বুধবার ২৬ জুন, ২০১৯ ইং , ১২ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২২ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

‘সেদিন দূরে নয়, টাইগাররা ফাইনাল খেলবে এবং জিতবে’

জুন ২, ২০১৯ | ৪:০০ অপরাহ্ণ

‘আমার বিশ্বাস সেদিন খুব দূরে নয় যেদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে এবং জিতবে।’ বেশ আস্থার সাথে কথাটি বললেন গাজী গোলাম মর্তুজা। আরও বললেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম একটি শক্তিশালী দল। সবশেষ ত্রিদেশীয় সিরিজ জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আর সে কারণে লন্ডন বিশ্বকাপেও টাইগারদের বড় অর্জন প্রত্যাশিত।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তার সকল কৌশল দিয়ে সাজিয়েছে টাইগারদের ২০১৯ বিশ্বকাপ মিশন। বিসিবি’র পরিচালক গাজী গোলাম মর্তুজার কণ্ঠে সে কারণেই এই আস্থার প্রকাশ। সারাবাংলা’র সাথে কথপোকথনে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে তার স্বপ্ন ও প্রত্যাশার আরও নানা দিক তুলে ধরলেন এই বিসিবি পরিচালক। দেশের শীর্ষ করদাতাদের মধ্যে সেরাদের সেরা একজন তিনি। রাষ্ট্র তাকে দিচ্ছে দায়িত্বশীল ও অনুগত নাগরিকের মর্যাদা। এছাড়াও তিনি একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক। ক্রীড়া সংগঠক পরিবারেই বেড়ে উঠেছেন। বাবা গোলাম দস্তগীর গাজী , এমপি নিজেও একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক। বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। তারই বড় ছেলে গাজী গোলাম মর্তুজা সফলতার সাথে নিজের দক্ষতার সকল ছাপ রেখে যাচ্ছেন বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির পরিচালক হিসেবে। বয়সভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্ট থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট সবখানেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

গাজী গোলাম মর্তুজার সঙ্গে সারাবাংলার কথপোকথনে উঠে আসে বাংলাদেশের ক্রিকেটের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সিনিয়র নিউজরুম এডিটর সৈকত ভৌমিক।

সারাবাংলা: বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসটা এখন কম দীর্ঘ নয়। উত্থান-পতনের মাঝ দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন নিঃসন্দেহে একটা ভালো সময় পার করছে। দীর্ঘ এই সময়টিতে আপনারা পারিবারিক ভাবেই জড়িত ছিলেন, রয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে। ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই পথ পরিক্রমাকে কিভাবে দেখছেন?

বিজ্ঞাপন

গাজী গোলাম মর্তুজা: ১৯৯৭ সালে কেনিয়াকে হারিয়ে আমরা যখন ১৯৯৯ বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করি তখন আমার বাবা ছিলেন ক্রিকেট বোর্ডের একজন পরিচালক। সেই থেকে শুরু। এরপর থেকেই আমরা হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে এসেছি অনেক দূর। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে আমরা পাকিস্তানকে হারাই। বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাসও পায়। এভাবেই কিন্তু শুরু হয় একটি দেশের ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার গল্প।

মাঝে কিছুটা খারাপ সময় পার করলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দায়িত্ব নেওয়ার পরেই পাল্টে যায় বাংলাদেশের ক্রিকেট।

যে কোনো দেশের জন্য ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পাওয়া একটা বিশাল বিষয়। আমি দেখি নাই কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ম্যাচ জয়ের পরে খেলোয়াড়দের নিজে শুভেচ্ছা জানান। একসঙ্গে খেলোয়াড়দের সঙ্গে বসে এক টেবিলে বসে খাবার খান। ফোনে কথা বলে ওদের দুঃখ-দুর্দশার খবর নেন। চেষ্টা করেন সবসময় তাদের পাশে থাকার। এটা আমাদের একটা বড় পাওয়া। আমার মনে হয় না অন্য কোন দেশে এমনটা হয়। উনি দায়িত্ব নিয়েই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেন মাঠে খেলাধুলাকে ফিরিয়ে আনার।

একজন ভালো অভিভাবক থাকলে যেমন সন্তান সু-মানুষ হয়ে বেড়ে ওঠে, তেমনি একজন ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী এবং পাশাপাশি দক্ষ ও আন্তরিক একজন বোর্ড প্রেসিডেন্ট পাওয়ায় আমাদের ক্রিকেটও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আমার বাবা (গাজী গোলাম দস্তগীর এমপি ও বর্তমান বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী) সব সময়েই চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্যে কাজ করে যেতে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এখনো আমরা কাজ করে যাচ্ছি দেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির জন্য।

সারাবাংলা: বিসিবি’র টুর্নামেন্ট কমিটির একজন পরিচালক হিসেবে নিজের পথচলাকে কিভাবে দেখেন?

গাজী গোলাম মর্তুজা: আমি প্রোফেশনালিজমে বিশ্বাস করি। আর প্ল্যানিং। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া স্থায়ী অগ্রগতি সম্ভব হয় না। বিসিবির সেই প্রোফেশনালিজম আছে। আর দেশের ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আছে পরিকল্পনাও। বিসিবি এখন স্কুল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে বেশ সফলতার সঙ্গে। আজকে যে, মুস্তাফিজ, জায়েদ হাসান রাহীদের মতন তরুণ ক্রিকেটাররা সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি পরে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করছে সেটা ওই পরিকল্পনারই ফসল।

মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক, রিয়াদ, মুস্তাফিজ যারা আজ বিশ্বক্রিকেটের বড় তারকা তারা কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উঠে আসা। যাদের আমরা পেয়েছি বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের খেলা থেকে। বয়সভিত্তিক দলগুলো ছাড়াও প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ ও অন্যান্য টুর্নামেন্ট থেকেও নতুন খেলোয়াড়রা উঠে আসছে। এই তুলে আনতে পারাটাই বিসিবি’র অর্জন।

সারাবাংলা ডট নেট: বিসিবির সহযোগী হিসেবে ক্রিকেটের উন্নয়নে গাজী গ্রুপ সবসময়েই পাশে থাকার চেষ্টা করছে। গাজী গ্রুপের এই ভূমিকা কিভাবে দেখেন?

গাজী গোলাম মর্তুজা: দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে গাজী গ্রুপ সব সময়ই বিসিবি’র পাশে ছিল, আছে, থাকবে। আমরা গাজী গ্রুপ থেকে চেষ্টা করছি তরুণদের সুযোগ দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ উপহার দিতে। যারা আমাদের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ভবিষ্যত ক্রিকেটের হাল ধরবে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি, এই তরুণরাই এদেশের ক্রিকেটের প্রতিনিধিত্ব করেছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রিকেট লিগে গাজী গ্রুপ অংশ নিচ্ছে এটা সবার জানা। বাংলাদেশের প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ যেখান থেকে ক্রিকেটাররা তৈরি হয় সেখানে আমরা অংশ নিয়ে যাচ্ছি নিয়মিত। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বিভাগেও আমাদের দল রয়েছে। সবসময় আমরা একটা নতুন ক্রিকেটার, একটা নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন উপহার দেয়ার চেষ্টা করি বাংলাদেশকে। জাতির আশা পূরণ করার চেষ্টা করি।

আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন যে উন্নয়নের ধারায় রয়েছে তার ভবিষ্যৎ পথচলা নিশ্চিত করার জন্যে কাজ করে যেতে। এটাও কিন্তু ‘বিল্ডিং দ্য নেশন’রই অংশ।

সারাবাংলা: ‘গাজী টায়ার্স ক্রিকেটার্স হান্ট কর্মসূচি’ নিঃসন্দেহে এই উদ্যোগের অন্যতম দিক। এই উদ্যোগটি নিয়ে শুনতে চাই।

গাজী গোলাম মর্তুজা: ‘গাজী টায়ার্স ক্রিকেটার্স হান্ট কর্মসূচি’তে আমরা চেষ্টা করেছি সমগ্র বাংলাদেশ থেকে তরুণ প্রতিভাদের তুলে আনার। দেশের আনাচে কানাচে থেকে ক্রিকেটার খুঁজে বের করে আমরা তাদের সুযোগ করে দিচ্ছি বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রিকেট লীগে খেলার জন্য।

এই কর্মসূচিতে আমাদের মূল লক্ষ্যই ছিল, আমরা সাধারণ কোনো ক্রিকেটারের পেছনে ছুটবো না। যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কঠোর পরিশ্রম করতে পারে আমরা তাদের নিয়ে কাজ করবো, তাদের সঠিক পথ দেখাবো। কোনো কোচ খেলোয়াড় তৈরি করে দিতে পারে না। স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি পরিশ্রম করে যেতে হয়। সাকিব-তামিম যারা জাতীয় দলে এখন খেলছে এদের সবার স্বপ্ন ছিল। তারা সবাই পরিশ্রম করেই কিন্তু আজকের এই অবস্থানে।

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সেও আমরা চেষ্টা করি তরুণদের সুযোগ করে দিতে। যেটা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সারাবাংলা: টুর্নামেন্ট কমিটির পরিচালক হিসেবে সফলভাবেই আয়োজন করে আসছেন বিভিন্ন টুর্নামেন্ট। ঘরোয়া পর্যায়ের বিভিন্ন টুর্নামেন্টও সফলভাবেই শুরু ও শেষ হচ্ছে। বিপিএল দর্শকদের মাঝে জনপ্রিয়তা পেলেও অন্যান্য ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট গুলোতে দর্শক উপস্থিতি সন্তোষজনক না। এই ক্ষেত্রে আপনার কোন সমস্যাটা প্রধান বলে মনে হচ্ছে?

গাজী গোলাম মর্তুজা: দর্শক জনপ্রিয়তার দিক থেকে বাংলাদেশে ক্রিকেট এখন সবচাইতে জনপ্রিয় একটি খেলা। এটা নিয়ে কারও কোনো সন্দেহ নাই। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে আমরা কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি যা আশা করছি খুব দ্রুতই সমাধান হয়ে যাবে। আমাদের মাঠের কিছু সমস্যা আছে। আমরা এখনো হোম এন্ড এওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ পরিচালনা করতে পারছি না। প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডের কিছু সমস্যা আছে। ঢাকায় মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেট গ্রাউন্ড বাদ দিলে আমাদের আর একটি মাত্র স্টেডিয়াম আছে ফতুল্লায়। কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে সেখানে ম্যাচ আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতীকী মূল্যে একটি স্টেডিয়ামের জায়গা দিয়েছেন পূর্বাচলে। সেখানে একটি স্টেডিয়ামও সহ অ্যাকাডেমিও থাকবে। থাকবে আন্তর্জাতিক মানের প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডও। আশা করছি স্টেডিয়ামটির কাজ শেষ হওয়ার পরে খুব দ্রুতই আমরা সেখানে খেলা আয়োজন করতে পারবো।

এই মাঠ স্বল্পতার কারণে আমাদের এখন ম্যাচ আয়োজন করতে হচ্ছে বিকেএসপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের মাঠের মতন মাঠগুলো ভাড়ায় নিয়ে। দর্শকদের যেখানে যাতায়াতটা একটা বিড়ম্বনা হয়ে যায় প্রায়শঃই। আশা করছি পূর্বাচলের স্টেডিয়ামটির কাজ শেষ হলে ঘরোয়া লিগেও আমরা দর্শক ফিরে পাবো।

সারাবাংলা: বিশ্বকাপ ২০১৯ বিশ্বকাপে আপনার ফেভারিট দল কোনটি?

গাজী গোলাম মর্তুজা: অবশ্যই বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম একটি শক্তিশালী দল। সম্প্রতি ত্রিদেশীয় সিরিজ জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গেলেই বলতে হয়- আমার বিশ্বাস সেদিন খুব দূরে নয় যেদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে এবং জিতবে।

বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতবেই এমন কথা বলে আমি চাই না খেলোয়াড়দের উপরে বাড়তি চাপ ফেলে দিতে। তবে আমি বিশ্বাস করি আমাদের দলের মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক, রিয়াদ সহ সকল খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের উপর। আমরা যদি ম্যাচ বাই ম্যাচ পারফর্ম করে এগিয়ে যেতে পারি তবে নিশ্চিতভাবে আমরা ফাইনালেও খেলবো।

সারাবাংলা: ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলছে একটি শক্তিশালী দলের তকমা লাগিয়ে। আপনার কি মনে হয় এটা কোনো বাড়তি চাপ হতে পারে খেলোয়াড়দের জন্য?

গাজী গোলাম মর্তুজা: দেখুন আগেই বলেছি আমাদের খেলোয়াড়রা এখন প্রফেশনাল ক্রিকেট খেলে। খেলোয়াড়েরা সবাই দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেই খেলে। এই ক্ষেত্রে উনারা সবাই জানেন উনাদের করণীয় সম্পর্কে। আর এভাবেই তারা এখন শক্তিশালী একটি দল। তাই আমার মনে হয় না এটা বাড়তি কোনো চাপ হবে খেলোয়াড়দের জন্য। উনারা মাঠের খেলা নিয়েই ভাবেন বেশী আর তাই চাপ মনে করার সুযোগ নেই।

সারাবাংলা: ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দর্শকেরা নিজ দেশকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখতে চায়। এটা কি কোনো বাড়তি চাপ মনে করছেন?

গাজী গোলাম মর্তুজা: খেলোয়াড়েরা নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে খেলে যাবেন ভালো কিছু করার জন্যেই যা উনারা সবসময়েই করেন। আর এই কারণেই দর্শকদের চাহিদা বেড়ে গেছে। তবে আমার মনে হয় এই ক্ষেত্রে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো খেলে এগিয়ে যেতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে আমাদের দুর্বলতা আছে যেগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে। সব মিলিয়ে আমরা আশা করছি বাংলাদেশ ভালো খেলবে। দর্শকরাও এটা জানেন। আর তাই আমরা বাস্তবতার নিরিখেই আমাদের প্রত্যাশা করবো বিশ্বকাপ নিয়ে এটাই প্রত্যাশা।

সারাবাংলা/এসবি/এমএম 

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন