বৃহস্পতিবার ২০ জুন, ২০১৯ ইং , ৬ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

রোজায় শসা খান, সুস্থ থাকুন

মে ২৬, ২০১৯ | ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

পর্ব- ৭

বছর ঘুরে আবারো এলো রোজা। গরমের দিনে রোজা হওয়ায় আমাদের প্রায় ১৫ ঘণ্টা অভুক্ত থাকতে হবে। তাই রোজা ভেঙেই অনেকে হাপুসহুপুস করে একগাদা খাবার খেয়ে ফেলেন। এতে করে পেটে গ্যাস, বদহজম ও নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। রোজায় সুস্থ থাকতে তাই বাকি যে ৯ ঘণ্টা হাতে থাকে, সে সময়ে পরিকল্পিতভাবে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে। এতে রোজায় ওজন বেড়ে যাওয়াসহ আরও যেসব সমস্যা দেখা দেয় তা থেকে মুক্ত থাকা যাবে।

সারাবাংলার পাঠকদের জন্য নিয়মিত রোজায় সুস্থতার টিপস দিচ্ছেন পুষ্টিবিদ আজমেরী রহমান সিন্থীয়া

শসা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারি। শসায় পানির পরিমাণ ৯৫ শতাংশের বেশি। তাই প্রচন্ড এই গরমে রোজার অন্যতম খাদ্যসঙ্গী হিসেবে খাওয়া উচিত শসা।

বিজ্ঞাপন

আসুন জেনে নেই, রোজায় শসা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে-

– সারাদিনের পানির চাহিদা মেটাতে ইফতারিতে একটি বড় শসা চিবিয়ে খান, আরাম পাবেন।

– যারা রোজায় বাড়তি ওজনের লাগাম টেনে ধরতে চান, ইফতারিতে শসার রস ব্লেন্ড করে খান। এতে ক্ষুধা নিবারণ হয় ও অপরিমিত খাবারের চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

– ইফতারের পর শরীর যে বাড়তি তাপমাত্রা নিঃসরণ করে, শসা খেলে তা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

– ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শসার ভূমিকা অনেক।

– শসা শরীরের ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণ করে কিডনীকে সুস্থ রাখে।

– শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। আর ম্যাগনেশিয়াম রক্ত চলাচল সচল রাখে।

– কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করতে শসার ভূমিকা আছে।

– বাতের ব্যথায় অনেকের নামাজ আদায় করতে কষ্ট হয়। নিয়মিত শসা খেলে অযাচিত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

– গ্যাস্ট্রিকের রোগিদের জন্য শসা দিতে পারে বুক জ্বালা ও পাকস্থলীর এসিডিটি থেকে মুক্তি।

– শসায় থাকা ফাইটোনিউট্রিএন্স এবং লিগন্যান্স হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

কোলেস্টেরল, গ্যাস্ট্রিক কি ডায়াবেটিস সবক্ষেত্রেই শসা অত্যন্ত কার্যকরী। সুতরাং রোজার এই গরমে শসা হোক আপনার প্রতিদিনের ইফতারির সঙ্গী।

 

সারাবাংলা/টিসি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন