শনিবার ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ২ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

‘শাসন ঘর থেকেই করতে হবে, আমিও তাই করছি’

জুন ১২, ২০১৯ | ৮:২৮ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে দলের কারও জন্যও কোনো ধরনের ছাড় নেই বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানের কথা ফের তুলে ধরে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে আমাদের দলেরও কেউ যদি জড়িত থাকে, আমি তাদেরকেও ছাড় দিচ্ছি না, ছাড় দেবো না। আর অন্য কেউ যদি করে, তারা তো ছাড় পাবেই না। শাসন ঘর থেকেই করতে হবে, আমিও তাই করছি।’

আরও পড়ুন- ‘ঘুষ যে নেবে, ঘুষ যে দেবে— দু’জনকেই ধরা হবে’

বুধবার (১২ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন পরিচালিত হয়।

বিজ্ঞাপন

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য বেগম রওশন আরা মান্নানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার টানা তৃতীয়বার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের জনগণের কল্যাণে এবং দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন- ‘কিছু জায়গায় হাত দিলে যারা ধরতে যায়, তারাই অপরাধী হয়ে যায়’

এ ক্ষেত্রে কারও জন্যই কোনো ধরনের ছাড় নেই জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতিতে জড়িয়ে থাকলে কারও জন্যই ছাড় নেই। দলের তো বটেই, এমনকি আইনশৃঙ্খলা সংস্থার কেউ যদি এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং এটা অব্যাহত থাকবে। কারণ এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে, লিখিত প্রশ্নের জবাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসঙ্গে সংসদ নেতা বলেন, দুদক আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন ও স্বশাসিত সংস্থা। কমিশন নিরপেক্ষভাবে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত করে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের পরিচালিত অভিযানের ফলে বিভিন্ন দফতরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতির প্রবণতা কমে আসছে।

দুদককে শক্তিশালী করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমনে আলাদা কোনো সংস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাডার থেকে প্রয়োজনীয় জনবল প্রেষণে দুদকে পদায়ন করা হচ্ছে। এটি স্বাধীন সংস্থা। বিভিন্ন এলিট ফোর্স থেকে লোকবল নিয়ে দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে নতুন সংস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নেই।

সারাবাংলা/এনআর/এএইচএইচ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন