বুধবার ১৭ জুলাই, ২০১৯ ইং , ২ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

ছেলের খেলা দেখতে ইংল্যান্ডে সাকিবের বাবা-মা

জুন ২০, ২০১৯ | ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বকাপ ডেস্ক

দ্বাদশ বিশ্বকাপের আসরটা সাকিব আল হাসানের টানা চতুর্থ বিশ্বকাপ। টানা তৃতীয়বার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তকমা লাগিয়ে খেলছেন বিশ্বমঞ্চে। এই কীর্তি ক্রিকেটের ইতিহাসে নেই অন্য কারও। এখন পর্যন্ত যত ম্যাচে খেলতে নেমেছেন সবগুলোতেই আলো ছড়িয়েছেন ব্যাট-বলে। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকাতেও উঠে গেছেন শীর্ষে। চার ম্যাচে দুটি ফিফটি প্লাস ইনিংসের পাশাপাশি দুটি সেঞ্চুরি জমেছে সাকিবের নামের পাশে।

কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের আস্থার প্রতিদান দেওয়া সাকিবের খেলা দেখতে ইংল্যান্ডের মাটিতে ছুটে গেছেন তার বাবা মাশরুর রেজা কুটিল ও মা শিরিন রেজা। এরই মধ্যে তারা নটিংহ্যামে পৌঁছে গেছেন। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা। মাঠে বসেই ছেলের পারফরম্যান্স দেখবেন সাকিবের বাবা-মা।

ওভাল, কার্ডিফ, ব্রিস্টল আর টন্টনে খেলেছে বাংলাদেশ। সাকিবের পাশেই ছিলেন তার স্ত্রী শিশির ও মেয়ে আলাইনা। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন সাকিবের বাবা-মা। অনেকটা ছেলের ইচ্ছা পূরণেই ইংল্যান্ড গিয়েছেন সাকিবের বাবা-মা। সাকিব আগে থেকেই ভিসার কাজ করে রেখেছিলেন। ঈদ থাকায় যেতে পারেননি তারা।

বুধবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ থেকে ইংল্যান্ডের বিমান ধরেন সাকিবের বাবা-মা। লন্ডনে নেমেই তারা ম্যাচের ভেন্যু নটিংহ্যামে পৌঁছান।

বিজ্ঞাপন

বহু ম্যাচেই সাকিব ম্যাচ সেরা, সিরিজ সেরা কিংবা টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন। কিন্তু ছেলের এমন সব পারফরম্যান্স সরাসরি কখনও দেখা হয়নি সাকিবের বাবা-মায়ের। এই বিশ্বকাপের দুটি ম্যাচেও সাকিব ম্যাচ সেরা হয়েছেন। এবার ছেলের দুর্দান্ত পারফর্ম মাঠে বসেই দেখতে পারবেন তারা। গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে লাল-সবুজের দলকে সরাসরি সমর্থন জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন ছেলের ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে।

দেশ ছাড়ার আগে সাকিবের বাবা বলেন ‘আমি কখনও মাঠে বসে সাকিবের খেলা দেখিনি! এমনকি তার মাকে নিয়েও যাওয়া হয়নি। এবার ছেলের ইচ্ছাতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি গ্যালারিতে বসে তার খেলা দেখব। তাকে ও দেশকে সমর্থন জানাব। সাকিবের নিজেরও ইচ্ছা ছিল আমি ও তার মা যেন এবার গ্যালারিতে বসে বিশ্বকাপ খেলা দেখি। এজন্য সে যাওয়ার আগে ভিসা করে দিয়েছে। ছেলে মাঠে খেললে আমার হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। টিভিতে সরাসরি খেলা দেখতে গেলেও আমার একই অবস্থা হয়। তাই বাড়ির বাইরে পায়চারি করি। পরে ম্যাচের হাইলাইটস দেখে নেই। তবে, যতক্ষণ খেলা চলে ততক্ষণ খোঁজ রাখি।’

সারাবাংলা/এমআরপি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন