সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বাবার পাশেই অন্তিম শয়ানে মমতাজউদদীন আহমদ

জুন ৩, ২০১৯ | ১০:৩৫ অপরাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

অন্তিম শয়ানে শায়িত হলেন দেশ বরেণ্য নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা মমতাজউদদীন আহমদ। ছিলেন শিক্ষাবিদ ও অধ্যাপক। ইচ্ছা ছিল বাবার পাশেই হবে তার শেষ ঠিকানা। তাই হলো।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৩ জুন) রাত সাড়ে এগারোটায় চাপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে বাবার কবরের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়। তারাবির নামাজ শেষে সেখানকার সবজা মাধ্যমিক স্কুলে হয় মমতাজউদদীনের তৃতীয় নামাজে জানাজা।

বিষয়গুলো সারাবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত মমতাজউদদীনের ভাগিনা শাহরিয়ার মাহমুদ প্রিন্স।

রোববার (২ জুন) রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে মারা যান মমতাজউদদীন আহমদ। তার প্রথম নামাজে জানাজা হয় একই দিন বাদ এশা। পরদিন অর্থাৎ সোমবার (৩ জুন) সকাল দশটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় নামাজে জানাজা।

সেখান থেকে মমতাজউদদীনের মরদেহ নিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন পরিবারের সদস্যরা। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেখানে পৌঁছান তারা।

বিজ্ঞাপন

নানা সৃজনশীল গুণে গুণান্বিত অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ একজন ভাষাসৈনিকও। বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম এই পথিকৃৎ ১৯৯৭ সালে নাট্যকার হিসেবে একুশে পদক পান। এক অঙ্কের নাটক লেখায় বিশেষ পারদর্শিতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন তিনি। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি কলেজে ৩২ বছর বাংলা ভাষা সাহিত্য এবং বাংলা ও ইউরোপীয় নাট্য বিষয়ে শিক্ষকতা করেন। তিনি ১৯৭৬-৭৮ সাল পর্যন্ত জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়নে একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৭-৮০ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ছিলেন।দেশের অন্যতম নাট্যদল থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা মমতাজউদদীন আহমদ।

মমতাজউদদীন আহমদ ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

সারাবাংলা/পিএ/এএসজি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন