মঙ্গলবার ২৫ জুন, ২০১৯ ইং , ১১ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

হাল্ট প্রাইজ প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী বাংলাদেশ দল

মে ২৭, ২০১৯ | ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: স্বল্প খরচে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে অ্যাম্বুলেন্স সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশের তিন তরুণ।

চীনের সাংহাই শহরে অনুষ্ঠিত হাল্ট প্রাইজ ২০১৯ এর আঞ্চলিক পর্বে বিজয় অর্জন করে তিন সদস্যের বাংলাদেশ দল ‘সেইফহুইল’। দলের তিন সদস্যই বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উদ্যোক্তা  প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে একটি হলো হাল্ট প্রাইজ। হাফিংটন পোস্ট এই প্রতিযোগিতাকে শিক্ষাথীদের নোবেল পুরস্কার বলে আখ্যা দিয়েছে। প্রতিবছর সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি নির্ধারিত সমস্যা সমাধানে নতুন করে কিছু চিন্তা করার আহ্বান জানান।

এ বছরের সমস্যাটি ছিল এমন একটি ব্যবসার চিন্তা করা যা আগামী ১০ বছরে ১০ হাজার মানুষের চাকরি যোগান দেবে এবং একইসঙ্গে সমাজের মানুষেরও উপকারে আসবে।

বিজ্ঞাপন

নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা হয়। এরপর নির্বাচিত দলগুলো আঞ্চলিক পর্বে অংশ নেয়। আঞ্চলিক পর্বের বিজয়ীরা চুড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।

এবারের সাংহাই আঞ্চলিক পর্বে পৃথিবীর ৩০ টিরও বেশি দেশ থেকে ৫৭টি দল অংশ নেয়। এদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে বাংলাদেশের দল ‘সেইফহুইল’। দলটির স্বপ্নবাজ তিন তরুণের আইডিয়া ছিল বাংলাদেশের গ্রামের মানুষকে স্বল্প খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবা পৌঁছে দেওয়া। দেশের গ্রামাঞ্চলে হাজারও মানুষ প্রতিদিন জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে পড়েন। সেই মানুষদের ভোগান্তি কমিয়ে আনতে একটি পরিকল্পনা জমা দেন সেইফহুইলের সদস্যরা।

আঞ্চলিক পর্বের বিজয়ী এই দল আগামী জুলাই মাসে লন্ডনের অ্যাশট্রিজ ক্যাসেলে অনুষ্ঠিতব্য ছয় সপ্তাহের একটি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সেখানে তাদের প্রশিক্ষণ দেবেন বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। সাংহাইসহ অন্যান্য হাল্টের আঞ্চলিক পর্যায়ে বিজয়ী দলগুলো সেখানে অংশ নেবে। বিশ্বের প্রায় লক্ষাধিক তরুন উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে মাত্র ১৫০ জন পাচ্ছেন এই সুযোগ।

ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে সেরা ছয়টি দল জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে তাদের উদ্যোগ পরিবেশন করবে। বিজয়ী দলকে ট্রফি তুলে দেবেন বিল ক্লিনটন এবং নোবেলজয়ী বাংলাদেশি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস। সেইসঙ্গে বিজয়ী দল তাদের পরিকল্পিত উদ্যোগ বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য পাবেন এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সারাবাংলা/এজেডকে/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন