বুধবার ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

রেকর্ডের পাতা নতুন করে লেখালেন সাকিব

জুলাই ৬, ২০১৯ | ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বকাপ ডেস্ক

ভারতের বিপক্ষে হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশ এবারের বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে যায়। নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরেছে, তবে তার আগে কিছু রেকর্ডের পাতা নতুন করে লেখাতে বাধ্য করেছেন সাকিব। টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটার হওয়ার লড়াইয়ে দারুণভাবেই এগিয়ে আছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

এরই মধ্যে সাকিব ঢুকে গেছেন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান করা কিংবদন্তিদের তালিকায়। এই তালিকায় শীর্ষে সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান, ওয়ানডের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি আর সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শচীন টেন্ডুলকার। আর গ্রেটদের কাতারে ঢুকে সাকিব উঠে গেছেন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ৯ নম্বরে।

ব্যাট হাতে এবারের আসর রাঙিয়েছেন সাকিব। লিখেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের গল্প। গত ১০ বছর ধরেই আইসিসি অলরাউন্ডারদের র‌্যাংকিংয়ে বেশিরভাগ সময় শীর্ষে থাকা সাকিব ছুঁয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকারকে। বসেছেন কুমার সাঙ্গাকারার পাশে। টপকে গেছেন রিকি পন্টিংকে। পেছনে ফেলেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স, হার্শেল গিবস আর জ্যাক ক্যালিসদের।

দ্বাদশ বিশ্বকাপ সাকিবকে দিয়েছে দুহাত ভরে। ৮৬.৫৭ গড়ে ৮ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০৬ রান করেছেন সাকিব, বাঁহাতি স্পিনে নিয়েছেন ১১টি উইকেট। বিশ্বকাপে আগের কোনো আসরে ১০ উইকেটের পাশে ৪০০ রানও ছিল না কোনো ক্রিকেটারের।

বিজ্ঞাপন

২০০৩ সালে ১১ ইনিংসে ৬৭৩ রান করেছিলেন শচীন। সেই আসরে একটি সেঞ্চুরি আর ৬টি ফিফটি হাঁকান ভারতের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান। মোট সাতটি ফিফটি প্লাস ইনিংসে এতোদিন একাই ছিলেন শচীন। সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন সাকিব। ৮ ইনিংসের সাতটিতেই ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন সাকিব। যেখানে ৬০৬ রান করতে দুটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি পাঁচটি ফিফটির দেখা পান তিনি। এমন রেকর্ডে আর কেউ নেই।

২০০৩ বিশ্বকাপে শচীন ৬৭৩, ২০০৭ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন করেন ৬৫৯ রান। এক আসরে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় সাকিব তিনে (৬০৬)। ২০০৭ বিশ্বকাপে মাহেলা জয়াবর্ধনে করেন ৫৪৮ রান, ২০১৫ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিল করেছিলেন ৫৪৭ রান।

বিশ্বকাপের আসরে সর্বোচ্চ ২১ বার ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন শচীন। যেখানে ছিল ৬টি সেঞ্চুরি আর ১৫টি ফিফটি। ৪৫ ম্যাচ খেলে শচীন নামের পাশে জমিয়েছেন সর্বোচ্চ ২২৭৮ রান। কুমার সাঙ্গাকারা ৩৭ ম্যাচে খেলে ১৫৩২ রান করার পথে ১২ বার ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন। সাকিব ২৯ ম্যাচ খেলে সাঙ্গাকারার পাশে বসলেন ১১৪৬ রান আর ১২ বার ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলে।

এই তালিকায় চারে থাকা রিকি পন্টিং ১১ বার ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন, ১০ বার করে ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন ডি ভিলিয়ার্স, হার্শেল গিবস আর জ্যাক ক্যালিস।

গ্রুপ পর্ব থেকে বাংলাদেশকে ফিরতে হচ্ছে। গ্রুপ পর্বে এক আসরে সর্বোচ্চ ছিল শচীনের নামের পাশে। ২০০৩ বিশ্বকাপে ভারতীয় ব্যাটিং ঈশ্বর করেছিলেন ৫৮৬ রান। শচীনের রেকর্ড মুছে দিয়ে সাকিব এই আসরে করলেন ৬০৬ রান।

বাংলাদেশের দর্শকরা বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনলাইনে কোনো ধরনের সাবস্ক্রিপশন ফি বা চার্জ ছাড়াই দেখতে পারবেন র‍্যাবিটহোলের ওয়েবসাইট www.rabbitholebd.com-এ। এছাড়া র‍্যাবিটহোলের অ্যাপেও দেখা যাবে প্রতিটি ম্যাচ। অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ডাউনলোড করতে পারবেন https://goo.gl/UNCWS2 (শুধুমাত্র বাংলাদেশ) এই লিংকে ক্লিক করে। তাছাড়া আইওএস ব্যবহারকারীরা ডাউনলোড করতে পারবেন https://goo.gl/vJjyyL (শুধুমাত্র বাংলাদেশ) এই লিংকে ক্লিক করে।

সারাবাংলা/এমআরপি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন