বৃহস্পতিবার ২০ জুন, ২০১৯ ইং , ৬ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

বিএসএমএমইউয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন এমপি আব্দুল আজিজ

জুন ১২, ২০১৯ | ৯:২১ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সিন্ডিকেট সদস্য হলেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুল আজিজ। এর আগে তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক ছিলেন।

বুধবার (১২ জুন) বিএসএমএমইউয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গতকাল সংসদ সদস্য ডা. আব্দুল আজিজকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। বুধবার তার নাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে সিন্ডিকেটের ২৭ জন সদস্য ছিলেন। নতুন করে ডা. আব্দুল আজিজকেই সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনিসহ বর্তমানে ২৮ জন বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য হলেন।

সিন্ডিকেট সদস্য হওয়ার খবর নিশ্চিত করে সংসদ সদস্য ডা. আব্দুল আজিজ তার প্রতিক্রিয়ায় সারাবাংলাকে বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার আমাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন, এজন্য আমি আনন্দিত ও গর্বিত যে এরকম একটি পোস্টে যেতে পারছি। বঙ্গবন্ধু এই মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রথম ও সবচেয়ে ভালো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং এইরকম একটি প্রতিষ্ঠানের সিন্ডিকেট সদস্য হতে পারায় স্পিকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন অবশ্যই তার উদ্দেশ্য সফল করার জন্য আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করব।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. আব্দুল আজিজ সিরাজগঞ্জ-৩ আসন (তারাষ-রায়গঞ্জ-সলঙ্গা) থেকে নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সপ্তাহে কমপক্ষে দুদিন নিজ এলাকায় গিয়ে রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। তারাষ-রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা এলাকার যেখানেই রোগী পান সেখানেই ডা. আব্দুল আজিজ চিকিৎসাসেবা শুরু করেন। এজন্য তিনি তার এলাকায় মানবতার ডাক্তার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

রায়গঞ্জের বাসিন্দা আব্দুল বাসেত মজুমদার সারাবাংলাকে বলেন, ‘আর কোনো ডাক্তারকে নিজ এলাকায় এসে এরকম চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথা শুনিনি। একমাত্র ডা. আব্দুল আজিজ গরীব রোগীদের বিনামূলে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। ঢাকাতে রোগী নিয়ে গেলেও পরামর্শ ও সঙ্গে থাকার চেষ্টা করছেন।’

ডা. আব্দুল আজিজ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এমবিবিএস পাস করেন। মেডিকেলে পড়া অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে তিনি ছাত্রলীগে যোগ দেন।

সবশেষ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও পরে আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ঢাকা শিশু হাসপাতালে উপপরিচালক থাকার পর তিনি পরিচালক হন। সেখান থেকে গত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাকে মনোনয়ন দেন।

সারাবাংলা/ইউজে/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন