বুধবার ২৬ জুন, ২০১৯ ইং , ১২ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২২ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ঈদের সুস্থতায় কী খাবেন আর কী খাবেন না

জুন ৫, ২০১৯ | ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ

শেষ পর্ব

শেষ হল মাহে রমজান। সারাবাংলার পাঠকদের জন্য রোজার মাসজুড়ে সুস্থতার টিপস দিয়েছেন পুষ্টিবিদ আজমেরী রহমান সিন্থীয়া। আজ থাকছে ঈদের দিন ও ঈদের পরে সুস্থ থাকতে করণীয়। 

 

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। এক মাস রোজা রাখার পর আমরা ঈদ উৎসবে তাই অনিয়ন্ত্রিতভাবে খাওয়া দাওয়া করি অনেকসময়। হুট করে বেশি খাবার খেলে অসুস্থ হতে পারেন। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর হঠাৎ করে একদিন বেশি খাবার খাওয়াটা সবার জন্য সহনীয় হয় না। তাই যার যার হজম ক্ষমতা অনুযায়ী খাবার ভিন্ন হতে হবে এই গরমে।

পুষ্টির চাহিদা বয়স, ওজন, উচ্চতা, লিঙ্গ এবং রোগভেদে পরিবর্তন হয়। তাই খাবার দাবারের ব্যাপারে প্রত্যেকের সতর্ক থাকা উচিৎ। আমাদের শারীরিক পুষ্টি চাহিদা অন্যান্য দিনের মত এই দিনও একইরকম থাকবে।

বিজ্ঞাপন

আসুন দেখে নেই ঈদের দিনের খাবার-দাবার কেমন হতে পারে।

ঈদের সকালের নাশতা
সকালে পরিমিত পরিমাণে সেমাই,পায়েস, জর্দা খাওয়া যেতে পারে। সঙ্গে আধা ঘন্টা পর যে কোনো একটি ফল বা ফলের সালাদ খেতে পারেন। যারা ডায়াবেটিক রোগী তারা অতিরিক্ত শর্করা খাবেন না।

ঈদের দিনের দুপুরের খাবার
ঈদের দিন দুপুরে সময়মত খাবার খাওয়া হয়ে ওঠে না। এই ব্যপারে সবারই সচেতন হওয়া উচিৎ। যারা ডায়াবেটিক রোগী, তাদের অবশ্যই সময়মত খাবার খেতে হবে। সবার ক্ষেত্রেই অবশ্য সময় মতো খাবার খাওয়ার বিকল্প নাই। সময়মতো না খেলে অনেক রকমের শারীরিক সমস্যা হতে পারে- গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, মাথাব্যথা, বদহজম ইত্যাদি।

খেয়াল রাখবেন, দুপুরে যেন খুব বেশি তেলযুক্ত খাবার খাওয়া না হয়। ভাত, পোলাও, বিরিয়ানি ইত্যাদি যাই খাওয়া হোক না কেন তা অল্প তেলে রান্না হতে হবে। সাথে মাংস খেলে যে কোনো এক ধরনের খেতে হবে। যেমন, মুরগি, গরু, খাসির মাংসের যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।

সঙ্গে যে কোনো সবজি বা সালাদ অবশ্যই রাখতে হবে। সালাদ এ টক দই ব্যবহার করলে খুবই ভালো হবে।

ঈদের রাতের খাবার
রাতের খাবার ও হালকা হতে হবে। তাই রাতের খাবারের তালিকা এমন রাখতে হবে যেন পেট ভরার সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তিভাবটাও চলে যায়। ভাত অথবা রুটির সঙ্গে যে কোনো একটা তরকারি নিতে হবে। সেটা হতে পারে মাংস অথবা ডালের সঙ্গে সবজি। একটি টক ফল অথবা একটি শশা থাকবে সঙ্গে।

মনে রাখা ভালো
প্রচুর পানি, তাজা ফলের রস বা ডাবের পানি খেতে পারেন। ঈদের দিন বাইরের ফাস্ট ফুড থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

সবশেষে, এই গরমে সবার ঈদ কাটুক অনাবিল আনন্দে। আগামী কোনো পর্বে আপনাদের সাথে আবার আসবো নতুন কোন পরামর্শ নিয়ে। ততদিন ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ কামনা।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

 

সারাবাংলা/আরএফ/ 

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন