মঙ্গলবার ২৩ জুলাই, ২০১৯ ইং , ৮ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

গীতিকার মাসুদ করিমের ৮০০ গান নিয়ে সংকলন গ্রন্থ

জুলাই ৪, ২০১৯ | ৫:৫৯ অপরাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

শুধু মাসুদ করিম নামে তাকে পরিচিত করানো কঠিন। কারণ তার কর্ম তার নামকে ছাপিয়ে গেছে।

‘তন্দ্রা হারা নয়ন আমার’, ‘সজনী গো ভালোবেসে এতো জ্বালা’, ‘চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিঁড়ে’, ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘সন্ধ্যার ছায়া নামে’, ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাব’ এসব কালজয়ী গানের গীতিকার মাসুদ করিম।

এই গানগুলো দেশীয় সংগীতের ভীত হয়ে আছে। এখনো এই গানগুলো ফেরে মানুষের মুখে মুখে। অনেক সিনেমা আছে যেগুলো এইসব গানের জন্যেই হয়েছে সফল।


আরও পড়ুন :  ঢাবি, বঙ্গবন্ধুর বাড়ি, রমনা ঘুরে দেখার ইচ্ছা ছিল: ঊষসী রায়


শাহনাজ রহমতউল্লাহ, রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন, বশির আহমেদ, সৈয়দ আবদুল হাদী, মাহমুদুন্নবী, মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অনেক বড় বড় শিল্পী মাসুদ করিমের লেখা গান গেয়ে সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা গানের জগত।

বিজ্ঞাপন

শুধু আমাদের দেশের শিল্পীরাই না, ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী শ্যামল মিত্র, ভূপেন হাজারিকা, উদিত নারায়ণ, কুমার শানু, অনুরাধা পাডোয়ালও মাসুদ করিমের লেখা গান গেয়েছেন।

রেডিও, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রে মাসুদ করিমের লেখা অসংখ্য গানের মধ্য থেকে ৮০০ গান নিয়ে তৈরি করা হয়েছে গ্রন্থ ‘৮০০ গানের সংকলন মাসুদ করিম’।

চ্যানেল আই ভবনে বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিশেষ এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনন্যা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটির সম্পাদনা করেছেন মাসুদ করিমের স্ত্রী দিলারা আলো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী খুরশীদ আলম,  নাট্যব্যক্তিত্ব কেরামত মওলা, সৈয়দ আব্দুল হাদি, দিলারা আলো ও শাইখ সিরাজ।

মাসুদ করিমের জন্ম কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। ১৯৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে কানাডার মন্ট্রিয়ালে মারা যান তিনি। সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়।

ছবি: আশীষ সেনগুপ্ত

সারাবাংলা/পিএ/পিএম


আরও পড়ুন :

.   আব্বাসদের জন্য বিনামূল্যে ‘আব্বাস’

.   কবির সিংয়ের ডাবল সেঞ্চুরি নট আউট

.   সালমানের ফিটনেস, ৩০০ জিম ও ক্যাটরিনা


বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন