধরা হয়েছে ৭৫ লাখ ৬১ হাজার ৫শ টাকা। এরআগে গত ১৩ মে রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ আদালতকে জানান, ঢাকার ১৬টি এলাকার পানি ব্যবহারের অনুপযোগী। এসব এলাকা হলো-জুরাইন, দনিয়া, শ্যামপুর, উত্তরা সেক্টর ৪, মিরপুর, পল্লবী, লালবাগ, রাজার দেউড়ি, মালিবাগ, বনশ্রী, মাদারটেক, গোড়ান, রায়সাহেব বাজার, মোহাম্মদপুরের বসিলা, কাজিপাড়া ও সদরঘাট।

বিজ্ঞাপন

গতবছরের ৬ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া এক নির্দেশে ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং আইসিডিডিআরবির প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির নামের তালিকা গত ১৮ এপ্রিল অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে পাঠায় মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মাদ সাঈদ-উদ-রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নমুনা সংগ্রহ করে তার নির্দিষ্ট পরীক্ষার পর বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করতে একটি তহবিলের পাশাপাশি ল্যাবরেটরিসহ ঢাকা ওয়াসার সামগ্রিক প্রচেষ্টা দরকার। এসব কাজের জন্য যদি তহবিল গঠনও করা হয় এবং বিরতিহীনভাবে ওয়াসার তিনটি ল্যাবরেটরিতে একযোগে কাজ করলে এ প্রতিবেদন তৈরি করতে কমপক্ষে চার মাস সময় প্রয়োজন।’

এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, কমিটি একটি কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে। তা আদালতে উপস্থাপনের জন্য সময় দরকার। এরই ধারাবাহিকতায় আদালত পানি পরীক্ষার জন্য কত টাকা প্রয়োজন তা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চান। আদালতের এ নির্দেশের পর মন্ত্রণালয় খরচের পরিমাণ উল্লেখ করে প্রতিবেদন পাঠায়।

সারাবাংলা/এজেডকে/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন