সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ডাচবাংলার আরও নয়টি বুথ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়েছে হ্যাকার চক্র

জুন ১০, ২০১৯ | ২:৪০ পূর্বাহ্ণ

উজ্জল জিসান, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বেসরকারি ব্যাংক ডাচবাংলার আরও নয়টি এটিএম বুথ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বিদেশি হ্যাকার চক্র। গোয়েন্দা পুলিশের কাছে রিমান্ডে থাকা হ্যাকার চক্রের সদস্যরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৯ জুন) রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সারাবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

ডিবি কর্মকর্তারা জানান, হ্যাকার চক্রের সদস্যরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাচবাংলার বাড্ডা এলাকার বুথ বাদে অন্যান্য আরও নয়টি বুথ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করেছে। এর আগে ধরা পড়া হ্যাকার সদস্যদের এই গ্রুপটি গত ৩০ মে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। ১ জুন খিলগাঁওয়ের তালতলায় ডাচবাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে টাকা তুলতে গিয়ে চক্রের একজন ধরা পড়ে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পান্থপথ অলিও হোটেল থেকে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।

গোয়ন্দাদের ধারনা, হ্যাকার চক্রের সদস্যরা ডাচবাংলা ব্যাংক ছাড়াও অন্যান্য ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকতে পারে। যদিও অন্য কোন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত টাকা খোয়া যাওয়ার ব্যাপারে কোন অভিযোগ করেনি। তবে গ্রাহকরা আতঙ্কগ্রস্থ হতে পারে এমন ধারনা থেকেও ব্যাংকগুলো মুখ নাও খুলতে পারে বলে মন্তব্য করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

তাছাড়া ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়া ইউক্রেনীয় নাগরিকদের হ্যাকার চক্রটি ছাড়াও অন্যান্য আরও চক্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন গোয়েন্দারা।

বিজ্ঞাপন

হ্যাকাররা বাংলাদেশকে কেন টার্গেট করলো এমন প্রশ্নের জবাবে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা সারাবাংলাকে বলেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো অনেক দুর্বল। দেশের ব্যাংকগুলোতে কোন আপডেটেড প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে না, তাই অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশকে টার্গেট করে সহজেই টাকা হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি পূর্ব) অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমান বলেন, হ্যাকারদের হাত থেকে এটিএম বুথগুলোকে রক্ষা করতে ডিএমপির, সাইবার ইউনিট, ডিবি, সিআইডি, বুয়েট, ঢাবি, আইটি বিশেষজ্ঞ ও ব্যাংকগুলোর এক্সপার্টদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এছাড়া যে হ্যাকার সদস্য পলাতক রয়েছে তাকে ধরতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে ও ইমিগ্রেশন পয়েন্টে পলাতক হ্যাকারের পাসপোর্টের কপিও দেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা/ইউজে/ওএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন