শনিবার ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ২ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

বিএসএমএমইউ’র ‘বিতর্কিত’ সেই মৌখিক পরীক্ষা শুরু

জুন ১০, ২০১৯ | ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নানা ঘটনার পর শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মেডিকেল অফিসার পদের মৌখিক পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া চাকরিপ্রার্থীদের এই মৌখিক পরীক্ষা চলবে ৮ জুলাই পর্যন্ত।

সোমবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিএসএমএমইউ এর উপাচার্যের কার্যালয়ে এই মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়।

২০০টি মেডিকেল অফিসারের পদে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় বিএসএমএইউ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১৮০ জন এমবিবিএস ও ২০ জন বিডিএস চিকিৎসক চাওয়া হয়। প্রথম দফায় নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও সেটি পিছিয়ে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পরীক্ষার দিন ঠিক করা হয়। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রশ্নপত্রও ছাপানো হয়। কিন্তু অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাপা হওয়ার দেড় বছর পর গত ২২ মার্চ সেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

তবে এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ সংশ্লিষ্টদের স্বজনপ্রীতিসহ ছয়টি সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগ আনেন নিয়োগ প্রত্যাশী চিকিৎসকরা। তারা নিয়োগ পরীক্ষার ফল বাতিল করে পুনঃনিরীক্ষণের দাবিও জানান। ফল বাতিলে কয়েকজন পরীক্ষার্থী উচ্চ আদালতে রিটও করেন।

বিজ্ঞাপন

সকালে বিএসএমএমইউ উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া সারাবাংলাকে বলেন, উচ্চ আদালত যদি নির্দেশ দেন তাহলে মৌখিক পরীক্ষা বন্ধ বা বাতিল করা হবে। তা না হওয়া পর্যন্ত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা চলবে।

বিএসএমএমইউ’র ‘বিতর্কিত’ সেই মৌখিক পরীক্ষা শুরু

অন্যদিকে পরীক্ষার ফল বাতিল করে পুনঃনিরীক্ষণের দাবিতে গত ১২ মে থেকে বিএসএমএমইউ ক্যাম্পাসে টানা আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। সবশেষ রোববার (৯ জুন) আন্দোলনকারীদের পুলিশ মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। শুরুতে বেলা ১১টার দিকে তারা উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়ার কক্ষে তার সঙ্গে দেখা করতে যান। তবে সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা চিকিৎসকদের বাধা দেন। তা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে অনড় থাকলে একপর্যায়ে আনসার সদস্যরা তাদের মারধর করেন, ধাক্কাধাক্কি করে বের করে দেন।

এ ঘটনায় তিন থেকে চার জন চিকিৎসক গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে একজনের হাত ভেঙে গেছে বলেও জানা গেছে। আহতদের তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পরে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবারও অনশন শুরু করেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। তবে সেখান থেকেও পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

সারাবাংলা/জেএ/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন