মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ৩০ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘বেশি চিনি খেলে ডায়াবেটিস হয়, তাই চিনি আমদানিতে শুল্ক’

জুন ১৪, ২০১৯ | ৪:২৩ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চিনি আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরদিন বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খানিকটা রসিকতা করেই বললেন, চিনি খেলে ডায়াবেটিস হতে পারে বিধায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। অসুস্থতার কারণে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেননি অর্থমন্ত্রী। ফলে এই প্রথমবারের মতো কোনো বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলন করছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি মঞ্চে ডেকে নিয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে।

সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্যে বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। একে একে প্রতিটি খাত নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা, উদ্যোগ ও বাজেটে খাতগুলোর বরাদ্দ তুলে ধরেন তিনি।

বিভিন্ন পণ্যে শুল্ক হার পুননির্ধারণের অংশে এসে প্রধানমন্ত্রী চিনি শিল্পের অংশটি পাঠ করে শোনান। বাজেটে চিনি আমদানিতে র-সুগারের ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টন ২ হাজার টাকা ও রিফাইন্ড সুগারের ক্ষেত্রে সাড়ে ৪ হাজার টাকা হারে স্পেসিফিক ডিউটিসহ ২০ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি বিদ্যমান রয়েছে। স্থানীয় চিনি শিল্পের সুরক্ষায় আমদানি করা র-সুগারের স্পেসিফিক ডিউটি ২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা এবং রিফাইন্ড সুগারের স্পেসিফিক ডিউটি সাড়ে ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। দুই ধরনের সুগারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এই অংশটি পাঠ করে প্রধানমন্ত্রী হাসতে হাসতে বলে ওঠেন, চিনি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়। তাই এই ব্যবস্থা।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। মূল বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ।

সারাবাংলা/জিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন