সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

মে ২২, ২০১৯ | ৬:০৪ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিপরীতধর্মী তথ্য দেওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধান করে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ও মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ উঠেছে গণধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম ও মেডিকেল অফিসার রেজাউর রহমান ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিপরীতধর্মী তথ্য দিয়েছেন।

বুধবার (২২ মে) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে এই নির্দেশ দেন।

ধর্ষণ মামলায় ডেথ সার্টিফিকেটে অসঙ্গতি থাকায় ব্যাখ্যা চেয়ে গত ৭ মে পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জনকে তলব করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট বিভাগ। আদেশ অনুযায়ী এদিন (২২ মে) তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেন। ব্যাখ্যায় আদালত সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। তিনি জানান, আদালতের তলবে হাজির হয়ে সিভিল সার্জন নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। সে সময় আদালত ওই চিকিৎসকদের বলেন, এভাবে যদি ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেন তাহলে জাতির কাছে কী বার্তা যায়? এভাবে রিপোর্ট দেওয়ার কারণে একটা মামলার বিচার প্রভাবিত হয়, এমনকি রায় ভিন্ন হয়। যেখানে বাদী ন্যায় বিচার বঞ্চিত হন। পরে আদালত ক্ষমার আবেদন নাকচ করে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার নথি থেকে জানা যায়, রাঙ্গাবালী হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল ১৩ বছর বয়সী সীমা। গত বছরের ২৪ অক্টোবর মাসে তার বাড়িতেই সীমাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ওই ঘটনার তিন মাস পরে গত ৩ জানুয়ারি পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি অভিযোগ করা হয়। সীমার মা তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগটি করেন।

থানায় মামলা করতে গেলে প্রথমে পুলিশ মামলা নিতে চায়নি। এই মামলার আসামি দানেশ চৌকিদার হাইকোর্ট বিভাগে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আসামিপক্ষ জামিন আবেদনে ওই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসক ডা. রেজাউর রহমান উল্লেখ করেছেন, গলায় দাগ রয়েছে, শ্বাসরোধে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে। তবে এটা দুর্ঘটনাজনিত কারণে হতে পারে। এই রিপোর্টের সঙ্গে একমত পোষণ করেন সিভিল সার্জন।

সারাবাংলা/এজেডকে/এটি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন