বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৪ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মিডিয়া ডায়েট

মে ৩০, ২০১৯ | ৯:২৩ অপরাহ্ণ

মাহমুদ মেনন

গেলো বছরের মাঝামাঝির কথা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা কার্টুন বেশ ভাইরাল হলো- মার্কিন কার্টুনিস্ট ডেভিড সাইপ্রেসের আঁকা। তাতে তিনি দেখালেন- এক যুগল পাশাপাশি হাঁটছেন। তো নারীটি বলছেন, ‘সবকিছু জেনেবুঝে আপডেটেড থাকার ইচ্ছাটি আর নেই বাপু, ও চিন্তা এখন সুস্থমস্তিষ্কে বেঁচে থাকার ইচ্ছাটাই নষ্ট করে দিচ্ছে’ (মাই ডিজায়ার টু বি ওয়েল ইনফর্মড ইজ কারেন্টলি এট অডস উইথ মাই ডিজায়ার টু রিমেইন সেইন)।
খবর, তথ্য আর আধেয়র (কনটেন্ট) বন্যায় আজ সবারই বুঝি এই একই ত্রাহি দশা।

বিজ্ঞাপন

মনে হচ্ছে, আমরা খবরের এক ঘূর্ণাবর্তে বাস করছি আর তথ্যরাজি সারাটিক্ষণ আমাদের সদা ঘূর্ণায়মান মস্তিষ্কে অবিরাম পিং পং খেলছে। খবরের শিরোনামে শিরোনামে আমরা জর্জরিত। এতে এমনই দশা হয়েছে যে, কিছু কিছু মানুষ এখন ভাবতে শুরু করেছেন- ‘ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি।’ তারা নিজেকে খবরের জগৎ থেকেই গুটিয়ে নিতে চাইছেন। বলে দিচ্ছেন- আর যাই হোক বাবা খবরের কাছেধারে ঘেঁষছি না।

ওই যে, বইখানা চোখের ওপর মেলে ধরে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যাওয়া- সে দিন তো গত হয়েছে সেই কবেই। বরং চোখ এখন আটকে থাকে মিনি স্ক্রিনে। সেখানে খবর আর খবর। যাদের চোখ খবরেই আটকে থাকে তাদের জন্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমুতে যাওয়ার আগে গাদাখানেক খবর জেনে মাথাটাকে ভারি করার কোনো মানে হয় না। এতে ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটে। এ কারণে তারা বলছেন, বিছানায় যাওয়ার আগে কোনও ধরনের খবরের চ্যানেল বা সাইটকে না বলুন। বরং খেলা দেখুন, বিনোদন দেয় এমন কিছু দেখুন কিংবা পড়ুন। হালকা মাথায় ঘুমুতে যান।

সুতরাং এখন চব্বিশ ঘণ্টার নিউজ সাইকেলগুলো থেকে কি করে রেহাই পাওয়া যাবে সেই চেষ্টা শুরু করেছেন সচেতনরা। এইতো সেদিনই মাত্র এই সব চব্বিশ ঘণ্টার খবর পরিবেশনা শুরু হলো। এরই মধ্যে এত বিরক্তি! এমন মুখ ফিরিয়ে  নেওয়া! শুরুর দিকে কিন্তু বেশ অন্যরকম ছিলো। মানুষ খবর পেলেই হুমড়ি খেয়ে পড়তো। রাত-বিরেতেও খবরের জগতে তাদের বিচরণ ছিলো। ফেসবুকে পোস্ট, টুইটারে টুইট, খবরের শিরোনাম এসব পেয়ে তারা নিজেকে বেশ সময়ের আগুয়ান সৈনিকই ভাবতে শুরু করেছিলেন। কোনও কিছু সম্পর্কে বিশেষভাবে জানা থেকে এক সাথে অনেক কিছু জানতে পারার আনন্দেও তারা ছিলেন মোহাচ্ছন্ন। বিষয়টি সেভাবে বেশি দিন এগুলো না। সচেতনরা দ্রুত সরলেন তাদের অবস্থান থেকে। এরপর বলা হলো- কেবল তথ্য ভারাক্রান্ত হলে চলবে না। সাথে চিত্ত বিনোদনের জন্যও কিছু ভাবতে হবে। ফলে এলো ইনফোটেইনমেন্ট।
কিন্তু এখন এই ইনফোটেইনমেন্টও বুঝি আর সইছে না। এসব কিছু ছাড়িয়ে এখন নতুন একটি কথা বলছেন অনেকে। যার নাম তারা দিয়েছেন- মিডিয়া ডায়েট।
ভাবছেন- খাবারের ডায়েট খুব শুনেছি। মিডিয়া ডায়েট! এটা আবার কী!

আমেরিকান লেখিকা ক্রিস্টিয়ান লিভারমোরের কথাই ধরুন। সেটা ২০১৬’র প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের পরের কথা। খবরে খবরে জেরবার হয়ে এই লেখিকা এক ই-মেইল পাঠালেন নিউইয়র্ক টাইমসকে। তাতে লিখলেন, প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের পর থেকে তিনি খবরের স্রেফ উপরিতল দিয়ে যাচ্ছেন। কোনো খবরেরই গভীরে ঢুকছেন না। এত খবর যে পড়ার মতো অত ফুসরতও তার মিলছে না।
ধরে নিতে পারেন- অতি সচেতনতায় ক্রিস্টিয়ান লিভারমোর মিডিয়া ডায়েট শুরু করে দিয়েছেন।
আর মানুষ যে খুব খবর পড়ে তাও কিন্তু নয়। আমরা যদি ষোল কোটি মানুষের  দেশে খবরের ভোক্তার কথা ধরি তা এখনো কিন্তু কোটি ছোঁয়নি। আমরা পিছিয়ে থাকা দেশ। উন্নত দেশেও কিন্তু মানুষকে খবর পড়াতে খবরের কাগজ ফ্রি বিলি করেও খুব একটা ফায়দা কিছু হচ্ছে না। আর অনলাইনে কোটি কোটি মানুষ থাকলে কি হবে? তারা খবরের যে অখবরই বেশি পড়েন।

বিজ্ঞাপন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন- তথ্য কিংবা খবরের ভোক্তারা তাদের অভ্যাস যে খুব একটা বদলিয়েছে তা নয়, বরং খবর পরিবেশনার পদ্ধতিগত পরিবর্তন গত পাঁচ-দশবছরে যথেষ্টই ঘটেছে। আর তার ফল দাঁড়িয়েছে- মানুষ এখন খবরের ভারে আক্রান্ত।

প্রধানত সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা বেড়েছে বহুগুনে। সেতো এক বড় জ্বালা। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমের বিপুল তথ্য স্রোত সবাইকে হিমশিম খাইয়ে ছাড়ছে। আপনি যদি একবার ঢুকে পড়েছেন, আর কোনও কিছুতে মনোযোগ দিয়েছেন তো মরেছেন। একটা কিছু পড়ছেন তো আরও হাজারো কিছু হাজির হয়ে যাবে আর আপনাকে পড়িয়েই ছাড়বে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ওরা হিসাব কষে নেবে আপনার আগ্রহের দিকগুলো আর অ্যালগরিদমে (পর্যায় পরম্পরা) সে ধরনের খবরের পর খবর পাঠাতে থাকবে আপনার স্ক্রিনে। আর সে মোতাবেক স্ক্রলডাউনে হাজির করে দেবে রাজ্যের সব পোস্ট।

আমরা যারা খবরের মানুষ, খবর জানা ও জানানো যাদের কাজ তারাও আজ এই তথ্যভারে জর্জরিত। আমাদেরই মাঝে মধ্যে মনে হয়, এবার ক্ষান্ত হও। এত তথ্য এত খবর দরকার নেই। এতে জানার চেয়ে বিভ্রান্তই বেশি হচ্ছি। সংবাদ জগতের মানুষগুলোর কিংবা সাংবাদিকতায় যাদের জীবন-জীবিকা তাদের তো কোনও কিছু সম্পর্কে সবশেষ তথ্য জানাটা জরুরি। কিন্তু তার মানে এই নয়  যে তথ্য আমাদের স্বাভাবিক জীবনকেও অতিষ্ঠ করে তুলবে।

ইংল্যান্ডের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমিরিটাস গ্রাহাম সি এল ড্যাভিও এ নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন- অনেক মানুষ খবর পড়ে জানে, কারণ তারা অসচেতন কিংবা অজ্ঞ থাকতে চায় না। কিন্তু তাদের ধৈর্য্যরে সীমা বুঝি আজ ভেঙ্গে গেছে, আজ তারা হয়তো মহা বিরক্তও। বিশেষ করে নেতিবাচক খবরগুলোতো মনোজগতে ভীষণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে তাদের ব্যক্তিগত উদ্বেগ, উৎকণ্ঠাও বেড়ে যায়। ফলে এটা তাদের ক্ষতিরই কারণ হয়ে দাঁড়ায়, মত ড্যাভিওর।

কেউ কেউ অবশ্য ইতিবাচক খবরে কিছুটা স্বস্তি খুঁজতে চান। তারা মনে করেন, এত্ত এত্ত নেতিবাচক খবর না ছাপিয়ে সংবাদমাধ্যম কিংবা প্রচারমাধ্যমগুলো যদি কিছু ইতিবাচক কনটেন্ট সামনে আনে তো বাঁচি। তবে কেউ কেউ বলছেন- নেতি কিংবা ইতি,  যে বাচকই হোক না কেন, খবরের বা তথ্যের ধারা কিংবা স্রোত কমিয়ে আনতে হবে। সে নিয়ে স্লো নিউজ মুভমেন্ট নামে একটি আন্দোলনের কথাও ভাবছেন বিশেষজ্ঞরা।
থামো। শান্ত হও। জেনে বুঝে খবর ছড়াও। এটাই তাদের মূল বক্তব্য।

কিন্তু এই চব্বিশ ঘণ্টার নিউজ সাইকেলের যুগে যখন মূল স্লোগানটি হচ্ছে- তথ্যই শক্তি। যখন আঙুলের সামান্য চাপে খবর আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠছে তখন আপনাকে ওই মিডিয়া ডায়েটের ওপরই জোর দিতে হবে।
আপনি কি হেলদি কনটেন্ট পড়বেন? নাকি জাংক কনটেন্ট? বেছে নিন।
ফলে কি পড়বেন আর কি পড়বেন না, কখন পড়বেন আর কখন পড়বেন না তা নির্ধারণ করতে হবে আপনাকেই। আর তা পারাটাও একটি যোগ্যতা।
এসবের কারণে আমরা এখন মিডিয়া লিটরেসির ওপর বেশি জোর দিচ্ছি। আপনার নিউজ লিটরেসি কতটুকু তার ওপরই নির্ভর করবে আপনার ভালো খবর পড়া ও জানা।

একটি বিষয় প্রায়শঃই শুনতে বা জানতে পাই অনেক আপাতদৃষ্টে সচেতন, শিক্ষিত মানুষও এমন সব সংবাদের কিংবা সংবাদমাধ্যমের রেফারেন্স টানেন যে সংবাদকর্মী হিসেবে ভিরমি খেতে হয়। কারণ আমরা জানি এগুলো স্রেফ গুজব ছড়ায় কিংবা স্রেফ সেই সব ভূইফোঁর মাধ্যম, যার নেই কোনও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো। স্রেফ কিছু মানুষের মন চায় তাই অনলাইনের সম্পাদক-সাংবাদিক বনে যায়। এরপর আর কি? কাট-পেস্ট, কপি পেস্ট চলে। আর নয়তো নোংরা, সুড়সুড়ির কনটেন্টে পাতা ভরে ফেলে। স্যোশাল মিডিয়ার সেই সব মিডিয়া ইললিটারেটদের লাইক-কমেন্টে অর্গাজম খোঁজে। মিডিয়া ডায়েট আপনাকে সচেতনভাবেই এদের থেকে দূরে রাখবে। একটি রুটিন মাফিক পাঠাভ্যাস গড়ে তুলুন। জীবনাচারের সঙ্গেই যুক্ত করে নিন নিয়ম করে খবর পাঠের অভ্যাস। আর সুনির্দিষ্ট করে জানুন কোনও মিডিয়া কোন ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করে। কোনটি মূলধারার মিডিয়া, কোনটি আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে প্রকাশিত। কোনটি বৃহত্তর পরিসরে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কনটেন্ট তৈরি করে আপনার সামনে হাজির করছে। কোনটি স্রেফ একাই একশ’ হয়ে অন্যের কনটেন্ট চুরি করে বাজারে আসছে। কোনটি খবর দেয়, কোনটি গুজব ছড়ায়, কোনটি বৈচিত্রময় কনটেন্ট দিয়ে আপনার পাঠক হৃদয় ও মনটিকে আবিষ্ট করে, কোনটি সুড়সুড়ির কিংবা নোংরা কনটেন্টে মনোজগতকে ঘিনঘিনে করে তোলে।

এসব কিছু জানা বা বোঝার জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এখনো নেই বটে; কিন্তু কিছু টুলস কিংবা ফ্রেমওয়ার্কস রয়েছে যা দিয়ে আপনি খবরের শিডিউল, টাইম ম্যানেজমেন্ট এগুলো করতে পারবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা কার্যকর পথে খবর জানা শুরু করতেও পারবেন। আপনাকে জানতে হবে কোন মিডিয়া কি দিচ্ছে? কখন দিচ্ছে?

পাঠকের সুবিধার্থে নতুন একটি ধারণা সামনে এসেছে। সেটি- মিডিয়া কনভারজেন্স। এই যে, এক প্ল্যাটফর্মে এখন সব পাওয়া যাচ্ছে। মাল্টি-মিডিয়া বলতে যে ধারণাটি রয়েছে এটি তার চেয়েও একটু এগিয়ে। সনাতনি সকল মিডিয়ার খবর পরিবেশন ব্যবস্থা একটি কনভারজেন্ট মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে মিলে যাবে। ফলে একটি মিডিয়াই পূরণ করবে আপনার মিডিয়ার কাছে সকল চাওয়া-পাওয়া। এক খাবারে পর্যাপ্ত ফুডভ্যালু’র মতো।

কিন্তু তাতেও কি শেষ রক্ষা হবে? যদি আপনি মিডিয়া ডায়েট করতেই না শিখতে পারেন? কারণ সময় সবার জন্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য কিছু প্রশ্ন করে নিজেই ঝালাই করে নিন আপনার স্বাস্থ্যকর মিডিয়া আচরণ সম্পর্কিত সক্ষমতা।

এক. কেন খবরটি পড়বো?
- এটি কি এমন কোনও খবর যা আমি আদৌ মিস করতে চাই না? কারণ এ খবরে এমন কোনও স্থান, কাল পাত্রের কথা রয়েছে কিংবা এমন কোনও বিষয় যা আমাকে কৌতুহলী করে তোলে। কিংবা এটি কি কোনও কারণে আমার সাথে সামাজিক, ব্যক্তিগত বা পেশাগত ভাবে সম্পৃক্ত?

দুই. খবরটি পড়ার ক্ষেত্রে আমার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ কোনটি?
- আমি কি সবসময় নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আসা খবরটিই পড়তে চাই?
- কোন ধরনের ডিভাইসে আমি খবরটি পড়ছি?
- দিনের কোন সময়টিতে পড়ছি? কোথায় বসে পড়ছি? আর
- এ জন্য আমার কতটুকুই বা সময় রয়েছে?

তিন. এই খবরে কি আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাতে চাই?
- আমি কি অন্যদের সাথে খবরটি শেয়ার করতে চাই?
- আমি কি পরে পড়বো বলে খবরটি সেভ করে রাখতে চাই?
- ঘটনার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে এ নিয়ে লিখতে চাই, মন্তব্য দিতে চাই কিংবা বিতর্ক করতে চাই?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে আপনি মিডিয়া ডায়েট করতে পারবেন। ধরুন, সকালের দিকটাতে আপনি সমসাময়িক কোনও বিষয়ে একটা বিস্তারিত বিশ্লেষণ পড়ে ফেলতে পারেন। কারণ এই সময়টিতে আপনার মনকে দীর্ঘক্ষণ কনটেন্টে আটকে রাখা সহজ। কিন্তু একটু বেলা গড়ালেই আপনি যখন দেখবেন সংবাদমাধ্যম ব্রেকিং নিউজসহ নানা ধরনের খবরাখবর দিচ্ছে তখন সেগুলোতেই টুকটাক চোখ বুলাতে হবে। জেনে রাখতে হবে কোথায় কি ঘটছে। আর বিকেলের দিকে আপনি আর খবর নয়, কিছু হালকা কনটেন্ট পড়তে চাইবেন, তবে নিঃসন্দেহে বড় কোনও আইটেম নয়। আর যদি বড় কিছু পেয়েও যান আর তা যদি হয় মজাদার কোনও কিছু ঠিক তুলে রাখুন একটু রাতের দিকের জন্য, কিংবা পরের দিন সকালের জন্য। তবেই হয়ে গেলো মিডিয়া ডায়েটিং।

এ আমি বলি কি- সারাবাংলা.নেট টাই একটু নিয়মিত পড়ুন। বুকমার্ক করে রাখুন। কিংবা ফলো করুন এর ফেসবুক টুইটারের পাতাগুলো। আপনি মিডিয়া ডায়েট করলে সারাবাংলাই আপনাকে দেবে পরিমিত কনটেন্টের স্বস্তি। যাত্রা শুরুর পর থেকে এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন