শুক্রবার ২১ জুন, ২০১৯ ইং , ৭ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

পোশাক খাতে বাড়তি প্রণোদনা ২ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা

জুন ১৩, ২০১৯ | ৫:২৫ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তৈরি পোশাক রফতানির সবক্ষেত্রে নগদ প্রণোদনা এক শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে তৈরি পোশাকখাতে অতিরিক্ত ২ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা প্রণোদনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ মে) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেটে এ প্রস্তাব দেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘তৈরি পোশাক রফতানিতে পৃথিবীতে আমরা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছি; যা বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে একটি বিকাশমান ও সম্ভাবনাময় খাত। এ বিবেচনায় আমাদের সরকার এই খাতটির জন্য বিদ্যমান নগদ প্রণোদনাসহ সবধরনের সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে তৈরি পোশাক রফতানির চারটি খাতে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। তৈরি পোশাক রফতানি বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে অবশিষ্ট সকল খাতে ১ শতাংশ হারে রফতানি প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব করছি। এ খাতে বাজেটে অতিরিক্ত ২ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হবে।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তৈরি পোশাকশিল্পে আয়করের হার ১২ শতাংশ। তবে গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশন থাকলে এ হার ১০ শতাংশ। এছাড়া টেক্সটাইল খাতে আয়করের হার ১৫ শতাংশ। এ খাত দুটি অনেক বছর ধরে হ্রাসকৃত করহার সুবিধা ভোগ করছে। এ বছর ৩০ জুন এই সুবিধার মেয়াদ শেষ হবে। দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ করে রফতানি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই খাত দুটির অবদান বিবেচেনায় আমি হ্রাসকৃত করহারের এ সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।’

বিজ্ঞাপন

প্রণোদনার বর্তমান শর্তানুযায়ী, দেশে উৎপাদিত কাপড় ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রফতানি করলে দেশে যে আয় আসবে তার ওপর ৪ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়। তবে বিদেশ থেকে কাপড় এনে পোশাক তৈরি করে রফতানি করলে কোনো প্রণোদনা পান না উদ্যোক্তারা। তবে নতুন বাজারের জন্য একইহারে প্রণোদনা দেওয়া হয়। এর বাইরে ইউরোপের বাজারে দেশীয় কাপড় ব্যবহারের শর্তে পোশাক বানিয়ে রফতানি করলে ২ শতাংশ প্রণোদনা পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন বাজেটে শর্ত বহাল রেখে সবক্ষেত্রে এখন যা আছে তার চেয়ে ১ শতাংশ বাড়তি প্রণোদনা দেওয়া হবে।

সারাবাংলা/ইএইচটি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন