বিজ্ঞাপন

ধসের আশঙ্কায় চট্টগ্রামে পাহাড় থেকে ৩৪ বসতি উচ্ছেদ

July 7, 2019 | 8:20 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ভূমি ধসে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ এলাকায় মধুশাহ পাহাড় থেকে ৩৪টি ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নগরীর প্রতিটি পাহাড়ে মাইকিং করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের চারজন সহকারী কমিশনার একযোগে এই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছেন। এরা হলেন, তাহমিলুর রহমান, ফোরকান এলাহী অনুপম, সাবরিনা আফরিন মুস্তাফা এবং মো. তৌহিদুল ইসলাম। রেলওয়ে, পরিবেশ অধিদফতর, পিডিবি, ওয়াসা এবং কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তারাও উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন।

তৌহিদুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, বৃষ্টি শুরুর আগেই গত ৩ জুলাই থেকে আমরা এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। বৃষ্টির মধ্যে আজ (রোববার) জোরালোভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি। উচ্ছেদের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। উচ্ছেদের পরে মালিককে পাহাড় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গত ৩ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পাহাড় থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদে ১৫ দিনের ‘ক্র্যাশ প্রোগাম’ শুরু করে জেলা প্রশাসন। অভিযান চলবে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত।

ধসের আশঙ্কায় চট্টগ্রামে পাহাড় থেকে ৩৪ বসতি উচ্ছেদ

বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসনের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের জন্য নগরীর মতিঝর্ণা, বাটালী হিল, পোড়া কলোনি পাহাড়, এ কে খান পাহাড়ে ৩৫০টি বসতঘর চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথম ধাপের উচ্ছেদ শেষে দ্বিতীয় ধাপে ১৪টি পাহাড়ে আরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘর চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এর আগে গত মে মাসে চট্টগ্রাম নগরীর ১৭টি পাহাড় থেকে চিহ্নিত ৮৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ করে বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

ধসের আশঙ্কায় চট্টগ্রামে পাহাড় থেকে ৩৪ বসতি উচ্ছেদ

এদিকে শনিবার থেকে টানা বৃষ্টি শুরুর পর নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নগরীর প্রতিটি পাহাড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নিয়োজিত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক টিম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নগরীর আকবর শাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ষোলশহর, জালালাবাদ আবাসিক, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক, সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ, বায়েজিদ, মতিঝর্ণা এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে ৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। শনিবার রাতে পাহাড় থেকে অর্ধশতাধিক পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/এটি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন