শুক্রবার ১৯ জুলাই, ২০১৯ ইং , ৪ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

‘অপ্রদর্শিত অর্থ পাচার না করে বিনিয়োগ করুন, প্রশ্ন করব না’

জুন ১৪, ২০১৯ | ৫:১৩ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অপ্রদর্শিত অর্থ দেশের বাইরে পাচার না করে দেশে বিনিয়োগ করা হলে কোনো প্রশ্ন করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভবিষ্যতেও যেন এ বিষয়ে তাদের প্রশ্ন করা না হয়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশ থেকে অর্থ পাচার ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, অর্থপাচার ঠেকাতে আলাদা কমিটি আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, দুদক, অ্যাটর্নি জেনারেলে কার্যালয়— সবাইকে মিলিয়েই কমিটি আছে। আন্তর্জাতিক কমিটিও আছে। সবাই মিলে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে অর্থপাচার যেখানেই হচ্ছে, ধরা পড়ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন- মিডিয়া মালিকদের খেলাপি ঋণের হিসাব কষতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

দেশ থেকে যেন অর্থ পাচার হয়ে না যায়, সে কারণে অপ্রদর্শিত অর্থ প্রদর্শনের সুযোগও দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই অপ্রদর্শিত অর্থ পাচার করতে চায়। এটা বন্ধ করার জন্যই বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এটা আমরাই কেবল নই, এর আগের সব সরকারই এই সুযোগ দিয়েছে। আমরাও এর আগে এই সুযোগ দিয়েছি। এখনো দিচ্ছি। মাঝে মাঝে সেই সুযোগ বন্ধও করেছি। তবে কালো টাকার স্তূপ যেন গড়ে না ওঠে, তাই এই টাকা প্রদর্শন করার সুযোগও করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, অপ্রদর্শিত টাকা যেন বিনিয়োগ করার সুযোগ থাকে, তাই আমরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করে দিয়েছি। চাইলে সেখানে বিনিয়োগ করার সুযোগ থাকবে। তবে সেখানে বিনিয়োগ করতে চাইলেও সুনির্দিষ্ট হারে চার্জ বা সুদ দিতে হবে। এই সুনির্দিষ্ট হারের অতিরিক্ত চার্জ বা ফি জমা দিয়েই কালো টাকার মালিকেরা বিনিয়োগ করতে পারবেন। আর এই ধরনের বিনিয়োগ করলে তাকে আর প্রশ্ন করা হবে না। ভবিষ্যতে যেন এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না করা হয়, সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

সারাবাংলা/জিএস/টিআর/জেএএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন