সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বাজেট ২০১৯-২০: এক ঘণ্টায় বক্তৃতা শেষ করবেন অর্থমন্ত্রী

জুন ১৩, ২০১৯ | ৮:০০ পূর্বাহ্ণ

হাসান আজাদ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামের এবারের বাজেট বক্তৃতা ছোট হবে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাজেট বক্তৃতা শেষ করবেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট উত্থাপনের দিন বক্তৃতাসহ ১২টি বাজেট বই সংসদ সদস্যের হাতে দেওয়া হবে। তবে ইংরেজি-বাংলা মিলিয়ে বাজেট বইয়ের সংখ্যা ২৬টির মতো হতে পারে। অর্থমন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে সংসদে উত্থাপন করতে যাওয়া বাজেট বক্তৃতার মূল পৃষ্ঠা সংখ্যা হবে ৫০। এর প্রায় ৪০ পৃষ্ঠাজুড়ে থাকবে বাজেটে পরিসংখ্যান এবং সরকারের নানা আর্থসামাজিক উন্নয়নের ফিরিস্তি। বাকি ১০ পৃষ্ঠায় থাকবে রাজস্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়। বাজেট বক্তৃতা ছোট হলেও আগামী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় মাল্টিমিডিয়া প্রজেকশনের মাধ্যমে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থসামাজিক বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হবে।

নতুন বাজেটে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ধরা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ ৫ দশমিক ৫ শতাংশে আটকে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিশাল এই বাজেট ব্যয় নির্বাহের জন্য শুধু ব্যাংকিং খাত থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর সঞ্চয়পত্র থেকে ধার নেওয়া হবে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।

আগামী বাজেটে রাজস্ব আয় ও ভ্যাটের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। নতুন করে প্রায় এক কোটি মানুষকে করের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন করদাতা খুঁজে বের করার জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে ১০ হাজার কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, রাজস্ব আদায় বাড়াতে আগামী বাজেটে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থার পদ্ধতি সহজ ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাক্ষমতা কমিয়ে আনাসহ চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ ছাড়া ‘ভ্যাট অনলাইন প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ ও প্রকল্পের আওতায় অনলাইনে ভ্যাট দাখিলপত্র প্রদান, ভ্যাট অনলাইন সার্ভিস সেন্টার স্থাপন, ই-লার্নিং ও ভ্যাট হেল্প লাইন চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ১৬৫৫৫ নম্বরে ফোন দিলে ভ্যাটবিষয়ক যেকোনো তথ্য বা প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে। নতুন অর্থবছরের শুরু থেকে পাঁচ স্তরের ভ্যাট নেয়া হবে। এই স্তরগুলো হচ্ছে, ২, ৫, সাড়ে ৭, ১০ ও ১৫ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর, ব্যাংক, পুঁজিবাজার, সঞ্চয়পত্র ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সংস্কারসহ বেশ কিছু সুপারিশ থাকছে। সেই সঙ্গে থাকছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ঘোষণা। প্রথমবারের মতো বাজেটে থাকছে শিক্ষিত বেকারদের জন্য ঋণ তহবিল (স্টার্টআপ ফান্ড)। এই তহবিল থেকে স্বল্পসুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে পারবে বেকাররা। এছাড়াও, কৃষকের জন্য পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু করা হবে শস্যবীমা। প্রাথমিকভাবে একটি জেলাকে শস্যবীমার জন্য বেছে নেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে এটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

করের বোঝা নয় আওতা বাড়ছে: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে জনগণের ওপর করের বোঝা না চাপিয়ে করের আওতা বাড়ানো হচ্ছে। সেজন্য নতুন করে ৮০ লাখ করদাতা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হবে। বর্তমানে কর দিচ্ছে দেশে এমন লোকের সংখ্যা ২০ লাখ। ফলে, করের আওতায় এক কোটি লোককে আনা হবে। করের আওতা বাড়াতে সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ হাট-বাজারের করযোগ্য ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে এর আওতা বাড়ানো হবে। এছাড়া, দেশব্যাপী করযোগ্য হলেও যারা তারা কর দিচ্ছেন না, তাদের শনাক্ত করে করের আওতায় আনা হবে।

প্রবাসীদের বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ: এবারের বাজেটে আরেকটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেটি হলোপ্রবাসীদের জন্য বীমা সুবিধা। বর্তমানে বিদেশে প্রায় এক কোটি প্রবাসী রয়েছে। এছাড়াও, প্রতিবছর নতুন করে ৮ থেকে ৯ লাখ মানুষ বিদেশে যাচ্ছে। এদের বীমার আওতায় আনা হবে। এসব প্রবাসীরা বিদেশে গিয়ে নানা ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন, নানা ধরনের প্রতারণা শিকার হয়ে দেশে আসছেন। বিভিন্ন ঝুঁকির কারণে তাদের বীমার আওতায় আনা হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও আমার গ্রাম আমার শহর: আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালনের বিশেষ দিকনির্দেশনা থাকছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। এরই মধ্যে সরকার ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত বছরব্যাপী ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৭ মার্চের আগে এটি শেষ বাজেট হওয়ায় এই বাজেটে বেশকিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে, যেন বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী যথাযথভাবে পালন করা যায়।

এছাড়া আগামী বাজেটে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ নামে আরেকটি নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী বাজেটে গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের আওতায় গ্রামে ইন্টারনেট, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নানা ধরনের নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আগামী অর্থবছরে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাড়ছে সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতা: আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে প্রায় ১৩ লাখ গরিব মানুষকে নতুনভাবে এ সুরক্ষার আওতায় আনা হচ্ছে। এতে সুবিধা পাবেন প্রায় ৮৯ লাখ গরিব মানুষ। চলতি অর্থবছরে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় রয়েছে ৭৬ লাখ মানুষ। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাজেটে ৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে নতুন করে বয়স্ক ভাতা পাবেন চার লাখ, বিধবা ভাতা পাবেন তিন লাখ মানুষ, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা দেওয়া হবে পাঁচ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে। অন্যদিকে, দরিদ্র মায়ের মাতৃত্বকালীন ভাতা ৭০ হাজার, কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মায়ের ভাতাভোগী ২৫ হাজার, জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১০ হাজার চা-শ্রমিক এবং অন্যান্য সুবিধাভোগী থাকবে আরও ১৫ হাজার মানুষ।

ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর সীমা ও করপোরেট কর অপরিবর্তিত থাকছে: বর্তমানে ব্যক্তিশ্রেণীর আয়কর সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থ্যাৎ কোনো ব্যক্তি বছরে এই পরিমাণ অর্থ আয় করলে তাকে কোনো আয়কর দিতে হয় না। গত চার বছর ধরে ব্যক্তি আয়কর সীমা একই আছে। আগামী অর্থবছরেও তা অপরিবর্তিত থাকছে। অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরে করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমানো হয়েছে। আগামী অর্থবছরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকা বহির্ভূত করপোরেট কর আড়াই থেকে ৫ শতাংশ কমানোর জন্য ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। তবে, আগামী বাজেটে করপোরেট কর অপরিবর্তিত থাকছে বলেই জানা গেছে।

বাজেটের আয়-ব্যয়: প্রস্তাবিত বাজেটের চূড়ান্ত আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা বৈদেশিক অনুদানসহ আয় হবে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আয় ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১১ শতাংশ। এনবিআর বহির্ভূত রাজস্ব আয় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ শতাংশ। আর কর বর্হিভূত রাজস্ব আয় ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা।

এদিকে, বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা, উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ২ লাখ দুই হাজার ৭২১ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়াও, ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৫৭ হাজার ৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধে ৫২ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা এবং বিদেশ থেকে নেওয়া ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা।

বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ: আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ (অনুদানসহ) ১ লাখ ৪১ হাজার ২১২ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান বাদে ঘাটতির পরিমাণ ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। মোট ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ ২৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং তা জিডিপির ৫ শতাশের মধ্যেই থাকছে। এই ঘাটতি মোকাবিলায় বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। ২৭ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে এবং অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা।

অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয় ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা। ফলে, আগামী অর্থবছরে ঋণের পরিমাণ বাড়ছে ৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। আর সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে নেওয়া হয় ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

আগামী বাজেটে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি: আগামী বাজেটে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ধরা হয়েছে। চলতি অর্থবছর ধরা হয় ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। এছাড়া, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম কম থাকবে। ফলে, অন্যান্য পণ্যের দাম কিছুটা নিম্নমুখী থাকবে। এদিক বিবেচনায় নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন-

বাজেটে ‘চাহিদা নেই’ কৃষি মন্ত্রণালয়ের!

বাজেটের আকার বাড়ছে, বাড়ছে ঘাটতিও

বাজেটে ভর্তুকি বাড়ছে বিদ্যুতে, কমছে খাদ্যে

৪৮ বছরে বাজেটের আকার বেড়েছে ৬৬৬ গুণ

বাজেট ২০১৯-২০: ৫ স্তরে ভ্যাট কাটবে সরকার

বাজেটের আকার বাড়লেও সংক্ষিপ্ত হচ্ছে বক্তৃতা

বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়াতে দুই শতাংশ ভর্তুকি

বাজেট বাড়লেও কমেছে ধারাবাহিক বাস্তবায়নের হার

আসন্ন বাজেটে ঘাটতি এক লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা

রাইড শেয়ারিং থেকে কর কাটা হবে বাড়তি এক শতাংশ

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ

সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ঢুকছে আরও ১৩ লাখ মানুষ

ঋণের সুদ পরিশোধে বাজেটে বরাদ্দ ৬০ হাজার কোটি টাকা

বাজেটে ৩ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণে দেড় হাজার কোটি টাকা থাকছে বাজেটে

সারাবাংলা/এইচএ/জেএএম

Advertisement
বিজ্ঞাপন

Tags: , , , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন